


নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ভারতমাতা সহ বিজেপির নেতা-মন্ত্রীদের ছবি রাখার দাবিকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল মগরায়। যদিও বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই ধরনের ঘটনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বারাবার। কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। ঘটনায় মগরা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদের সভাধিপতির কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রশাসনের পরামর্শও চেয়েছে মগরা-১ পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ।
পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি বিজেপির একদল নেতা-কর্মী মগরা-১ পঞ্চায়েতে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁরা পঞ্চায়েতের নতুন প্রকল্প চালু করার আগে স্থানীয় বিজেপি নেতাদের জানাতে হবে বলে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, দ্রুত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করে দিতেও নির্দেশ দেন। দু’টি ক্ষেত্রেই পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ তাঁদের জানায়, গোটা বিষয়টি রাজ্য সরকারের হাতে। সেখানে বিজেপি সরকার আছে। ফলে, রাজ্য কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা বিজেপি নেতৃত্ব জানতে পারবেন। কিন্তু তাতে পদ্মকর্মীরা খুশি হয়নি। সেই সময় তাঁরা পঞ্চায়েতে একাধিক ছবি জোর করে বসিয়ে দেওয়ার চেষ্ট করেন। তা নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়।
মগরা-১ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা রঘুনাথ ভৌমিক বলেন, গোটা বিষয়টি পঞ্চায়েতে আলোচনা করে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে যেমন নির্দেশিকা দেবে, তেমনভাবে পঞ্চায়েত চলবে। বিজেপির হুগলি জেলার সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন, ঠিক কি হয়েছে দলীয়স্তরে খোঁজ নেব। তারপরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করব। হুগলি জেলা পরিষদের সভাধিপতি রঞ্জন ধাড়া বলেন, পঞ্চায়েত হচ্ছে রাজ্য সরকারের নীতি রূপায়ণকারী সংস্থা। বিজেপি নেতারা যে কোনো দাবি রাজ্য সরকারের কাছে পেশ করলেই তো পারেন। পঞ্চায়েতকে কেন তাঁরা টার্গেট করছেন, বুঝতে পারছি না।