কলকাতা-হাওড়া পুরভোটে তরুণ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেবে বিজেপি, ‘জেন-জি’র অসন্তোষ থেকে শিক্ষা
  • ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে দেশের তরুণ প্রজন্মের একাংশ। যদিও বাম, কংগ্রেস ও ককরোচদের আন্দোলনের মূল অভিমুখ কেন্দ্রের শাসকদল। নরেন্দ্র মোদি সরকারের শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পর জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবির পিছনে বড়সড় চক্রান্ত দেখছে গেরুয়া শিবির। তাই দিল্লির কেন্দ্রীয় পার্টির তরফে ভারতজুড়ে আসন্ন নির্বাচনের জন্য বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা ভোটে সেই ফর্মূ্লায় লড়তে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের সেই বার্তা নিয়ে শুক্রবার সল্টলেকের বিজেপি দপ্তরে পুরসভা ভোটের কৌশল স্থির করতে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসাল। সেই সূত্রে ‘জেন-জি’ কে মূলধন করেই এবার যমজ দুই শহরে পুর ভোটের লড়াইয়ে নামতে চলেছে পদ্ম পার্টি। সাফ কথায়, কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে বাড়তি অগ্রাধিকার পাবে তরুণ প্রজন্ম। সবক্ষেত্রে ‘জেন-জি’র প্রতিনিধি প্রার্থী না হলেও, তাঁদের মতামত টিকিট বণ্টনে বাড়তি গুরুত্ব পাবে। যার মাধ্যমে সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা অল্প বয়সীদের চাঙ্গা করতে চাইছে বিজেপি। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সম্প্রতি যুবমোর্চার সর্বভারতীয় যে কমিটি ঘোষিত হয়েছে, তাতে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসাবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের সৌমেন কার্ফাকে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। যুবমোর্চার সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি হয়েছেন ৩৫ বছর বয়সি সৌমেন। 

Advertisement

এদিন সল্টলেক বিজেপি অফিসে দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসাল সহ দলের একঝাঁক মন্ত্রী-বিধায়ক বৈঠকে হাজির ছিলেন। যাঁরা কলকাতা ও হাওড়া থেকে দলের টিকিটে জয়ী হয়েছেন। পাশপাশি পার্টির তরফে কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই নেতা সুকান্ত মজুমদার ও রাহুল সিনহা পুরসভা ভোটের রণনীতি নির্ধারণের এই আলোচনায় অংশ নেন। জানা গিয়েছে, আজ শনিবারও এই বৈঠক চলবে। প্রার্থী হিসেবে তরুণ প্রজন্মকে বাড়তি অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর ভাবমুর্তি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। অন্যদিকে, শমীক ভট্টাচার্য প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিজেপির টিকিট দেওয়ার জল্পনা কার্যত উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, তৃণমূলের জামা বদলে বিজেপি টিকিট নেওয়ার জন্য মানুষ আমাদের ভোট দেয়নি। বিজেপি একক শক্তিতে দুই পুরসভায় লড়বে।