ভোটযন্ত্রে কারচুপি: মমতার আশঙ্কাকে সমর্থন বিজেডির
  • ৩ মে, ২০২৬ ০৯:০৫
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি:  বাংলায় ভোট শেষ হয়েছে ২৯ এপ্রিল। তার আগে কেরল ও অসমের ভোট ৯ এপ্রিলই সমাপ্ত। ৪ মে পর্যন্ত ফলাফল আটকে রাখার কারণ কী? অসমের কংগ্রেস, বাংলার তূণমূল, তামিলনাড়ুর ডিএমকে, টিভিকে সকলের এক প্রশ্ন। অযথা ‌স্ট্রং রুমে চারদিন ধরে রেখে দিয়ে পাঁচ রাজ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির সুযোগ করে দেওয়া হল কেন? এই সিদ্ধান্তের পিছনে রহস্য কী? অনায়াসে ২ তারিখ করা যেত ফলপ্রকাশ। পুনর্নিবাচনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে দেরিতে। সুপারস্টার বিজয়ের দল টিভিকে সরাসরি চিঠি লিখেছে নির্বাচন কমিশনকে। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা, সিসিটিভি টিভি না থাকা এবং এতদিন ধরে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তায় শৈথিল্য ইত্যাদি নিয়ে চিঠিতে অভিযোগ তোলা হয়েছে। অন্যদিকে একইভাবে কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূলও কমিশনের এই বিস্ময়কর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। যে রাজ্যে ভোট নেই, সেই ওড়িশার বিজু জনতা দল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংশয়, আশঙ্কাকেই সমর্থন করেছে। শনিবার বিজু জনতা দল নেতা রঞ্জিতা সাহু বলেছেন, ইভিএম বিকৃত করে কারচুপির যে আশঙ্কা ও সন্দেহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন, সেটির সম্পূর্ণ যুক্তিগ্রাহ্য কারণ আছে। আজ থেকে নয়। ইভিএম নিয়ে সন্দেহ আছেই। কারণ ভারতের ইতিহাসে এরকম সময় আজ পর্যন্ত আসেনি যে, সাধারণ মানুষ নির্বাচন কমিশনকে বিশ্বাসই করে না আর। জ্ঞানেশকুমারকে যেমন বিশ্বাস নেই, ইভিএমের উপরও পূর্ণ বিশ্বাস নেই। যেখানে অতীতে একের পর এক নির্বানে অবিশ্বাস্য ফলাফল হয়েছে, সেগুলি এই সন্দেহকে আরও প্রতিষ্ঠিত করেছে। সুতরাং এই নিয়ে সব দল এবং সাধারণ মানুষকে সরব হতে হবে এবার। এভাবে চলতে পারে না। 

Advertisement