সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: পুরনো সাঁকো দিয়ে বর্ষার জল বেরিয়ে যেতে পারে না। তাই বেশকিছু চাষের জমিতে এখনও বর্ষার জল জমে আছে। ফলে চাষ করতে সমস্যায় পড়েছেন নবদ্বীপের মহিশুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশকিছু চাষি। তাঁদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদের কাছে নতুন কালভার্টের দাবি জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। যদিও শীঘ্রই কালভার্ট তৈরি করা হবে বলে আশ্বাস প্রশাসনের।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিশুরা পঞ্চায়েতের উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, গদখালি, মাঝেরপাড়া এবং চৌধুরীপাড়ায় ভাগীরথীর জল বাড়লে বসতবাড়ি এবং জমিগুলি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। ঘরে জল ঢুকে যায়। এখানে জল যাওয়ার জন্য কিছু পুরনো সাঁকো রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায় ২৫বছরের পুরনো সাঁকোগুলির অধিকাংশই বুজে গিয়েছে। ফলে ওই সাঁকো দিয়ে আর জল যাচ্ছে না। পাশাপাশি মাঝের চড়া ও গদখালি অঞ্চলের প্রায় ৫০০ পরিবারকে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বর্ষার সময় জলের চাপে রাস্তাও ভেঙে যায়।
মহিশুরা দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা মাহিবুল আলি শেখ বলেন, এই এলাকার প্রায় ২০০ জমির ফসল জলে ডুবে যায়। অথচ এখানকার জমিগুলিতেই ভালো চাষ হতো। এই সমস্যার একটাই সমাধান, জল বের হওয়ার জন্য কালভার্ট তৈরি করতে হবে। মহিশুরা চৌমাথা থেকে মাঝের চড়া যাওয়ার যে রাস্তা আছে সেই রাস্তার নীচেই রয়েছে সাঁকো। সেখান দিয়ে জল বের না হওয়ার কারণেই সমস্যা হচ্ছে। আসরাফ শেখ বলেন, বর্ষার সময় ভাগীরথীতে জল বাড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা চাষের জমিতে জুন থেকে প্রায় পাঁচ ছ’মাস জল জমে থাকে। বিষয়টি বারবার পঞ্চায়েতকে জানিয়েছি। এই এলাকার মানুষ কৃষিকাজের উপরে নির্ভরশীল। এখনও প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে জল জমে আছে। ফলে অনেকেই জমিতে চাষ করতে পারছেন না। আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে পড়েছেন চাষিরা। অনেকেই চাষ ছেড়ে দিয়ে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
জেলা পরিষদের সদস্যা আরজুবানু খাতুন বলেন, কালভার্টটি হলে বর্ষা এবং বন্যার জল দ্রুত বেরিয়ে যাবে। বর্ষার সময় কয়েকটি বুথ জলমগ্ন হয়ে যায়। ২০২৪-’২৫ আর্থিক বর্ষে জেলা পরিষদে নতুন কালভার্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই কালভার্ট তৈরির কাজ শুরু হবে।
মহিশুরা দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা মাহিবুল আলি শেখ বলেন, এই এলাকার প্রায় ২০০ জমির ফসল জলে ডুবে যায়। অথচ এখানকার জমিগুলিতেই ভালো চাষ হতো। এই সমস্যার একটাই সমাধান, জল বের হওয়ার জন্য কালভার্ট তৈরি করতে হবে। মহিশুরা চৌমাথা থেকে মাঝের চড়া যাওয়ার যে রাস্তা আছে সেই রাস্তার নীচেই রয়েছে সাঁকো। সেখান দিয়ে জল বের না হওয়ার কারণেই সমস্যা হচ্ছে। আসরাফ শেখ বলেন, বর্ষার সময় ভাগীরথীতে জল বাড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা চাষের জমিতে জুন থেকে প্রায় পাঁচ ছ’মাস জল জমে থাকে। বিষয়টি বারবার পঞ্চায়েতকে জানিয়েছি। এই এলাকার মানুষ কৃষিকাজের উপরে নির্ভরশীল। এখনও প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে জল জমে আছে। ফলে অনেকেই জমিতে চাষ করতে পারছেন না। আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে পড়েছেন চাষিরা। অনেকেই চাষ ছেড়ে দিয়ে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
জেলা পরিষদের সদস্যা আরজুবানু খাতুন বলেন, কালভার্টটি হলে বর্ষা এবং বন্যার জল দ্রুত বেরিয়ে যাবে। বর্ষার সময় কয়েকটি বুথ জলমগ্ন হয়ে যায়। ২০২৪-’২৫ আর্থিক বর্ষে জেলা পরিষদে নতুন কালভার্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই কালভার্ট তৈরির কাজ শুরু হবে।



