Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

বার্মিংহামের ডাবল সেঞ্চুরি চিরকাল মনে থাকবে: গিল

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট হেরেও দারুণভাবে লড়াইয়ে ফিরেছিল ভারত। শুভমান গিলের দাপুটে ব্যাটিংয়ে বার্মিংহামে সিরিজ হয়েছিল ১-১। ভারত অধিনায়ক প্রথম ইনিংসে হাঁকিয়েছিলেন ২৬৯ রানের ঝকঝকে ইনিংস।

বার্মিংহামের ডাবল সেঞ্চুরি চিরকাল মনে থাকবে: গিল
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:০৮
Prefer us on Google

দুবাই: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট হেরেও দারুণভাবে লড়াইয়ে ফিরেছিল ভারত। শুভমান গিলের দাপুটে ব্যাটিংয়ে বার্মিংহামে সিরিজ হয়েছিল ১-১। ভারত অধিনায়ক প্রথম ইনিংসে হাঁকিয়েছিলেন ২৬৯ রানের ঝকঝকে ইনিংস। তারপর দ্বিতীয় ইনিংসেও ঝলসে উঠেছিল তাঁর ব্যাট। ১৬১ রানে থেমেছিলেন পাঞ্জাব কা পুত্তর। ওই ম্যাচে তাঁর মোট রান ছিল ৪৩০, যা এক টেস্টে সর্বাধিক রানের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শুধু তাই নয়, ৭৫৪ রান করে সিরিজের সেরাও হয়েছেন শুভমান। তার মধ্যে আবার জুলাই মাসেই তিনি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে করেন ৫৬৭ রান। সেই সুবাদে আইসিসি’র ‘প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’ পুরস্কার পেলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। তিনিই প্রথম ক্রিকেটার যিনি এই পুরস্কার চারবার পেলেন। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারি, সেপ্টেম্বর এবং ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারিতেও ‘প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’ হয়েছিলেন গিল।

Advertisement

আইসিসি’র পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত টেস্ট ফরম্যাটে ভারতের ক্যাপ্টেন। তিনি বলেছেন, ‘এই সম্মান বিশেষ আনন্দ দিচ্ছে। প্রথমবার ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছিল আমার সামনে। সব কিছু সামলে সেরাটা মেলে ধরার চেষ্টা করেছি। বার্মিংহামের ডাবল-সেঞ্চুরি আমার ক্রিকেট জীবনের এক সেরা অধ্যায়, যা কখনওই ভোলার নয়।’
সিরিজের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি টিম ইন্ডিয়ার। হেডিংলেতে ইংল্যান্ড জিতেছিল ৫ উইকেটে। তবে দ্বিতীয় টেস্টে দারুণভাবে লড়াইয়ে ফেরে ভারত। কিন্তু তৃতীয় টেস্টে ফের ইংল্যান্ড লিড পায় ২-১ ব্যবধানে। চতুর্থ টেস্ট ড্র হয়। ফলে ওভাল টেস্ট হয়ে উঠেছিল সিরিজের নির্ণায়ক ম্যাচ। ভারতের কাছে মরণ-বাঁচন ল‌ড়াই। তবে গিলের নেতৃত্বে টিম ইন্ডিয়া চাপে পড়লেই প্রত্যাঘাত হেনেছে। ওভালে ভারতের ঐতিহাসিক জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন সিরাজ। তবে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররাও ঘরের মাঠে সিরিজ জেতার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছিলেন। হ্যারি ব্রুক, জো রুট, বেন স্টোকসরা কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছিলেন ভারতকে। তাই তুল্যমূল্য লড়াইয়ে সিরিজ হয়ে উঠেছিল উপভোগ্য। এই প্রসঙ্গে গিল জানিয়েছেন, ‘দুই দলেরই বেশ কিছু পারফরম্যান্স চোখধাঁধানো এবং তারিফযোগ্য। ক্রিকেটপ্রেমীরা এই সিরিজ বহুদিন মনে রাখবেন। পুরস্কারের জন্য আইসিসি’র জুরিকে ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা জানাই সতীর্থদের। আমাদের দায়িত্ব বেড়ে গিয়েছে। আগামী দিনেও একইভাবে আমরা প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করব।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ