Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কৃষি পরিকাঠামো উন্নয়নের অনুমোদনে রাজ্যে প্রথম বীরভূম

কৃষি পরিকাঠামো উন্নয়নের অনুমোদনে রাজ্যে প্রথম বীরভূম
  • ১৪ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, সিউড়ি: কৃষি পরিকাঠামো উন্নয়নে অনুমোদনের নিরিখে রাজ্যে প্রথম স্থান অধিকার করল বীরভূম জেলা কৃষিদপ্তর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব বর্ধমান জেলা। এই প্রকল্পে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে ২৭৪ শতাংশ অনুমোদন দিয়েছে বীরভূম জেলা কৃষিদপ্তর। কৃষিদপ্তরের এই সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলাশাসক বিধান রায়। 

Advertisement

কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত অর্থবর্ষে বীরভূমের কৃষি পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে এই জেলার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯১। সেই জায়গায় লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ২৪৯টি। অর্থাৎ রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন এই জেলার চাষিরা। কৃষি আধিকারিকদের মতে রাজ্যের প্রতিটি জেলার মতো এই জেলাতেও কৃষি পরিকাঠামো উন্নয়নের দিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া  হয়েছে। এর জন্য বিশেষভাবে কৃষি পরিকাঠামো তহবিল তৈরি করেছে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে চাষিদের বিভিন্ন কৃষি সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে সরকারি সুবিধা দেওয়া হয়। এর জন্য ব্যাঙ্ক ঋণের মাধ্যমে কৃষকরা বিভিন্ন কৃষি সরঞ্জাম কিনেছেন এবং তাতে ব্যাঙ্ক ঋণেরসুদে তিন শতাংশ ছাড় পেয়েছেন তাঁরা। অর্থাৎ একটি প্রকল্পের ক্ষেত্রে মোট ব্যয়ের ১০ শতাংশ থাকতে হয় চাষিদের নিজস্ব পুঁজি, বাকি ৯০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে সাইলো, কৃষি পণ্যের জন্য পরিবহণ যানবহন, প্যাকেজিং ইউনিট, গুদামঘর, মিনি কোল্ড স্টোরেজ, তেল মিল, আটা মিল, কাজুবাদাম প্রসেসিং ইউনিট, কৃষি ড্রোন, হার্ভেস্টার ইত্যাদি নানান কৃষি সরঞ্জাম এবং কৃষি পরিকাঠামের জন্য ঋণের সুবিধা দেওয়া হয়। রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে উৎসাহ দেখাচ্ছেন বীরভূম জেলার কৃষকরা। চাষের ক্ষেত্রে নিজেদের উদ্যোগে অত্যাধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ক্ষেত্রে এগিয়ে আসছেন তাঁরা। তাছাড়াও বিভিন্ন ফসল মজুত রাখা অথবা সেগুলি বাজারজাত করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবহন ব্যবস্থা রাখার ক্ষেত্রে দারুণভাবে উপকৃত হচ্ছে চাষিরা। এই প্রকল্প শুরু হওয়ার পর চাষিদের আগ্রহ অনুযায়ী তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, উন্নত কৃষি পরিকাঠামো ব্যবস্থা নিয়ে তাদের সচেতন করা থেকে শুরু করে কৃষি সরঞ্জাম কৃষকদের হাত অবধি পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে জেলা কৃষিদপ্তর। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ