সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: বিদ্যুতের বিল বাকি রয়েছে। তা জমা না করলে পুলিস গ্রেপ্তার করবে বলে ভয় দেখিয়ে লাভপুর ব্লকের ঠিবা গ্রামের বাসিন্দাদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠল দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই এই প্রতারণা শুরু করেছিল তারা। গ্রামবাসীদের সন্দেহ হওয়ায় শনিবার আগে থেকেই কীর্ণাহার থানার পুলিস ও বিদ্যুৎদপ্তরকে খবর দেওয়া হয়। এদিন দু’জন প্রতারক গ্রামে আসতেই হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। উত্তমমধ্যম দেওয়া হয়। পুলিস তাদের আটক করেছে।
Advertisement
লাভপুর ব্লকের কীর্ণাহার থানার ঠিবা পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যাকবলিত। তারফলে বলরামপুর, কাজীপাড়া, বাঘা, কান্দরকুলো, বাগসিনা সহ একাধিক গ্রামে বহু মানুষের বিদ্যুতের বিল বকেয়া থাকে। সেই সুযোগে দুই ব্যক্তি গ্রামে গিয়ে বাসিন্দাদের ভয় দেখাতে শুরু করে। তাদের বলা হয়, বিদ্যুতের বিল বাকি রয়েছে। তারা না মেটালে পুলিস গ্রেপ্তার করবে। তবে টাকা দিলে বিষয়টি মিটমাট করে নেওয়া হবে বলে প্রস্তাব দেয় তারা। বাসিন্দাদের অনেকে পুলিসের ভয় পেয়ে যান। তারফলে অনেকের কাছ থেকে ৫-১০হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেয় ওই দু’জন। কিন্তু বিদ্যুৎদপ্তরের কোনও গাড়ি বা কোনও নথিপত্র না দেওয়ায় সন্দেহ হয় গ্রামবাসীদের। তারপরই শনিবার তারা ফের গ্রামে টাকা নিতে এলে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। কীর্ণাহার থানার পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। গ্রামে পৌঁছয় বিদ্যুৎদপ্তর। তারা পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, তারা এরকম কাউকে দায়িত্ব দেয়নি। পুলিস দু’জনকে আটক করে। জেরায় প্রতারণার কথা স্বীকার করেছে তারা। এমনকী দ্রুত সকলের টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও জানিয়েছে। প্রতারিত শিউলি বাগদি, দয়াময় দাস বলেন, আমরা ধারদেনা করে বিদ্যুতের জন্য টাকা দিয়েছি। পরে বুঝতে পারি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা হয়েছে। আমাদের টাকা ফেরত চাই।
তৃণমূলের ঠিবা অঞ্চল সভাপতি সাহিন কাজি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রতারণার কাজ করছিল দু’জন। গ্রামবাসীরা আমাদের কাছে এসে বিষয়টি জানায়। গ্রামে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দু’জনকে চিহ্নিত করা হয়। এদিন সকলেই সতর্ক হয়েছিলাম। ওই দুই ব্যক্তি গ্রামে আসার সাথেই তাদের ঘিরে ধরে জেরা করতেই সমস্ত কথা জানায়। পরে তাদের পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
তৃণমূলের ঠিবা অঞ্চল সভাপতি সাহিন কাজি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রতারণার কাজ করছিল দু’জন। গ্রামবাসীরা আমাদের কাছে এসে বিষয়টি জানায়। গ্রামে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দু’জনকে চিহ্নিত করা হয়। এদিন সকলেই সতর্ক হয়েছিলাম। ওই দুই ব্যক্তি গ্রামে আসার সাথেই তাদের ঘিরে ধরে জেরা করতেই সমস্ত কথা জানায়। পরে তাদের পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।



