সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বিদ্যুতের বকেয়া রয়েছে প্রায় ৩৪৭ কোটি টাকা। এই টাকা আদায় করতে এবার এজেন্সি নিয়োগ করল বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বকেয়া না মেটালে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কাজ করবে এই এজেন্সি। এখনও পর্যন্ত ৬৫টি এজেন্সি নিয়োগ করা হয়েছে। রিজিওন্যাল ম্যানেজার প্রদীপ সামন্ত বলেন, এই এজেন্সিগুলির অধীনে প্রায় ২০০টি দল কাজ করবে। তারা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করবে। তবে পুনরায় সংযোগ দেবে দপ্তর। সোমবার এজেন্সিগুলিকে নিয়ে জরুরি বৈঠকও করা হয়।
Advertisement
তিনি বলেন, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় আমাদের চারটি বিভাগ আছে। মেদিনীপুর, খড়্গপুর, ঘাটাল ও বেলদা বিভাগ মিলিয়ে ডোমেস্টিক, কমার্সিয়াল, ইন্ডাস্ট্রি ও সেচের প্রায় ৪ লক্ষ গ্রাহকের বিল বকেয়া আছে, যা মোট গ্রহকের প্রায় ২৫ শতাংশ। যার পরিমাণ প্রায় ৩৪৭ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি বকেয়া আছে মেদিনীপুর বিভাগে। নভেম্বর মাস থেকে আমরা বকেয়া আদয়ে জোর দেওয়া শুরু করেছি। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে বকেয়া আদায়ে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। আমাদের অত সংখ্যক কর্মী নেই। তাই এই কাজে এজেন্সি নিয়োগ করা হচ্ছে। তাদের দ্রুত কাজ শুরু করে দিতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর বকেয়া আদায়ের জন্য বিভিন্ন জায়গায় শিবির করা হবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য, এই দু’মাসের মধ্যে যত বেশি পরিমাণ বকেয়া কমিয়ে আনা। একই সঙ্গে হুকিং সহ বেআইনি বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এক আধিকারিক বলেন, এমন অনেক এলাকা আছে যেখানে বছরের পর বছর বিদ্যুৎ বিল বকেয়া আছে। বার বার নোটিস দেওয়া সত্ত্বেও বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার কোনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। নোটিস দেওয়ার পাশাপাশি দপ্তরের আধিকারিকরা গ্রাহকদের কাছে গিয়ে বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার জন্য জানিয়ে আসছে। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বকেয়া আদায়ের লক্ষ্যে এবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
দপ্তর সূত্রে খবর, বিভিন্ন জায়গায় হুকিং করে যেমন বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হচ্ছে। তেমনই আবার মিটার বাইপাস করেও সংযোগ নেওয়া হচ্ছে। অনেক জায়গায় সার্ভিস লাইন ছিঁড়ে সেখান থেকে বেআইনিভাবে সংযোগ নেওয়া হচ্ছে। এভাবে সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে জীবনের ঝুঁকি থেকে যায়।
এভাবে সংযোগ নিতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এক আধিকারিক বলেন, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি দপ্তর থেকে এফআইআরও করা হয়। নভেম্বর মাসে কেবলমাত্র খড়্গপুর বিভাগেই প্রায় ৪২টি এফআইআর করা হয়েছে। যার মধ্যে ৩৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। হুকিংয়ের লাইন কাটতে গিয়ে বাধার মুখেও পড়তে হচ্ছে বলে ওই আধিকারিক জানান।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর বকেয়া আদায়ের জন্য বিভিন্ন জায়গায় শিবির করা হবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য, এই দু’মাসের মধ্যে যত বেশি পরিমাণ বকেয়া কমিয়ে আনা। একই সঙ্গে হুকিং সহ বেআইনি বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এক আধিকারিক বলেন, এমন অনেক এলাকা আছে যেখানে বছরের পর বছর বিদ্যুৎ বিল বকেয়া আছে। বার বার নোটিস দেওয়া সত্ত্বেও বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার কোনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। নোটিস দেওয়ার পাশাপাশি দপ্তরের আধিকারিকরা গ্রাহকদের কাছে গিয়ে বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার জন্য জানিয়ে আসছে। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বকেয়া আদায়ের লক্ষ্যে এবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
দপ্তর সূত্রে খবর, বিভিন্ন জায়গায় হুকিং করে যেমন বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হচ্ছে। তেমনই আবার মিটার বাইপাস করেও সংযোগ নেওয়া হচ্ছে। অনেক জায়গায় সার্ভিস লাইন ছিঁড়ে সেখান থেকে বেআইনিভাবে সংযোগ নেওয়া হচ্ছে। এভাবে সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে জীবনের ঝুঁকি থেকে যায়।
এভাবে সংযোগ নিতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এক আধিকারিক বলেন, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি দপ্তর থেকে এফআইআরও করা হয়। নভেম্বর মাসে কেবলমাত্র খড়্গপুর বিভাগেই প্রায় ৪২টি এফআইআর করা হয়েছে। যার মধ্যে ৩৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। হুকিংয়ের লাইন কাটতে গিয়ে বাধার মুখেও পড়তে হচ্ছে বলে ওই আধিকারিক জানান।



