Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাঁকুড়ায় বাংলার বাড়ির দ্বিতীয় কিস্তির টাকা মে, জুন মাসে: জেলাশাসক

বাঁকুড়ায় বাংলার বাড়ির দ্বিতীয় কিস্তির টাকা মে, জুন মাসে: জেলাশাসক
  • ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বাঁকুড়ায় বাংলার বাড়ির দ্বিতীয় কিস্তির টাকা মে, জুন মাসের মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিলেন জেলাশাসক সিয়াদ এন। শনিবার তিনি বিষ্ণুপুরের বিভিন্ন গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় বাংলার বাড়ি তৈরির অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন। তিনি বলেন, ৯৯ শতাংশ বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে অধিকাংশের বাড়ি লিনটন পর্যন্ত উঠে গিয়েছে। খুব কম সংখ্যক উপভোক্তার নথিপত্রে সমস্যা থাকায় টাকা পেতে দেরি হয়েছে। তাঁরাও ইট ও বালি নামিয়ে ফেলেছেন। খুব শীঘ্রই তাঁরাও নির্মাণ কাজে হাত দেবেন। এনিয়ে কোথাও কোনও অভিযোগ পাইনি। মানুষজন খুশি। আগামী মে, জুন মাসের মধ্যে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা টাকা ছেড়ে দেওয়া হবে। 
Advertisement
জেলাশাসক এদিন বলেন, ইট, বালি ও নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত সামগ্রী বিক্রিতে কোনওরকম সিন্ডিকেটরাজ বরদাস্ত করা হবে না। এনিয়ে আমরা বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছি। প্রশাসনেরও বিশেষ নজর রয়েছে। কোনওরকম অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  তিনি এও বলেন, আমাদের জেলায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ৭৩হাজার উপভোক্তা রয়েছেন। তাঁরা বাড়ি তৈরি করছেন। সিংহভাগ বাড়িতে নির্মাণকাজ চলছে। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে দ্বিতীয় কিস্তির জন্য তাঁরা আবেদন করবেন। তারপর সরকারি কর্মীরা তা যাচাই করার পর দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ছাড়া হবে। 
তিনি বলেন, চলতি বছরের মে, জুন মাসের মধ্যে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ছাড়া সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। প্রকল্পে টাকা ছাড়ার পর সরকারি আধিকারিকরা এলাকায় এলাকায় গিয়ে বাংলার বাড়ি তৈরির কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখছেন। আমি নিজেও এলাকায় যাচ্ছি। ইতিমধ্যে বাঁকুড়া-১, ওন্দা, বিষ্ণুপুর সহ জেলার বেশ কয়েকটি ব্লক এলাকায় গিয়েছি। এদিন বিষ্ণুপুরের ব্লক এলাকায় এসেছি। চৌকান গ্রামে কয়েকটি বাড়ি দেখলাম। নির্মাণকাজ চলছে। অনেক বাড়ি লিনটন পর্যন্ত উঠে গিয়েছে। উপভোক্তাদের সঙ্গে কথাও বললাম। তাঁরা বাড়ি পেয়ে খুশি হয়েছেন।    -নিজস্ব চিত্র   
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ