সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: বিজেপির দখলে থাকা কোচবিহার-২ ব্লকের বড় রাংরস গ্রাম পঞ্চায়েতে সংগঠন শক্তিশালী করতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। নতুন বছরের শুরুতেই ওই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বুথে বুথে বৈঠক করে অঞ্চল ভিত্তিক কর্মিসভা করবে জোড়াফুল শিবির।
Advertisement
শুক্রবার সকালে কোচবিহার উত্তর বিধানসভার বড় রাংরস গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জনসংযোগে আসেন তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতিধুরা, বাউদিয়াডাঙা, কালমান, দাশগুড়ি সহ বিভিন্ন গ্রামে প্রাতঃ ভ্রমণের মাধ্যমে জনসংযোগ করেন। জনসংযোগ শেষে নতুন বছরের শুরুতে বিজেপির খাসতালুক বলে পরিচিত বড় রাংরস গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সংগঠন শক্তিশালী করতে অঞ্চল ভিত্তিক কর্মিসভা করার কথা জানান। পাশাপাশি বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার কথা বলেন।
এদিন তৃণমূলের জেলা সভাপতি গ্রামের সাধারণ মানুষের সমস্যা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন। বলেন, এখানকার গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে, বিধায়কও ওদের দলের। অথচ এলাকার মানুষের কোনও উন্নয়নে বিজেপি’কে দেখা যাচ্ছে না। রাস্তাঘাট, পানীয় জলের সমস্যা তৃণমূল সরকার অতি দ্রুত সমাধানের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
যদিও তৃণমূলের জেলা সভাপতির কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদ্দক বিরাজ বসু বলেন, যতই ওরা কর্মসূচি করুক কোনও লাভ নেই। বিধানসভা, লোকসভা, পঞ্চায়েত কোনও ভোটেই তো ওরা এখানে জিততে পারেনি। আগামী দিনেও তৃণমূল যতই চেষ্টা করুক কোনও লাভ হবে না। মানুষ তৃণমূলের সঙ্গে নেই।
এদিন তৃণমূলের জেলা সভাপতি গ্রামের সাধারণ মানুষের সমস্যা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন। বলেন, এখানকার গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে, বিধায়কও ওদের দলের। অথচ এলাকার মানুষের কোনও উন্নয়নে বিজেপি’কে দেখা যাচ্ছে না। রাস্তাঘাট, পানীয় জলের সমস্যা তৃণমূল সরকার অতি দ্রুত সমাধানের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
যদিও তৃণমূলের জেলা সভাপতির কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদ্দক বিরাজ বসু বলেন, যতই ওরা কর্মসূচি করুক কোনও লাভ নেই। বিধানসভা, লোকসভা, পঞ্চায়েত কোনও ভোটেই তো ওরা এখানে জিততে পারেনি। আগামী দিনেও তৃণমূল যতই চেষ্টা করুক কোনও লাভ হবে না। মানুষ তৃণমূলের সঙ্গে নেই।



