Bartaman Logo
২২ জুন, ২০২৬

যন্তরমন্তরে দ্বিতীয় দিনে পড়ল ককরোচ-বিক্ষোভ

দিল্লির যন্তরমন্তরে ককরোচ জনতার বিক্ষোভ চলছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত। বিস্তারিত পড়ুন।

যন্তরমন্তরে দ্বিতীয় দিনে পড়ল ককরোচ-বিক্ষোভ
  • ২২ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: থালা বাজানোর শব্দে রবিবারও মুখরিত থাকল দিল্লির যন্তরমন্তর চত্বর। বিক্ষোভের সময়সীমা পার হয়েছিল আগেই। তবে থামানো যায়নি ককরোচ জনতা পার্টিকে (সিজেপি)। নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে শনিবার যন্তরমন্তর চত্বরে জড়ো হন হাজার সিজেপি সমর্থক। রবিবার সিজেপির পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হয়েছে, ‘থালা হাতে যন্তরমন্তরের সামনে হাজির থাকবেন আরশোলারা। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান যতদিন না ইস্তফা দিচ্ছেন, ততদিন এই বিক্ষোভ চলবে। আমরা একচুলও নড়ব না।’ 

Advertisement

প্রশ্ন ফাঁসের জেরে আগেই বাতিল হয়েছিল নিট পরীক্ষা। রবিবার নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হয়। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে পরীক্ষা ফেরতা নিট পরীক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভে শামিল হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এই আন্দোলন করছি। তবে আপনাদের সমর্থন ছাড়া এই আন্দোলন সফল হবে না।’ এদিন তিনি কৃষকদের বিক্ষোভে যোগ দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার বিকাল পাঁচটাতেই যন্তরমন্তরে সিজেপির বিক্ষোভের সময়সীমা শেষ হয়েছে। এরপর দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জায়গা খালি করে দিতে বলা হয়। দীপকের পক্ষ থেকে বিক্ষোভের জন্য বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করতে পুলিশকে অনুরোধ করা হয়। বিকল্প জায়গা না পাওয়া পর্যন্ত যন্তরমন্তর চত্বরেই বিক্ষোভ চলবে বলে জানানো হয়। এক্স হ্যান্ডলে দীপকে অভিযোগ করেছেন, শনিবার রাত থেকে বিক্ষোভস্থলের শৌচাগারের জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনেকের আবার অভিযোগ, রাত থেকে আলোও বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। দীপকে বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে অনেকেই আত্মহত্যা করেছেন। তাঁদের সমর্থনেই এই বিক্ষোভ। পুলিশের কাছে তাঁর আরজি, কেউ যদি বিক্ষোভস্থলে আসতে চান, তাঁকে যেন আটকানো না হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ