Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিহারের ব্যবসায়ীকে রাস্তা চেনানোর নামে লক্ষ টাকা কেপমারি, শুরু তদন্ত

বিহারের ব্যবসায়ীকে কৌশল করে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পর ভয় দেখিয়ে এক লক্ষ টাকা কেপমারির অভিযোগ উঠল।

বিহারের ব্যবসায়ীকে রাস্তা চেনানোর নামে লক্ষ টাকা কেপমারি, শুরু তদন্ত
  • ২৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিহারের ব্যবসায়ীকে কৌশল করে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পর ভয় দেখিয়ে এক লক্ষ টাকা কেপমারির অভিযোগ উঠল। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে হেস্টিংস থানার এজেসি বোস রোডে। ব্যবসায়ী  রাহুল রাজের অভিযোগ, তাঁকে আটকানোর পর একদল যুবক দুটি স্কুটারে এসে এই টাকা নিয়ে পালায়। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। 

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিহারের সমস্তিপুরের বাসিন্দা রাহুলের রেডিমেড পোশাকের ব্যবসা রয়েছে। জামাকাপড় কিনতে তিনি প্রায়ই কলকাতায় আসেন। কিছুদিন আগে তিনি এক ব্যবসায়ী বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারেন, মেটিয়াবুরুজ এলাকায় রেডিমেড জামাকাপড়ের বড় মার্কেট রয়েছে। যথেষ্ট কম দামে শার্ট, জিন্স সহ বিভিন্ন সামগ্রী পাওয়া যায়। ২৩ জুলাই সকালে বিহার থেকে কলকাতায় এসে হাওড়ার একটি হোটেলে ওঠেন। খাওয়াদাওয়া সেরে বেলা আড়াইটে নাগাদ বেরিয়ে খিদিরপুরগামী বাসে ওঠেন। ব্যবসায়ী অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন, হেস্টিংস মোড়ে তিনি নামেন। তাঁর সঙ্গে এক লক্ষ টাকার একটি ব্যাগ ছিল। সেখানে নামার পর তিনি একজনকে জিজ্ঞাসা করেন, মেটিয়াবুরুজ কীভাবে যাবেন। ওই যুবকও মেটিয়াবুরুজ যাবে বলে জানায়। তার সঙ্গে যেতে বলে। ব্যবসায়ী যুবকের পিছু পিছু হাঁটতে শুরু করেন। একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। এলাকাটি সুবিধের মনে হয়নি। ওই জায়গা থেকে রাহুল পালানোর চেষ্টা করেন। এমন সময় যুবক ফোন করে সঙ্গীদের ডাকে। দু’টি স্কুটিতে পাঁচজন সেখানে হাজির হয়। যুবক তাদের জানায়, এই ব্যক্তি চুরি করে পালানোর চেষ্টা করছে। ব্যবসায়ীর দেহ তল্লাশির পর ব্যাগ সার্চ শুরু করে তারা। ব্যাগে থাকা এক লক্ষ টাকা তারা নিয়ে নেয়। অভিযুক্তরা তাঁর মোবাইল নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনওক্রমে তিনি রক্ষা করেন। এরপরই ছয় যুবক দু’টি স্কুটারে চেপে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। তিনি একশো ডায়ালে ফোন করলে কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিস সেখানে পৌঁছয়। তিনি ঘটনার কথা জানালে হেস্টিংস থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি লিখিত অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতে পুলিস মামলা রুজু করে। তদন্তে নেমে পুলিস ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। ছয় যুবককে চিহ্নিত করার চেষ্টা হচ্ছে। পাশাপাশি ফুটেজ থেকে স্কুটারের নম্বর হাতে এসেছে পুলিসের। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ