Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হরিশ্চন্দ্রপুরে বিজেপির কোন্দল প্রকাশ্যে, হার নিশ্চিত, দাবি নেতার

নিজেদের ঘরেই আগুন!

হরিশ্চন্দ্রপুরে বিজেপির কোন্দল প্রকাশ্যে, হার নিশ্চিত, দাবি নেতার
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মহম্মদ নাজিম, হরিশ্চন্দ্রপুর: নিজেদের ঘরেই আগুন! হরিশ্চন্দ্রপুরে দলের নেতা-কর্মীদের গুরুত্ব না দিয়ে সিপিএম ও কংগ্রেসের সঙ্গে গোপন সমঝোতায় জড়িয়ে পড়েছেন বিজেপি প্রার্থী রতন দাস বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন দলেরই কনভেনর কৃষ্ণ রজক ও‌ মণ্ডল সম্পাদক চিরঞ্জিত বসাক ।

Advertisement

হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার কনভেনর কৃষ্ণ ক্ষোভ উগরে বলেন, যারা এতদিন অন্যদলে থেকে লুটেপুটে খেয়েছেন,সেসব লোক এখন বিজেপিতে ঢুকে গিয়েছে। তারাই এখন দলের নেতা। পুরনো কর্মীদের কোনো দামই নেই। মণ্ডল সম্পাদক চিরঞ্জিত বলেন, মণ্ডল স্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে প্রার্থী রতন দাসের কোনো যোগাযোগ নেই। সংখ্যালঘু এলাকা তো দূরের কথা, হিন্দু এলাকাতেও তাঁর সেরকম প্রচার নেই। মানুষ প্রার্থীকে নিয়ে ক্ষুব্ধ। বিজেপির হার নিশ্চিত। তার দায় পুরোপুরি প্রার্থীর। 
বিজেপির একাংশ নেতা-কর্মীর অভিযোগ, টিকিট পাওয়ার‌ আগে প্রার্থী রতনকে বিধানসভার মানুষ চিনত না। প্রার্থী হওয়ার পর দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাঁর সেরকম নিবিড় যোগাযোগ নেই। কংগ্রেস ও সিপিএমের সঙ্গে প্রার্থীর গোপন আঁতাত রয়েছে। এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে দল। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের ঠিক আগে ভিতর থেকে এমন ক্ষোভ ফেটে পড়া মানেই সংগঠনে বড়সড় ফাটলের ইঙ্গিত। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে প্রার্থী রতন দাস বলেন, যাঁরা এসব কথা বলছেন তাঁরা দলের কেউ নন। আমি তাদের চিনিও না। গোটা ঘটনায় কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এনিয়ে তরজাও শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে,যদি এরা দলের কেউ না হয়, তাহলে এতদিন সংগঠনের ভিতরে কারা ছিল? আর কেনই বা ভোটের ঠিক আগে এমন বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসছে? ভোটের আগে বিজেপির এই ঘরোয়া লড়াই যে বিরোধীদের বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য। 
বিজেপি প্রার্থী বলেন, আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছে। যাঁরা অভিযোগ করছেন, তাঁদের চিনি না। দলের মধ্যে ফাটল ধরানোর জন্যই চক্রান্ত করছে। তবে, জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। তৃণমূলের মালদহ জেলা সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, বিজেপির হার নিশ্চিত জেনেই এবার সবাই মুখ খুলতে শুরু করেছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ