পাটনা: বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। যা নিয়ে ভোটমুখী রাজ্যটিতে তীব্র বির্তক তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিহারের তারাপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে সম্রাটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর ফের একবার সেই বিতর্কে ঘৃতাহুতি পড়ল। হলফনামায় ১০ কোটি টাকার বেশি স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, এমনকি ফৌজদারি মামলার বিস্তারিত উল্লেখ থাকলেও সম্রাটের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। একইভাবে স্পষ্ট কোনও নথি নেই তাঁর জন্ম তারিখ নিয়েও। ২৩ পাতার এই হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ভোটার তালিকার হিসেবে’ এই মুহূর্তে সম্রাটের বয়স ৫৬ বছর। যদিও কোনও স্কুল সার্টিফিকেট দায়ের করা হয়নি। নেই তাঁর ‘সাম্মানিক ডিলিট’ পাওয়া নিয়েও কোনও তথ্য। প্রসঙ্গত, জন সুরাজ পার্টির সুপ্রিমো প্রশান্ত কিশোর দাবি করেছিলেন, তারাপুরে খুনের মামলায় অভিযুক্ত সম্রাট আদালতের কাছে ভুয়ো বয়সের সার্টিফিকেট জমা দিয়েছিলেন এবং সেই সার্টিফিকেটে তিনি নাবালক হওয়ায় তাঁকে রেহাই দেওয়া হয়। পাশাপাশি সম্রাট চৌধুরী দশম শ্রেণিও পাশ করেননি বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। যদিও সম্রাট চৌধুরী দাবি করেছিলেন, তিনি কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘পিএফসি’ (প্রি ফাউন্ডেশনাল কোর্স) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তবে পিএফসি কী? তার ব্যাখা করতে গিয়ে বারবার হোঁচট খেয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী।



