নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: খানাকুলে বিজেপির এক পঞ্চায়েত সদস্যার শ্লীলতাহানির অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। রবিবার রাতে ওই সদস্যা দোকান যাচ্ছিলেন। সেই সময়ই তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ওই রাতেই খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের নেতৃত্বে থানায় বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিধায়ক তাঁর অনুগামীদের নিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে থানার সামনে স্লোগান দেন। পুলিস জানিয়েছে, নির্যাতিতা খানাকুল-২ ব্লকের একটি পঞ্চায়েতের সদস্যা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ভোরে অভিযান চালিয়ে সদস্যার বাড়ির জ্ঞাতি অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি। তাদের বক্তব্য, একটি রাস্তাকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষাও করানো হয়েছে। ধৃতদের এদিন আরামবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
পঞ্চায়েত সদস্যার দাবি, অভিযুক্তরা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, রবিবার বাড়ির কাছেই অন্য পাড়ায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মিটিং ছিল। তা শেষে বাড়ি ফিরি। তারপর ফের দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস আনতে গিয়েছিলাম। অভিযুক্তরা রাস্তার ধারে বসেছিল। আমাকে একা পেয়ে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে নির্যাতন করে। চিৎকার করলে তারা সেখান থেকে সরে যায়। তারপর ঘটনার কথা আমাদের বিধায়ককে জানাই। পরে খানাকুল থানায় অভিযোগ জানানো হয়। তিনি আরও বলেন, গ্রামের একটি রাস্তা মেরামতি নিয়ে অভিযুক্তরা এর আগে পঞ্চায়েতে গিয়ে আমাকে হুমকি দিয়েছিল। তারপর ওই রাতে শ্লীলতাহানি করে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
অভিযুক্তদের পরিবার অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অভিযুক্তের পরিবারের এক সদস্য বলেন, অভিযোগকারী আমাদেরই জ্ঞাতি। একটা রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা চলছে। তাই রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলায় সকলকে ফাঁসানো হয়েছে। নারীদের সুরক্ষার জন্য আইনকে হাতিয়ার করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানো হচ্ছে। এলাকার মানুষ প্রকৃত সত্যিটা জানে। আমরা আইনি পথেই এর মোকাবিলা করব।
খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক বলেন, দিকে দিকে মহিলাদের উপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। ওইদিন সন্ধ্যায় আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যাকে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা তৃণমূলের। তাই তৃণমূলই অভিযুক্তদের মদত দিচ্ছে। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। তারসঙ্গে এলাকায় এই ধরনের ঘটনা রুখতে পুলিস প্রশাসনের আরও নজরদারিও প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দা তথা আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার যুব তৃণমূলের সহ সভাপতি শেখ মোতিহার হোসেন বলেন, অভিযুক্তদের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। তাছাড়া এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতিরও কোনও যোগ নেই। পারিবারিক ও সম্পত্তিগত দ্বন্দ্বকে রাজনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি। এলাকার মানুষ বুঝতে পারছে কাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছে। বিজেপি নেতৃত্ব নির্লজ্জভাবে রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগাচ্ছে। গোটা রাজ্যে বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। প্রতিটি নির্বাচনেই সেটা স্পষ্ট হচ্ছে। খানাকুলেও বিধায়কের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে। তাই দিশেহারা হয়ে পরিকল্পনা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছেন। আমরা তার নিন্দা করছি।
পঞ্চায়েত সদস্যার দাবি, অভিযুক্তরা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, রবিবার বাড়ির কাছেই অন্য পাড়ায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মিটিং ছিল। তা শেষে বাড়ি ফিরি। তারপর ফের দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস আনতে গিয়েছিলাম। অভিযুক্তরা রাস্তার ধারে বসেছিল। আমাকে একা পেয়ে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে নির্যাতন করে। চিৎকার করলে তারা সেখান থেকে সরে যায়। তারপর ঘটনার কথা আমাদের বিধায়ককে জানাই। পরে খানাকুল থানায় অভিযোগ জানানো হয়। তিনি আরও বলেন, গ্রামের একটি রাস্তা মেরামতি নিয়ে অভিযুক্তরা এর আগে পঞ্চায়েতে গিয়ে আমাকে হুমকি দিয়েছিল। তারপর ওই রাতে শ্লীলতাহানি করে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
অভিযুক্তদের পরিবার অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অভিযুক্তের পরিবারের এক সদস্য বলেন, অভিযোগকারী আমাদেরই জ্ঞাতি। একটা রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা চলছে। তাই রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলায় সকলকে ফাঁসানো হয়েছে। নারীদের সুরক্ষার জন্য আইনকে হাতিয়ার করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানো হচ্ছে। এলাকার মানুষ প্রকৃত সত্যিটা জানে। আমরা আইনি পথেই এর মোকাবিলা করব।
খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক বলেন, দিকে দিকে মহিলাদের উপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। ওইদিন সন্ধ্যায় আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যাকে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা তৃণমূলের। তাই তৃণমূলই অভিযুক্তদের মদত দিচ্ছে। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। তারসঙ্গে এলাকায় এই ধরনের ঘটনা রুখতে পুলিস প্রশাসনের আরও নজরদারিও প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দা তথা আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার যুব তৃণমূলের সহ সভাপতি শেখ মোতিহার হোসেন বলেন, অভিযুক্তদের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। তাছাড়া এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতিরও কোনও যোগ নেই। পারিবারিক ও সম্পত্তিগত দ্বন্দ্বকে রাজনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি। এলাকার মানুষ বুঝতে পারছে কাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছে। বিজেপি নেতৃত্ব নির্লজ্জভাবে রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগাচ্ছে। গোটা রাজ্যে বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। প্রতিটি নির্বাচনেই সেটা স্পষ্ট হচ্ছে। খানাকুলেও বিধায়কের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে। তাই দিশেহারা হয়ে পরিকল্পনা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছেন। আমরা তার নিন্দা করছি।



