Bartaman Logo
৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মহেশতলায় বিজেপির দ্বন্দ্ব চরমে, ২ গোষ্ঠীর হাতাহাতি

মহেশতলায় বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল তুঙ্গে উঠেছে। আজ তা শুধু বাকবিতণ্ডায় সীমাবদ্ধ নেই, দুই গোষ্ঠীর লোকজন হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়ছে

মহেশতলায় বিজেপির দ্বন্দ্ব চরমে, ২ গোষ্ঠীর হাতাহাতি
  • ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলায় বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল তুঙ্গে উঠেছে। আজ তা শুধু বাকবিতণ্ডায় সীমাবদ্ধ নেই, দুই গোষ্ঠীর লোকজন হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কখনও কখনও পুলিশকেও হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে।সম্প্রতি মহেশতলায়, আরও স্পষ্ট করে বললে বাটানগরে রিভারসাইড প্রকল্পের ফাঁকা জমিতে বিজেপির ঝান্ডা লাগিয়ে দোকান বসানোর উদ্যোগ নিয়েছিল দলীয় নেতা পিন্টু দাসের অনুগামীরা। তাঁর এই উদ্যোগের প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি বাধা দিয়েছিলেন বিজেপিরই ডায়মন্ডহারবার সাংগঠনিক জেলার কোষাধ্যক্ষ দুর্লভ দাস। তাঁর কথায়, এভাবে জমি দখল করা যাবে না। এতে দলেরই বদনাম হবে। অভিযোগ, দুর্লভবাবুর বাধা দেওয়ায় পিন্টু দাস ও তাঁর অনুগামীরা তাঁকে চড় ও থাপ্পড় মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। এই খবর রটতেই দুর্লভবাবুর অনুগামীরা ঘটনাস্থলে হাজির হলে দু’পক্ষ মারমুখী হয়ে ওঠে। উভয়পক্ষই জড়িয়ে পড়ে হাতাহাতিতে। খবর পেয়ে ছুটে আসে মহেশতলা থানার পুলিশ।

Advertisement

জানা গিয়েছে, দুর্লভবাবু বিজেপির ডায়মন্ডহারবার সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সোমা ঘোষের ঘনিষ্ঠ। তাঁর আক্রান্ত হওয়ার খবর সোমা ঘোষের কানে গেলে তিনি তৎক্ষণাৎ পুলিশকে ফোন করে কড়া পদক্ষেপ নিতে বলেন। অভিযোগ, পিন্টু দাসের নেতৃত্বে যাঁরা হামলা চালিয়েছেন, তাঁরা গত বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেছেন। পুলিশ পিন্টু দাসকে আটক করে মহেশতলা থানায় নিয়ে যায়। যদিও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।এদিকে, পিন্টু যখন থানায় আটক ছিলেন, তখন তাঁর মুক্তির দাবিতে থানার সামনে অবস্থান করে বিজেপির যুব মোর্চার লোকজন। আবার দুর্লভ দাসের অনুগামীরাও থানার সামনে জড়ো হয়ে পিন্টুকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। এ নিয়ে দীর্ঘক্ষণ টানাপোড়েন চলে। শেষমেশ পুলিশ পিন্টুকে ছেড়ে দেয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ