Bartaman Logo
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অবশেষে স্থায়ী অধ্যাপক পেতে চলেছে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী অধ্যাপক পাচ্ছে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি বিভাগে পড়ুয়া প্রায় সাতশো

অবশেষে স্থায়ী অধ্যাপক পেতে চলেছে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়
  • ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর : স্থায়ী অধ্যাপক পাচ্ছে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি বিভাগে পড়ুয়া প্রায় সাতশো। অথচ এখানে কোনো স্থায়ী অধ্যাপক নেই! এতদিন গেস্ট ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টির ভরসাতেই চলেছে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস। এবার রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে স্থায়ী অধ্যাপক নিয়োগের পথে বড়ো পদক্ষেপ নিতে চলেছে উচ্চ শিক্ষা দপ্তর। প্রায় ২৫০ অধ্যাপক নিয়োগের প্রস্তাবে অর্থ দপ্তরের অনুমোদন মিলেছে। পুজোর ছুটির মধ্যে অথবা তার পরেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর। উপাচার্য অধ্যাপক আবু তালেব খান বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী অধ্যাপক নেই। আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আশা করছি খুব দ্রুতই অধ্যাপক নিয়োগ  করা হবে এখানে। অধ্যাপক নিয়োগের প্রস্তাব অবশ্য নতুন নয়। নতুন উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক আবু তালেব খান দায়িত্ব নেওয়ার পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষে রাজ্য সরকারের কাছে শিক্ষক, আধিকারিক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের বিস্তারিত প্রস্তাব পাঠান। শিক্ষা দপ্তর তা পাঠায় অর্থ দপ্তরে। এরপর নির্বাচনী আচরণবিধি জারি হওয়ায় সেই প্রক্রিয়ায় ছেদ পড়ে। নতুন সরকার গঠনের পর ফের নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সদর্থক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এখন ১৯টি বিভাগে পড়াশোনা করছেন প্রায় ৭০০ পড়ুয়া। চলতি শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তর স্তরে নতুন করে ভরতি হয়েছেন প্রায় ২০০ জন। তাঁদের ক্লাস চলছে প্রায় ৫৫ জন গেস্ট ফ্যাকাল্টির ভরসায়। জেলার বিভিন্ন কলেজের কয়েক জন অধ্যাপকও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি হিসেবে ক্লাস নেন। কোনো স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় ক্লাস পিছু সাম্মানিক দিয়েই চলছে পঠনপাঠন। শুধু অধ্যাপক নয়, প্রশাসনেরও একই হাল। উপাচার্য ও ল-অফিসার ছাড়া এখানে কোনো স্থায়ী আধিকারিক নেই। নেই স্থায়ী অশিক্ষক কর্মীও। প্রশাসনের বিভিন্ন কাজ সামলাচ্ছেন প্রায় ১২ জন কর্মী। তার উপর সরকারি নির্দেশে ৬০ বছরের বেশি বয়সি পুনর্নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে।  এদিকে বিধানসভায় সদ্য পাশ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের প্রশাসন সংক্রান্ত সংশোধনী বিল। নতুন ব্যবস্থায় প্রয়োজন অনুযায়ী এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বদলির সুযোগ তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষকের ঘাটতি থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা কাজে লাগতে পারে বলে মনে করছে শিক্ষা মহল। তবে বিশ্ববাংলার ক্ষেত্রে স্থায়ী নিয়োগই এখন মূল লক্ষ্য। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ