সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: কেন্দ্রীয় বাজেটে চা নিয়ে একটি কথাও নেই। চায়ে এই বঞ্চনার জেরে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট নিয়ে জেলা বিজেপি নেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। আলিপুরদুয়ারে যেকোনও ভোটে নির্ণায়ক হয়ে ওঠে চা শ্রমিকরাই। ফলে চা নিয়ে বাজেটে একটি কথাও না থাকায় একবছর পরে বিধানসভা ভোটে দলের ক্ষতির আশঙ্কা গ্রাস করেছে জেলার পদ্ম শিবিরের নেতাদের। সেই আশঙ্কার কথা অকপটে মেনেও নিয়েছেন জেলা বিজেপি নেতারা।
Advertisement
বিজেপির জাতীয় পরিষদের সদস্য দলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি গুণধর দাস খোলাখুলিই বলেন, বাজেটে চা নিয়ে কোনও কথা না থাকায় ছাব্বিশের ভোটে জেলায় দলকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। আমরা সত্যিই উদ্বিগ্ন। বিজেপির জেলা সভাপতি এমপি মনোজ টিগ্গা বলেন, বাজেটে চা নিয়ে কোনও কথা না থাকায় নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে। আমাদেরও সেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে। এনিয়ে আমরাও চিন্তিত। তবে ছাব্বিশেও বাজেট আছে। আশা করছি সেই বাজেটে চা নিয়ে অনেক কিছু পাওয়া যাবে।
একুশের ভোটে আলিপুরদুয়ারে বিজেপি ৫টি আসনই পেয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেসকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল। যদিও চা শ্রমিকদের প্রতি কেন্দ্রের ধারাবাহিক বঞ্চনার জেরে চব্বিশের লোকসভা ভোট থেকে জেলায় বিজেপির সংগঠনে ঘুণ ধরতে শুরু করেছে। কারণ ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রায় আড়াই লক্ষ ভোটে জিতলেও চব্বিশে সেই ভোট এক ধাক্কায় মাত্র ৭৬ হাজারে নেমে এসেছে।
কেন্দ্রের এই বঞ্চনা বুঝতে পেরে চা শ্রমিকরাও তৃণমূলের দিকে ঝুঁকে পড়তে শুরু করেছে। মাদারিহাট বিধানসভার উপ নির্বাচনে সেই ফল মিলেছে। ওই উপ নির্বাচনে শ্রমিকরা দু’হাত ভরে ভোট দিয়েছে শাসক দল তৃণমূলকে। যারজন্য তৃণমূল প্রার্থী জয়প্রকাশ টোপ্পো ২৮ হাজার ভোটে জিতে বাজিমাত করেন।
এমনিতেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বারলা তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে আছেন। ডুয়ার্সে বারলা কিন্তু বড় ফ্যাক্টর। বিজেপিও সেটা বোঝে। এই অবস্থায় বাজেটে চা নিয়ে একটি শব্দও না থাকায় ছাব্বিশের ভোটের সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে জেলায় গেরুয়া শিবিরের নেতারা। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বারলা বলেন, আমি তো আগেই বলেছি চা শ্রমিকরা কেন্দ্রের কোনও প্যাকেজ পাচ্ছেন না। এতো সবে শুরু। ছাব্বিশের ভোটে জেলা থেকে ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যাবে বিজেপি।
একুশের ভোটে আলিপুরদুয়ারে বিজেপি ৫টি আসনই পেয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেসকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল। যদিও চা শ্রমিকদের প্রতি কেন্দ্রের ধারাবাহিক বঞ্চনার জেরে চব্বিশের লোকসভা ভোট থেকে জেলায় বিজেপির সংগঠনে ঘুণ ধরতে শুরু করেছে। কারণ ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রায় আড়াই লক্ষ ভোটে জিতলেও চব্বিশে সেই ভোট এক ধাক্কায় মাত্র ৭৬ হাজারে নেমে এসেছে।
কেন্দ্রের এই বঞ্চনা বুঝতে পেরে চা শ্রমিকরাও তৃণমূলের দিকে ঝুঁকে পড়তে শুরু করেছে। মাদারিহাট বিধানসভার উপ নির্বাচনে সেই ফল মিলেছে। ওই উপ নির্বাচনে শ্রমিকরা দু’হাত ভরে ভোট দিয়েছে শাসক দল তৃণমূলকে। যারজন্য তৃণমূল প্রার্থী জয়প্রকাশ টোপ্পো ২৮ হাজার ভোটে জিতে বাজিমাত করেন।
এমনিতেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বারলা তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে আছেন। ডুয়ার্সে বারলা কিন্তু বড় ফ্যাক্টর। বিজেপিও সেটা বোঝে। এই অবস্থায় বাজেটে চা নিয়ে একটি শব্দও না থাকায় ছাব্বিশের ভোটের সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে জেলায় গেরুয়া শিবিরের নেতারা। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বারলা বলেন, আমি তো আগেই বলেছি চা শ্রমিকরা কেন্দ্রের কোনও প্যাকেজ পাচ্ছেন না। এতো সবে শুরু। ছাব্বিশের ভোটে জেলা থেকে ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যাবে বিজেপি।



