সংবাদদাতা, করিমপুর: বাইক চুরি রুখতে বাইকে জিপিএস ট্র্যাকার লাগানোর প্রবণতা বাড়ছে মানুষের মধ্যে। পুলিস পাহারা দিলেও বাইক চুরি আটকানো খুব কঠিন। বাইক চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় বহু মানুষ এই ব্যবস্থা নিচ্ছেন। কখনও বাজার থেকে, আবার কখনও রাস্তার পাশে রাখা বাইক নিয়ে চম্পট দিচ্ছিল চোর। চোরের হাত থেকে বাইক বাঁচাতে করিমপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় গত এক বছরে প্রচুর মানুষ জিপিএস ট্র্যাকারের শরণাপন্ন হয়েছেন। গত দুই বছরে করিমপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় বিশটি বাইক চুরি হয়েছিল। যদিও বেশিরভাগ বাইকই পুলিস উদ্ধার করেছে। অনেক ক্ষেত্রে বাইক উদ্ধারের পাশাপাশি চোরকেও পাকড়াও করতেও সক্ষম হয়েছে পুলিস। কিন্তু তা সত্ত্বেও পুলিসের ভরসায় না থেকে অনেকেই বাইকে জিপিএস ট্র্যাকার লাগাচ্ছেন। বাইকের মালিক নিলয় সরকার বলেন, বিভিন্ন কোম্পানির জিপিএস কিনে স্থানীয় কোনও গ্যারেজ থেকে তা নিজের মোবাইলের নম্বরের সঙ্গে সংযোগ করিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বাইক কিংবা গাড়ি যে কোনও যানে এই সংযোগ থাকলে গাড়ি বা বাইকের অবস্থান জানা সম্ভব। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এই এলাকার বেশিরভাগ বাইক পাশের জেলা মুর্শিদাবাদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বাইক চুরি রুখতে পুলিস সদা সতর্ক রয়েছে এবং বাইক চুরি হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বাড়তি নজরদারি চালানোর পাশাপাশি রাস্তায় নাকা চেক চলে। তবে কেউ জিপিএস লাগালে খুব ভালো হয়। করিমপুরের মিণ্টু মণ্ডল বলেন, গত প্রায় বছর দুয়েক আগে করিমপুর এলাকায় এক মাসে অনেক বাইক চুরি হয়েছিল। সেই সময়ে এই জিপিএস ট্রাকারের খোঁজ পাই এবং বাইকে লাগিয়ে নিই। এখন অনেক কোম্পানি তাদের বাইকে ট্র্যাকার লাগিয়েই বাজারে বিক্রি করছে। করিমপুর গ্যারাজের এক মালিক বলেন, গত ছ’ মাসে প্রায় ত্রিশটি বাইক ও চার চাকায় জিপিএস লাগিয়েছি। দু’ বছর আগেও এখানে জিপিএসের সেভাবে প্রচলন ছিল না। বর্তমানে জিপিএসের চাহিদা বেড়েছে।



