নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: লক্ষ্য গ্রাম ও মধ্যবিত্ত। দিল্লির ভোট ৫ ফেব্রুয়ারি। বিহারের ভোট বছরের শেষার্ধে। বাজেট ১ ফেব্রুয়ারি। অতএব মধ্যবিত্ত প্রধান রাজধানী শহর দিল্লি ও গ্রামপ্রধান বিহারের কথা মনে রেখে বাজেট প্রস্তাবে আসতে চলেছে এই দুই সেক্টরের জন্যই সুখবর। যদিও বাজেট গোটা দেশের। তবুও দিল্লি ভোটের প্রাক্কালে আয়করে ছাড় দিয়ে মধ্যবিত্তকে তুষ্ট করতে চাইছে মোদি সরকার। কারণ দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি যে রাজ্যে মধ্যবিত্তের হার বেশি সেটা হল দিল্লি। ৬৮ শতাংশই মধ্যবিত্ত এই রাজধানী অঞ্চলে। বণিকসভা কিংবা এসবিআই রিসার্চ সমীক্ষা, সব পক্ষই বাজেটের আগে সরকারকে মানুষের হাতে অর্থ জোগানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার পরামর্শ বা প্রস্তাব দিয়েছে। আয়করে ছাড় দিয়ে তা সম্ভব। এতদিন সর্বনিম্ন ধাপে ছাড় দিয়ে নাম কেনার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা বার্ষিক আয়ের করদাতাদের জন্য কোনও সুরাহা করা হয়নি। এবার ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয়ের করদাতাদের জন্য নতুন করকাঠামোয় বিশেষ ছাড় থাকতে পারে। পাশাপাশি বেসিক এক্সেমশনের পরিমাণও বাড়ানো হবে বলে জল্পনা চলছে। যদিও সরকারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। বিগত চার বছর ধরে দেখা গিয়েছে মোদি সরকারের রাজকোষ প্রধানত পূর্ণ করছে করদাতারা। প্রত্যক্ষ কর বিপুলভাবে আদায় হচ্ছে। সুতরাং আয়করে ছাড় দিলেও কর সংগ্রহকে কমানোর পথে যে ঠেলে দেবেন না নির্মলা সীতারামণ, সেটা নিয়ে সংশয় নেই। সুতরাং একদিকে যেমন আয়করে সরাসরি ছাড় দেবেন, তেমনই ঘুরপথে আবার নিয়েও নেওয়া হবে কিছু অতিরিক্ত টাকা সেটাও কমবেশি প্রত্যাশিত। অন্তত বিগত বছরগুলির রীতি তাই। প্রশ্ন হল সেটা কীভাবে? উচ্চা আয়ের ক্ষেত্রে কোনও সেস বসিয়ে? নাকি বেসরকারি সঞ্চয়ের ওপর কোনও অতিরিক্ত কর আদায় করে? কারণ বিগত দু বছরে বেসরকারি সঞ্চয় অর্থাৎ মিউচুয়াল ফান্ড, এসআইপি আকাশ ছুঁয়েছে। এবার সেটাই কি টার্গেট নতুন কর সংগ্রহের?



