Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বান্দোয়ানে প্রার্থী হওয়া নিয়ে বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল চরমে

বান্দোয়ান বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হওয়া নিয়ে কোন্দল চরমে। গতবারের প্রার্থী থেকে শুরু করে দলের একাধিক নেতা ওই কেন্দ্র নিয়ে আগ্রহী।

বান্দোয়ানে প্রার্থী হওয়া নিয়ে বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল চরমে
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: বান্দোয়ান বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হওয়া নিয়ে কোন্দল চরমে। গতবারের প্রার্থী থেকে শুরু করে দলের একাধিক নেতা ওই কেন্দ্র নিয়ে আগ্রহী। মুখে একসঙ্গে লড়াইয়ের কথা বললেও নিজেদের মধ্যে কোন্দল না মেটালে তৃণমূল প্রার্থীকে বেগ দেওয়া কঠিন হবে বলে মানছেন বিজেপি নেতারা।

Advertisement

বান্দোয়ান বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পরপর দু’ বার জয়ী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজীব লোচন সোরেন। তিনি পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের সভাপতিও। বান্দোয়ানে পুনরায় রাজীববাবুর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে জেলা পরিষদের এক সদস্যের নাম নিয়েও জল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলকে বেকাদায় ফেলতে বিজেপিও কোমর বেঁধেছে। যদিও প্রার্থী হওয়া নিয়ে দলীয় কোন্দল শুরু রয়েছে। গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে, বান্দোয়ান বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির গতবারের প্রার্থী পারসি মুর্মু এবারও প্রার্থী হতে আগ্রহী। দলের আর এক প্রাক্তন প্রার্থী লবসেন বাস্কেও আগ্রহী। প্রার্থী হওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন দলের এসটি মোর্চার রাজ্য নেতা নিবারণ মান্ডি, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ মুর্মু, প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি সমীর মান্ডি। এছাড়াও প্রার্থী হতে সচেষ্ট দলের আর এক নেতা কমলাকান্ত মান্ডি। বান্দোয়ান বিধানসভায় প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে কমলাকান্ত মান্ডি বলেন, প্রার্থী হওয়ার আশা সবার থাকতেই পারে। এতে অন্যায়ের কিছু নেই। তিনি আরও বলেন, নিজেও প্রার্থী হতে চাইছি। তবে সবটাই নির্ভর করছে দলের ওপর। দল যাঁকে প্রার্থী করবে তাঁকেই সবাই মেনে নেবে। তিনি আরও বলেন, বান্দোয়ান বিধানসভায় দল পিছিয়ে থাকলেও এবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে। তবে সবাইকে একজোট হয়ে মাঠে নেমে লড়াই করতে হবে। 
এ বিষয়ে বিজেপির প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি বোরো এলাকার বাসিন্দা কৃত্তিবাস মাহাত বলেন, অনেকেই প্রার্থী হতে চাইছেন একথা ঠিকই। কিন্তু একই সগে এও ঠিক যে, বান্দোয়ানে বিজেপির ভালো সম্ভাবনা আছে, তাই সবাই প্রার্থী হতে চাইছেন। প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা সবাই করতেই পারেন, কে কাকে বারণ করবে। কৃত্তিবাসবাবু আরও বলেন, এসআইআরের পর ফাইনাল ভোটার লিস্ট বেরলেই অনেক বিষয় পরিষ্কার হয়ে যাবে। খেলা ঘুরে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ নিজেদের ভবিষ্যতের কথা ভাববে, নাকি ভাতার পেছনে ছুটবে, সেটা সাধারণ মানুষই ঠিক করবে। এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বান্দোয়ান ব্লকের সভাপতি জগদীশ মাহাত বলেন, বিজেপির প্রার্থীর নাম নিয়ে তৃণমূলের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। কারণ তৃণমূলের সব আসনেই প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জোড়া ফুল প্রতীক এবং দিদিকে সামনে রেখেই সব আসনে লড়াই হবে। তিনি আরও বলেন, বিজেপি বান্দোয়ানে লড়াই করার মতো যোগ্য প্রার্থী আগে ঠিক করুক। বাইরে থেকে যেন প্রার্থী খুঁজে আনতে না হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ