নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: আসানসোল শিল্পাঞ্চলে একাধিক ডাকাতির ঘটনায় চোরাই বাইক ব্যবহার করার ব্যাপারটি আগেই সামনে এসেছিল। কোথা থেকে দুষ্কৃতীরা এইসব চোরাই বাইক সংগ্রহ করত তা পুলিস জানতে পারল একটি বাইক চুরির তদন্ত করতে গিয়ে। গত ৭ জানুয়ারি আসানসোল দক্ষিণ থানার বাসিন্দা কল্যাণ দাঁর বাইক চুরি হয়েছিল। হীরাপুর থানার অন্তর্গত লোকনাথ মন্দিরের কাছাকাছি একটি জায়গা থেকে সেটি চুরি হয়। ১৬ জানুয়ারি লোকনাথবাবু থানায় অভিযোগ জানালে পুলিস তদন্ত শুরু করে। সামনে আসে শুভ্রশীল ঘোষ ওরফে অমিতের নাম। বাইক চুরির অভিযোগে আসানসোল উত্তর থানার পুলিসের হাতে ধরা পড়ে অমিত বর্তমানে আসানসোল সংশোধনাগারে বন্দি। হীরাপুর থানার পুলিস জেলে গিয়েই তাকে জেরা করে। জেরায় পুলিস নিশ্চিত হয় যে কল্যাণবাবুর বাইক চুরিও অমিতেরই কাজ। এরপরই আসানসোল আদালতে আবেদন করে অমিতকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে নিজেদের হেফাজতে নেয় হীরাপুর থানার পুলিস। বিচারক অমিতের পাঁচদিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর করেন। পুলিসের টানা জেরায় চোরাই বাইকের সন্ধান দেয় সে। সেই বাইক আনতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ পুলিসের। বার্নপুরের বার্ন স্ট্যান্ডার্ডের ওয়াগন ফ্যাক্টরির পরিত্যক্ত আবাসনে শুধু কল্যাণ দাঁয়ের বাইকই নয়, আরও দু’টি বাইক ও দু’টি স্কুটার পায় পুলিস। পুলিসের দ্বিতীয় দফার জেরায় অমিত স্বীকার করে যে, বাকি চারটি বাইকও সেই চুরি করেছিল। বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করতে দুষ্কৃতীরা এই চোরাই বাইকগুলি ভাড়া নিত। এবার মহিশীলার অমিতকে হেফাজতে নিয়ে অন্য থানাগুলিও তাঁদের বাইক চুরির কিনারা করতে চাইছে।
Advertisement
সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন এসিপি ইপ্সিতা দত্ত বলেন, আমরা একটি বাইক চুরির তদন্তে নেমে মোট পাঁচটি চোরাই বাইক উদ্ধার করেছি। বাকি চারটি বাইকের মালিকের খোঁজ করার হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, অমিতের টার্গেটে থাকে পুরনো বাইক ও স্কুটার। তার কাছে থাকত একাধিক মাস্টার কি। যা দিয়ে বাইক-স্কুটারের লক খুলে তা নিয়ে চম্পট দিতে সে। তার চুরি করা মোট ১০টি বাইকের সন্ধান পেয়েছে পুলিস। হীরাপুর থানা ছাড়াও আসানসোল উত্তর থানা পাঁচটি বাইক উদ্ধার করেছিল। আসানসোল দক্ষিণ থানা এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল ডাকাত দল। সেই ডাকাতির ঘটনায় অমিতের চুরি করা বাইকই ব্যবহৃত হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই পুলিস জানতে পেরেছে, অমিত যে চোরাই বাইক ভাড়ায় খাটা তা জানে তামাম দুষ্কৃতী মহল। তাই কোনও অপরাধ করার আগেই অমিতের কাছ থেকে বাইকের খোঁজ নেয় দুষ্কৃতীরা। বিভিন্ন পরিত্যক্ত জায়গায় বাইকগুলি রেখে দিত অমিত। পুরনো বাইকগুলির পার্টস খুলে আলাদা করে বিক্রি করে দিত।
জানা গিয়েছে, অমিতের টার্গেটে থাকে পুরনো বাইক ও স্কুটার। তার কাছে থাকত একাধিক মাস্টার কি। যা দিয়ে বাইক-স্কুটারের লক খুলে তা নিয়ে চম্পট দিতে সে। তার চুরি করা মোট ১০টি বাইকের সন্ধান পেয়েছে পুলিস। হীরাপুর থানা ছাড়াও আসানসোল উত্তর থানা পাঁচটি বাইক উদ্ধার করেছিল। আসানসোল দক্ষিণ থানা এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল ডাকাত দল। সেই ডাকাতির ঘটনায় অমিতের চুরি করা বাইকই ব্যবহৃত হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই পুলিস জানতে পেরেছে, অমিত যে চোরাই বাইক ভাড়ায় খাটা তা জানে তামাম দুষ্কৃতী মহল। তাই কোনও অপরাধ করার আগেই অমিতের কাছ থেকে বাইকের খোঁজ নেয় দুষ্কৃতীরা। বিভিন্ন পরিত্যক্ত জায়গায় বাইকগুলি রেখে দিত অমিত। পুরনো বাইকগুলির পার্টস খুলে আলাদা করে বিক্রি করে দিত।



