নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও সংবাদদাতা, বসিরহাট: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিট বিলির ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন হচ্ছে। আগে থেকেই এই চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এমনই একাধিক বিতর্কিত পোস্টার ঘিরে রবিবার সকালে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হিঙ্গলগঞ্জে। যদিও বিজেপির দাবি, এটি তৃণমূলের চক্রান্ত। পাল্টা বিজেপিকে বেঁধেছে তৃণমূল। জানা গিয়েছে, হিঙ্গলগঞ্জের বেশকিছু এলাকায় নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিজেপি। এদিকে, বিজেপির আদি ও নব্য গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব সর্বজনবিদিত। বিভিন্ন সময় বসিরহাটের বিভিন্ন প্রান্তে দ্বন্দ্বের ঘটনা ঘটে। এবার সেই তালিকায় সংযোজন হল হিঙ্গলগঞ্জের নাম। রবিবার সকালে দুলদুলি পঞ্চায়েত এলাকায় বেশ কিছু পোস্টার দেখা যায়। যাতে দলের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্য ও রাজ্য বিজেপি এক নেতার সহকারীর বিরুদ্ধে একাধিক মন্তব্য লেখা। তাতে দাবি করা হয়েছে, আগামী নির্বাচনের জন্য টাকার বিনিময়ে টিকিট দেওয়া হবে। সেই কাজ শুরু হয়েছে বলে পোস্টারে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এদিন সকালে বিভিন্ন বাড়ির দেওয়াল, বিদ্যুতের খুঁটিতে বিজেপি নেতাদের নামে ওই পোস্টার দেখা যায়। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা তা সেঁটেছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে এটা যে বিজেপির কর্মীরাই সেঁটেছেন, এ বিষয়ে নিশ্চিত স্থানীয়রা। যদিও এক্ষেত্রে তৃণমূলকেই দায়ী করেছেন বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্য। তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এটা তৃণমূলের চক্রান্ত। পাল্টা তৃণমূলের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বুরহানুল মোকাদ্দিম (লিটন) বলেন, এসব বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তৃণমূলের এমন হাল হয়নি যে, বিজেপির নামে এই ধরনের পোস্টার দিতে যাবে। আসলে নিজেদের দ্বন্দ্ব মেটাতেই বিজেপির লেজেগোবরে অবস্থা। এরা মানুষের কথা ভাবে



