নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: সোমবার ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করল পুরুলিয়া পুরসভা। এবারের বাজেটে নিজস্ব তহবিলে আয় বৃদ্ধির ‘শপথ’ নিয়েছে পুরুলিয়া পুরসভা। এমনিতেই পুরসভার ভাঁড়ে মা ভবানী। নিজস্ব তহবিলের অবস্থা তাথৈবচ। আয়ের তুলনায় খরচ বেশি হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পুরসভা চালানোই মুশকিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আগামী অর্থবর্ষে পুরসভা নিজস্ব তহবিলে আয় বৃদ্ধির সবরকম চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি।
Advertisement
আগামী ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষে পুরুলিয়া ৭৪ কোটি ৯১ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৩১ টাকা আয়ের টার্গেট নিয়েছে পুরসভা। এরমধ্যে বিভিন্ন খাতে খরচ হবে ৭৪ কোটি ৫ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এবছর ‘অপ্রয়োজনীয়’ খরচ কমাতে চাইছে পুরসভা। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, খরচ কমিয়ে আয়ের উপর জোর দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বাজেটে। তিনি বলেন, পাঁচ বছর ধরে পুরুলিয়া পুরসভার বাসিন্দাদের সম্পত্তি কর মূল্যায়ন হয়নি। মিউটেশন কম হচ্ছে। ঠিকমতো ট্যাক্স আদায় হচ্ছে না। বহু বাসিন্দা বছরের পর বছর ধরে পুরসভাকে কর দিচ্ছে না। অনেকে আবার রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিংকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করে পুরসভাকে কর ফাঁকি দিচ্ছে। পুরসভার আয় যতটা হওয়ার কথা হচ্ছে না। খুব শীঘ্রই পুরুলিয়া শহরে অনলাইন অ্যাসেসমেন্ট শুরু হবে। বাজারগুলিতেও অ্যাসেসমেন্ট করব। এতে পুরসভার আয় বৃদ্ধি হবে।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, যে যে জায়গা থেকে পুরসভার আয়ের রাস্তা রয়েছে, সেইসব জায়গা থেকেই আয় বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। পুরসভার মার্কেট কমপ্লেক্স, পার্কিং থেকে শুরু করে আরও পানীয় জলের সংযোগ দিয়ে আয় বাড়ানো হবে। এখন সব জায়গায় যেমন ২০লিটারের ড্রামে জল বিক্রি করছে বিভিন্ন সংস্থা, সেই ধাঁচে পুরসভাও পরিশ্রুত পানীয় জল প্যাকেটজাত করে বিক্রির ব্যবস্থা করবে। এনিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে।
প্রসঙ্গত, চলতি ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে প্রায় ৭৮ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল পুরুলিয়া পুরসভা। গত এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ন’মাসে আয় হয়েছে মাত্র ৪০ কোটি ৬০ লক্ষ ৫৯ হাজার টাকা। এবছর টার্গেট যে পূরণ হবে না, তা অকপটে স্বীকার করে নিচ্ছে পুর কর্তৃপক্ষ। আয়ের টার্গেট পূরণ না হলে পুরসভার যে ফের বিপাকে পড়বে, সেই আশঙ্কাও করা হচ্ছে। এমনিতেই পুরসভার কর্মীদের প্রতি মাসে বেতন দিতে পারছে না পুরসভা। দু’মাস তিনমাস বেতন বকেয়া থেকে যাচ্ছে। বেতন না পেয়ে কয়েক মাস ছাড়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভ কার্যত ‘নিয়মে’ পরিণত হয়েছে। অস্থায়ী কর্মীদের অধিকাংশেই দৈনিক বেতন পান ১২০টাকা। তাঁরা ভেবেছিলেন, এবছর বাজেটে তাঁদের জন্য বরাদ্দ বাড়বে, যদিও সেই সম্ভাবনা দেখা যায়নি।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, যে যে জায়গা থেকে পুরসভার আয়ের রাস্তা রয়েছে, সেইসব জায়গা থেকেই আয় বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। পুরসভার মার্কেট কমপ্লেক্স, পার্কিং থেকে শুরু করে আরও পানীয় জলের সংযোগ দিয়ে আয় বাড়ানো হবে। এখন সব জায়গায় যেমন ২০লিটারের ড্রামে জল বিক্রি করছে বিভিন্ন সংস্থা, সেই ধাঁচে পুরসভাও পরিশ্রুত পানীয় জল প্যাকেটজাত করে বিক্রির ব্যবস্থা করবে। এনিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে।
প্রসঙ্গত, চলতি ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে প্রায় ৭৮ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল পুরুলিয়া পুরসভা। গত এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ন’মাসে আয় হয়েছে মাত্র ৪০ কোটি ৬০ লক্ষ ৫৯ হাজার টাকা। এবছর টার্গেট যে পূরণ হবে না, তা অকপটে স্বীকার করে নিচ্ছে পুর কর্তৃপক্ষ। আয়ের টার্গেট পূরণ না হলে পুরসভার যে ফের বিপাকে পড়বে, সেই আশঙ্কাও করা হচ্ছে। এমনিতেই পুরসভার কর্মীদের প্রতি মাসে বেতন দিতে পারছে না পুরসভা। দু’মাস তিনমাস বেতন বকেয়া থেকে যাচ্ছে। বেতন না পেয়ে কয়েক মাস ছাড়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভ কার্যত ‘নিয়মে’ পরিণত হয়েছে। অস্থায়ী কর্মীদের অধিকাংশেই দৈনিক বেতন পান ১২০টাকা। তাঁরা ভেবেছিলেন, এবছর বাজেটে তাঁদের জন্য বরাদ্দ বাড়বে, যদিও সেই সম্ভাবনা দেখা যায়নি।



