সংবাদদাতা, কান্দি: সদ্যঘোষিত মণ্ডল সভাপতি পছন্দ হয়নি। দলের জেলা নেতাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে কুশপুতুল পোড়ালেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। বড়ঞার শিউলি গ্রামের ওই ঘটনাটি সোমবার সন্ধ্যায় বিজেপি কর্মীরা রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। যা নিয়ে এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। চরম অস্বস্তিতে পড়ে বিজেপি। যদিও বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি, যারা ওই কাণ্ড ঘটিয়েছে, তারা দলের কেউ নয়।
Advertisement
সম্প্রতি বিজেপির পক্ষ থেকে জেলার বিভিন্ন মণ্ডল সভাপতিদের নাম ঘোষণা করা হয়। বড়ঞার ৪৮ নম্বর মণ্ডল সভাপতি হিসেবে দীপেন মণ্ডণ্ডের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু, তাঁর সভাপতি হওয়া দলীয় কর্মীদের অনেকেই পছন্দ করছেন না। এনিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় বড়ঞার কুরুননুরন পঞ্চায়েতের শিউলি গ্রামে একটি স্কুলের সামনে প্রায় ২০০ বিজেপি কর্মী বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভ চলাকালীন দলের বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক তথা বড়ঞা ব্লক ইনচার্জ মলয় মহাজনের কুশপুতুল দাহ করা হয়। দলীয় কর্মিরা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘জেলা থেকে চাপিয়ে দেওয়া সভাপতি মানছি না, মানব না’।
বিক্ষোভে শামিল বিজেপির প্রাক্তন জেলা সাধারণ সম্পাদক দীনেশ মজুমদার বলেন, যাঁকে আমাদের মণ্ডল সভাপতি করা হয়েছে, তিনি একজন নতুন সদস্য। তাঁর সভাপতি হওয়া এলাকার কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তিনি একবছর হল সদস্যপদ পেয়েছেন। অথচ দলের সংবিধানে উল্লেখ রয়েছে তিনবছরের আগে মণ্ডল সভাপতি পদ পাওয়া যায় না। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মলয় মহাজন ও দলের জেলা সভাপতি শাখারভ সরকার প্রত্যেক মণ্ডলকে এভাবেই নষ্ট করে দেওয়ার চক্রান্ত করছেন। দুই নেতৃত্বের কাছে আমাদের আবেদন নতুন কাউকে সভাপতি করে বড়ঞায় বিজেপিকে বাঁচান।
স্থানীয় বাসিন্দা তথা বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক সুখেন বাগদি বলেন, ৪৮ নম্বর মণ্ডল সভাপতিকে অনেকেই মেনে নিতে না পেরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। জেলা নেতৃত্বের কাছে দ্রুত সমস্যা মেটানোর অনুরোধ করেছি।
বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে যাঁরা এসব করছেন, তাঁরা বিজেপির কেউ নন। তাঁরা তৃণমূলের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করে দলকে নষ্ট করার চক্রান্ত করছেন। বিক্ষোভে কোনও বিজেপি কর্মী শামিল হয়নি। গত বিধানসভা ভোটে ওরা দাঁড়িয়ে থেকে তৃণমূলের ভোট করেছিল। এবারের লোকসভা ভোটে বড়ঞা ব্লক এলাকায় আমরা লিড নিয়েছি। তাই ফের বিধানসভা ভোটের আগে ওরা তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসরে নেমেছে। বড়ঞা ব্লক তৃণমূলের সহকারী সভাপতি মাহে আলম বলেন, বিজেপির এই গোষ্ঠীকোন্দল ২০২১ সাল থেকে চলছে। ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে এই গন্ডগোল। ওইদিনও তার একটি চিত্রনাট্য দেখা গেল। তবে এখানে তৃণমূল কংগ্রেস শক্ত জায়গায় রয়েছে।
বিক্ষোভে শামিল বিজেপির প্রাক্তন জেলা সাধারণ সম্পাদক দীনেশ মজুমদার বলেন, যাঁকে আমাদের মণ্ডল সভাপতি করা হয়েছে, তিনি একজন নতুন সদস্য। তাঁর সভাপতি হওয়া এলাকার কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তিনি একবছর হল সদস্যপদ পেয়েছেন। অথচ দলের সংবিধানে উল্লেখ রয়েছে তিনবছরের আগে মণ্ডল সভাপতি পদ পাওয়া যায় না। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মলয় মহাজন ও দলের জেলা সভাপতি শাখারভ সরকার প্রত্যেক মণ্ডলকে এভাবেই নষ্ট করে দেওয়ার চক্রান্ত করছেন। দুই নেতৃত্বের কাছে আমাদের আবেদন নতুন কাউকে সভাপতি করে বড়ঞায় বিজেপিকে বাঁচান।
স্থানীয় বাসিন্দা তথা বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক সুখেন বাগদি বলেন, ৪৮ নম্বর মণ্ডল সভাপতিকে অনেকেই মেনে নিতে না পেরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। জেলা নেতৃত্বের কাছে দ্রুত সমস্যা মেটানোর অনুরোধ করেছি।
বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে যাঁরা এসব করছেন, তাঁরা বিজেপির কেউ নন। তাঁরা তৃণমূলের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করে দলকে নষ্ট করার চক্রান্ত করছেন। বিক্ষোভে কোনও বিজেপি কর্মী শামিল হয়নি। গত বিধানসভা ভোটে ওরা দাঁড়িয়ে থেকে তৃণমূলের ভোট করেছিল। এবারের লোকসভা ভোটে বড়ঞা ব্লক এলাকায় আমরা লিড নিয়েছি। তাই ফের বিধানসভা ভোটের আগে ওরা তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসরে নেমেছে। বড়ঞা ব্লক তৃণমূলের সহকারী সভাপতি মাহে আলম বলেন, বিজেপির এই গোষ্ঠীকোন্দল ২০২১ সাল থেকে চলছে। ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে এই গন্ডগোল। ওইদিনও তার একটি চিত্রনাট্য দেখা গেল। তবে এখানে তৃণমূল কংগ্রেস শক্ত জায়গায় রয়েছে।



