নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: খোলা বাজারে দর হুহু করে নামতে থাকায় এবার আলুচাষিদের সুরাহা দিতে বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন মাঠে নামল। প্রশাসনের নির্দেশে শনিবার থেকে নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতি ও কৃষি বিপণন দপ্তর মাঠ থেকে আলু কেনা শুরু করেছে। ওই আলু পশ্চিম বর্ধমানে পাঠানো হচ্ছে। ওই জেলায় আলুর চাহিদা রয়েছে। আসানসোল ও দুর্গাপুরের সুফল বাংলা স্টলে ওই আলু বিক্রি হবে।
Advertisement
বাঁকুড়ার জেলাশাসক সিয়াদ এন বলেন, চাষিদের কাছ থেকে আমরা ১০টাকা কেজি দরে আলু কিনছি। তা পশ্চিম বর্ধমানে পাঠানো হবে।
গতবছরের তুলনায় এবার বাঁকুড়ায় বেশি আলু উৎপাদন হতে চলেছে। এবার চাষের এলাকাও বৃদ্ধি পেয়েছে। গতবছর ৫৩২৭৭ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল। এবার ৫৬৬২৪ হেক্টর জমিতে আলু ফলানো হয়েছে। জলদি জাতের পোখরাজ আলু ১৬১৭৪ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছিল। তা ইতিমধ্যে উঠে গিয়েছে। ওই আলু বাজারজাত হতে শুরু করেছে। বেশিরভাগ এলাকায় অবশ্য জ্যোতি আলু চাষ হয়েছে। তা ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে উঠে যাবে বলে কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা মনে করছেন।
কৃষি বিপণন দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এখন মূলত জলদি জাতের পোখরাজ আলুই বাজারে পাঠানো হচ্ছে। ওই আলু কিনতে আমরা উদ্যোগী হয়েছি। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমার প্রায় সমস্ত ব্লক, সদর মহকুমার বড়জোড়া, ওন্দার কিছু জায়গায় আলুর ভালো ফলন হয়। জেলার চাহিদা মিটিয়ে আমরা সহজেই ভিনজেলায় আলু পাঠাতে পারব। পশ্চিম বর্ধমানে আলু চাষ সেভাবে হয় না। সেখানে বাঁকুড়ার আলু পাঠানো হবে। তবে এই জেলার সুফল বাংলার স্টলেও আলু রাখা হবে। বাজারে প্রতি কেজি আলুর দাম ১০টাকার আশপাশে রয়েছে। কিন্তু চাষিরা দাম পাচ্ছেন না। তাঁরা ৪-৫ টাকা কেজি দরেও আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই চাষিদের সুরাহা দিতে আলু কেনা হচ্ছে।
গতবছরের তুলনায় এবার বাঁকুড়ায় বেশি আলু উৎপাদন হতে চলেছে। এবার চাষের এলাকাও বৃদ্ধি পেয়েছে। গতবছর ৫৩২৭৭ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল। এবার ৫৬৬২৪ হেক্টর জমিতে আলু ফলানো হয়েছে। জলদি জাতের পোখরাজ আলু ১৬১৭৪ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছিল। তা ইতিমধ্যে উঠে গিয়েছে। ওই আলু বাজারজাত হতে শুরু করেছে। বেশিরভাগ এলাকায় অবশ্য জ্যোতি আলু চাষ হয়েছে। তা ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে উঠে যাবে বলে কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা মনে করছেন।
কৃষি বিপণন দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এখন মূলত জলদি জাতের পোখরাজ আলুই বাজারে পাঠানো হচ্ছে। ওই আলু কিনতে আমরা উদ্যোগী হয়েছি। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমার প্রায় সমস্ত ব্লক, সদর মহকুমার বড়জোড়া, ওন্দার কিছু জায়গায় আলুর ভালো ফলন হয়। জেলার চাহিদা মিটিয়ে আমরা সহজেই ভিনজেলায় আলু পাঠাতে পারব। পশ্চিম বর্ধমানে আলু চাষ সেভাবে হয় না। সেখানে বাঁকুড়ার আলু পাঠানো হবে। তবে এই জেলার সুফল বাংলার স্টলেও আলু রাখা হবে। বাজারে প্রতি কেজি আলুর দাম ১০টাকার আশপাশে রয়েছে। কিন্তু চাষিরা দাম পাচ্ছেন না। তাঁরা ৪-৫ টাকা কেজি দরেও আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই চাষিদের সুরাহা দিতে আলু কেনা হচ্ছে।



