সংবাদদাতা, ইসলামপুর: উত্তর দিনাজপুরে বিজেপির জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে একাংশ নিচুতলার কর্মীদের কোন্দল চলছে। এর প্রভাব পড়ছে সংগঠনের উপর। এর জেরে নিচুতলা থেকে কেউ কেউ পদও ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে জেলা নেতৃত্বের ভূমিকায় নিচুতলার নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ।
Advertisement
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই জেলা নেতৃত্বের মধ্যে কাজিয়া শুরু হয়েছিল। জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে নিচুতলার কর্মীদের একাংশের কাজিয়াও শুরু হয়েছিল। সেই আঁচে এখনও সংগঠন পুড়ছে। গত আগস্ট মাসে ইসলামপুর শহর মণ্ডল কমিটির সভাপতি সঞ্জীব ভাওয়াল পদ থেকে ইস্তফা দেন। সেই থেকে ওই পদটি শূন্য। সভাপতি না থাকায় স্বাভাবিকভাবেই ইসলামপুর শহরে সংগঠনের কাজকর্মে প্রভাব পড়ছে। তবে দলের তরফে শহর কমিটির কাজকর্ম দেখার জন্য একজন কনভেনর নিয়োগ করা হয়েছে।
সঞ্জীববাবু অবশ্য পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কারণ নিয়ে প্রকাশ্যে বলতে চাইছেন না। তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তিগত কারণ, সেই সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না তাই পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। তবে দলে আছি। দলের কর্মসূচিতে থাকছি। সঞ্জীববাবু কারণ খুলে না বললেও দলেরই একাংশের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় খরচের টাকা নিয়ে একাংশ জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মতভেদ হয়। কার্যত বখরা নিয়ে অন্দর মহলে কাজিয়া চলছিল। দলের অন্দরের কাজিয়ার ফলে কিছু কর্মী বসে গিয়েছেন।
বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বাসুদের সরকার বলেন, আমাদের সংগঠনের কাজকর্মে অসুবিধা হচ্ছে না। মণ্ডল সভাপতি পদ ছেড়ে দিলেও সেখানে কনভেনরের মাধ্যমে সংগঠনের কাজকর্ম চলছে।
জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে নিচুতলায় কোন্দল প্রসঙ্গে বাসুদেববাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এমন বিষয় আমার জানা নেই।
রাজনৈতিক মহলের আলোচনা, লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণার সময় থেকেই দলের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। তার রেশ এখনও চলছে। বর্তমানে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলছে। এরপর কেন্দ্র থেকে রাজ্য ও জেলা থেকে মণ্ডল স্তর পর্যন্ত সংগঠনে রদবদল হবে। এই পরিস্থিতিতে সংগঠনে নেতৃত্বের মধ্যে তাল-মিল না থাকায় নিচুতলায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
সঞ্জীববাবু অবশ্য পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কারণ নিয়ে প্রকাশ্যে বলতে চাইছেন না। তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তিগত কারণ, সেই সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না তাই পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। তবে দলে আছি। দলের কর্মসূচিতে থাকছি। সঞ্জীববাবু কারণ খুলে না বললেও দলেরই একাংশের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় খরচের টাকা নিয়ে একাংশ জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মতভেদ হয়। কার্যত বখরা নিয়ে অন্দর মহলে কাজিয়া চলছিল। দলের অন্দরের কাজিয়ার ফলে কিছু কর্মী বসে গিয়েছেন।
বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বাসুদের সরকার বলেন, আমাদের সংগঠনের কাজকর্মে অসুবিধা হচ্ছে না। মণ্ডল সভাপতি পদ ছেড়ে দিলেও সেখানে কনভেনরের মাধ্যমে সংগঠনের কাজকর্ম চলছে।
জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে নিচুতলায় কোন্দল প্রসঙ্গে বাসুদেববাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এমন বিষয় আমার জানা নেই।
রাজনৈতিক মহলের আলোচনা, লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণার সময় থেকেই দলের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। তার রেশ এখনও চলছে। বর্তমানে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলছে। এরপর কেন্দ্র থেকে রাজ্য ও জেলা থেকে মণ্ডল স্তর পর্যন্ত সংগঠনে রদবদল হবে। এই পরিস্থিতিতে সংগঠনে নেতৃত্বের মধ্যে তাল-মিল না থাকায় নিচুতলায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে।



