নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বাঁকুড়ায় সংগঠন মজবুত করতে ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে শাসক দল। সেই লক্ষ্যে আগামী কাল, বুধবার তৃণমূলের বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার যৌথ মিটিং ডাকা হয়েছে। বাঁকুড়ার রবীন্দ্র ভবনে ডাকা ওই মিটিংয়ে রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক উপস্থিত থাকবেন। উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহলের এই জেলায় তৃণমূল আশানুরূপ ফল করতে পারেনি। জেলার ১২টি আসনের মধ্যে শাসক দল পেয়েছিল মাত্র চারটি। বাকি আটটি দখল করেছিল বিজেপি। বছর ঘুরলেই ফের বিধানসভা ভোট। এবার যাতে বাঁকুড়া জেলায় ঘুরে দাঁড়াতে পারে তারজন্য সংগঠন মজবুত করার উপর জোর দিচ্ছে ঘাসফুল শিবির।
Advertisement
তৃণমূলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বলেন, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের সভায় দলনেত্রী আমাকে সংগঠন মজবুত করার নির্দেশ দিয়েছেন। জেলায় নতুন নতুন কর্মসূচি নিতে বলেছেন নেত্রী। সেইমতো আমরা কর্মসূচি ঘোষণা করব। দলের নির্দেশে দুই সাংগঠনিক জেলার যৌথ মিটিং ডাকা হয়েছে। সেখানে দলের বিভিন্ন শাখা সংগঠনের নেতানেত্রীরা উপস্থিত থাকবেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান থেকে মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে সাংসদ এবং পুরসভা সহ সব স্তরের জনপ্রতিনিধিরাও থাকবেন।
উল্লেখ্য, বাঁকুড়া একসময় লাল দুর্গ ছিল। তবে জেলার প্রায় সব শহরেই দক্ষিণপন্থীদের দাপট লক্ষ্য করা যেত। বাঁকুড়া, সোনামুখী, বিষ্ণুপুরে প্রথমে কংগ্রেস ও পরে তৃণমূল ভালো ফল করে। পরিবর্তনের পর জেলায় লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থীরা পরপর জয় পেয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা ও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল জঙ্গলমহলের অন্যান্য জেলার সঙ্গে বাঁকুড়াতেও মুখ থুবড়ে পড়ে। শাসক দলের সাংগঠনিক দুর্বলতার সুযোগ নেয় বিরোধীরা। গত বিধানসভা নির্বাচনে জেলার ১২টি আসনের মধ্যে আটটি বিজেপি জিতলেও লোকসভা ভোটে বাঁকুড়া আসনটি পুনরুদ্ধার করে তৃণমূল। ওই সাফল্য ধরে রেখে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জেলার সিংহভাগ আসনে জেতার ব্যাপারে উদ্যোগী হচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, সংগঠন মজবুত করতে বুথ স্তর থেকে কর্মসূচি নিতে হবে। কিছু ব্লকে নেতানেত্রীদের একাংশ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। তাঁদের সক্রিয় করা না গেলে প্রয়োজনে সরিয়ে দিতে হবে। তাহলেই বিধানসভা নির্বাচনে আমরা ভালো ফল করতে পারব। আর সেই কাজটা খুব একটা কঠিন হবে না। কারণ এই জেলায় বিজেপি-র সংগঠনে ধস নেমেছে। সদস্য সংগ্রহ অভিযানে ওরা লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে। সেই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, তৃণমূল ফের বাঁকুড়ায় মুখ থুবড়ে পড়বে। আমরা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জেলায় ভালো ফল করব। মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে।
উল্লেখ্য, বাঁকুড়া একসময় লাল দুর্গ ছিল। তবে জেলার প্রায় সব শহরেই দক্ষিণপন্থীদের দাপট লক্ষ্য করা যেত। বাঁকুড়া, সোনামুখী, বিষ্ণুপুরে প্রথমে কংগ্রেস ও পরে তৃণমূল ভালো ফল করে। পরিবর্তনের পর জেলায় লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থীরা পরপর জয় পেয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা ও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল জঙ্গলমহলের অন্যান্য জেলার সঙ্গে বাঁকুড়াতেও মুখ থুবড়ে পড়ে। শাসক দলের সাংগঠনিক দুর্বলতার সুযোগ নেয় বিরোধীরা। গত বিধানসভা নির্বাচনে জেলার ১২টি আসনের মধ্যে আটটি বিজেপি জিতলেও লোকসভা ভোটে বাঁকুড়া আসনটি পুনরুদ্ধার করে তৃণমূল। ওই সাফল্য ধরে রেখে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জেলার সিংহভাগ আসনে জেতার ব্যাপারে উদ্যোগী হচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, সংগঠন মজবুত করতে বুথ স্তর থেকে কর্মসূচি নিতে হবে। কিছু ব্লকে নেতানেত্রীদের একাংশ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। তাঁদের সক্রিয় করা না গেলে প্রয়োজনে সরিয়ে দিতে হবে। তাহলেই বিধানসভা নির্বাচনে আমরা ভালো ফল করতে পারব। আর সেই কাজটা খুব একটা কঠিন হবে না। কারণ এই জেলায় বিজেপি-র সংগঠনে ধস নেমেছে। সদস্য সংগ্রহ অভিযানে ওরা লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে। সেই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, তৃণমূল ফের বাঁকুড়ায় মুখ থুবড়ে পড়বে। আমরা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জেলায় ভালো ফল করব। মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে।



