সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: আগেই ৫২টি হাতি ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে চুপিসারে সোনামুখীতে ঢুকল আরও ১০টি হাতি। সব মিলিয়ে ৬২টি হাতিকে নিয়ে নাজেহাল বনদপ্তর। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনদিন দাপিয়ে বেড়ানোর পর বুধবার জয়পুর ছেড়ে দ্বারকেশ্বর পেরিয়ে ৫২টি হাতির দলটি পাত্রসায়রের জঙ্গলে ঢোকে। বৃহস্পতিবার ওই দলটি পাত্রসায়র ছেড়ে সোনামুখীর জঙ্গলে চলে আসে। তবে ওইদিন রাতে চুপিসারে আরও ১০টি হাতি এজেলায় ঢোকে। রাতের মধ্যেই বিষ্ণুপুরের জঙ্গল হয়ে দ্বারকেশ্বর পেরিয়ে একই পথে সোনামুখীর জঙ্গলে চলে আসে। পুরনো দলের সঙ্গে ভিড়ে যায়। বর্তমানে পুরো দলটি সোনামুখীর তেঁতুলাবাঁধের জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে।
Advertisement
বনদপ্তরের সোনামুখীর রেঞ্জার নিলয় রায় বলেন, বড় দলটি বৃহস্পতিবার পাত্রসায়র থেকে সোনামুখী রেঞ্জে আসে। বনকর্মীরা ওই দলটিকে দিনভর নজরে রাখে। কিন্তু, সন্ধ্যার পর খবর পাই ১০টি হাতির আরও একটি দল দ্বারকেশ্বর পেরিয়ে আসছে। সেই মতো বনকর্মীরা সতর্ক হয়ে যান। ছোট দলটি পাত্রসায়র হয়ে রাত দেড়টা নাগাদ বড় দলের সঙ্গে মিশে যায়। দু’টি দল একসঙ্গে মিশে যাওয়ায় তাদের নজরদারি চালাতে বনকর্মীদের সুবিধা হচ্ছে। বর্তমানে তেঁতুলাবাঁধের ঘন জঙ্গলে অবস্থান করছে। সেখানে যথেষ্ট খাবার রয়েছে। ওই জঙ্গলের আয়তন বেশ বড়। কাছাকাছি লোকালয় কম রয়েছে। সেই জন্য ক্ষয়ক্ষতি সেভাবে হয়নি। গোটা দলটিকে জঙ্গলের মধ্যেই ঘিরে রাখার চেষ্টা চলছে।
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দলমা এবং ময়ূরঝর্ণার হাতি বহু বছর ধরে পৃথকভাবে বাঁকুড়ায় যাতায়াত করছে। দলমার হাতিরা আকারে বেশ বড়। ময়ূরঝর্ণার হাতিরা তুলনায় কিছুটা ছোট। তারা একসঙ্গে এই জেলায় ঢোকে না। তাদের মধ্যে মুখোমুখি হয়ে গেলে উভয়ের মধ্যে কার্যত যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেজন্য দলমার হাতিরা চলে যাওয়ার পর ময়ূরঝর্ণার হাতি আসে। ময়ূরঝর্ণার হাতির সংখ্যা কম। তবে তারা ভীষণ মারকুটে স্বভাবের। তুলনায় দলমার হাতিরা শান্ত স্বভাবের। তারা যাতায়াতের সময় ফসলের ক্ষয়ক্ষতি করলেও মানুষকে আক্রমণ কম করে। সেইদিক থেকে ময়ূরঝর্ণার হাতি মানুষ দেখলে তেড়ে আসে। তবে এবার যে দু’টি হাতির দল পৃথকভাবে এসেছে, সেগুলি দলমার। সেই জন্য পৃথকভাবে এলেও তারা একসঙ্গে মিশে গিয়েছে।
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দলমা এবং ময়ূরঝর্ণার হাতি বহু বছর ধরে পৃথকভাবে বাঁকুড়ায় যাতায়াত করছে। দলমার হাতিরা আকারে বেশ বড়। ময়ূরঝর্ণার হাতিরা তুলনায় কিছুটা ছোট। তারা একসঙ্গে এই জেলায় ঢোকে না। তাদের মধ্যে মুখোমুখি হয়ে গেলে উভয়ের মধ্যে কার্যত যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেজন্য দলমার হাতিরা চলে যাওয়ার পর ময়ূরঝর্ণার হাতি আসে। ময়ূরঝর্ণার হাতির সংখ্যা কম। তবে তারা ভীষণ মারকুটে স্বভাবের। তুলনায় দলমার হাতিরা শান্ত স্বভাবের। তারা যাতায়াতের সময় ফসলের ক্ষয়ক্ষতি করলেও মানুষকে আক্রমণ কম করে। সেইদিক থেকে ময়ূরঝর্ণার হাতি মানুষ দেখলে তেড়ে আসে। তবে এবার যে দু’টি হাতির দল পৃথকভাবে এসেছে, সেগুলি দলমার। সেই জন্য পৃথকভাবে এলেও তারা একসঙ্গে মিশে গিয়েছে।



