Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ধারালো অস্ত্রের কোপ, বারুইপুরে দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে খুন বিজেপি কর্মী

ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে বিজেপির এক কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল।

ধারালো অস্ত্রের কোপ, বারুইপুরে দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে খুন বিজেপি কর্মী
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে বিজেপির এক কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে দলের এক পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার রাতে বারুইপুর থানার হাড়দহ পঞ্চায়েতের উত্তর টাঙ্গারবেড়িয়া এলাকায়। মৃতের নাম বাপি প্রামাণিক (৪৫)। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য সুজন মণ্ডলের পরিকল্পনাতেই এই খুন। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এই খুনের ঘটনায় জড়িত। পরিবারের পক্ষ থেকে মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, একটি পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এলাকায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গণ্ডগোল ও মারামারি হয়। কমিটির নিয়ন্ত্রণ কাদের হাতে থাকবে, তা নিয়ে মারামারিতে আহত হয় বাপি সহ কয়েকজন। গুরুতর জখম অবস্থায় বাপিকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার অতীশ বিশ্বাস বলেন, খুনের ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

Advertisement

মৃতের স্ত্রী পুতুল প্রামাণিক বলেন, রাত ১১টার পরে বাদল মণ্ডল নামে বিজেপিরই এক কর্মী ফোন করেন। ওই ফোন পেয়ে বেরিয়ে যান স্বামী। এরপর তিনি কিছুটা এগতেই তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর করে কানা সুনীল, কিংকর, বাপি সহ আরও কয়েকজন। বাপি কোপ মারে মাথায়। মৃতের ছোটো মেয়ে সোনালি প্রামাণিকের দাবি, বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য সুজনের রাগ ছিল বাবার উপর। আমরা সেকথা পুলিশকে জানিয়েছি। এক প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, সুজনকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের সঙ্গে ওইদিন কথা বলতে দেখেছি। তারপরেই এই হামলা। বিজেপি কর্মীর খুনের ঘটনায় দলেরই আরেক নেতার নাম জড়ানোয় অস্বস্তিতে পড়েছে পদ্ম পার্টি নেতৃত্ব। যদিও এই ঘটনার দায় নিতে নারাজ বিজেপি।
এদিন, মৃত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য উত্তম কর বলেন, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই খুন করেছে আমাদের কর্মীকে। পুলিশ দোষীদের খুঁজে বের করুক। পঞ্চায়েত সদস্য সুজনকে অনেক দিন আগেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, পঞ্চানন সেবা সংঘের দুর্গাপুজোর কমিটিতে সুজন তৃণমূল কর্মীদের নিতে চেয়েছিল। এ নিয়ে আপত্তি ছিল বাপি প্রামাণিকের। এক সপ্তাহ আগেও এই নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। রবিবার ফের গোলমাল হয়। বাপিকে পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ