Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ডার্বির আগে বড় জয়, স্বস্তি ইস্ট বেঙ্গলে

সুপার কাপে স্বস্তির জয় ইস্ট বেঙ্গলের। মঙ্গলবার চেন্নাইয়ান এফসি’কে চার গোলের মালা পরাল অস্কার ব্রুজোঁর ছেলেরা

ডার্বির আগে বড় জয়, স্বস্তি  ইস্ট বেঙ্গলে
  • ২৯ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সুপার কাপে স্বস্তির জয় ইস্ট বেঙ্গলের। মঙ্গলবার চেন্নাইয়ান এফসি’কে চার গোলের মালা পরাল অস্কার ব্রুজোঁর ছেলেরা। আর তাতেই বেড়ে গেল ডার্বির গুরুত্ব। গ্রুপের শেষ ম্যাচে ফলের উপর নির্ভরশীল সেমি-ফাইনালের ভাগ্য। এদিন জোড়া গোলে ইস্ট বেঙ্গলের জয়ের নায়ক বিপিন সিং। এছাড়া স্কোরশিটে নাম তোলেন কেভিন সিবলে ও হিরোশি ইবুসুকি। ম্যাচে বড় জয়ের পাশাপাশি ডার্বির আগে ক্লিনশিট স্বস্তিতে রাখছে কোচ অস্কারকে। এই জয়ের সুবাদে দু’ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে গোল পার্থক্যের নিরিখে মোহন বাগানের চেয়ে এগিয়ে রইল ইস্ট বেঙ্গল। অর্থাৎ, শুক্রবার ড্র করলেই সেমি-ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করবে অস্কার ব্রিগেড।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ডেম্পোর বিরুদ্ধে ড্র করে শেষ চারের পথ কঠিন করে তুলেছিল মশালবাহিনী। মঙ্গলবার আরও একবার পয়েন্ট নষ্ট মানে কার্যত বিদায় নিশ্চিত ছিল সাউল ক্রেসপোদের। এমন পরিস্থিতিতে গত ম্যাচের প্রথম একাদশে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন কোচ অস্কার। দেবজিতের জায়গায় গোলে ফেরেন প্রভসুখন গিল। একইসঙ্গে মাঝমাঠে দখল নিতে মিগুয়েলকে শুরু থেকে খেলান লাল-হলুদ কোচ। চেন্নাইয়ানের বিরুদ্ধে প্রথম আধঘণ্টা বেশ নড়বড়ে দেখায় ইস্ট বেঙ্গলকে। স্কোয়ার পাস আর ব্যাক পাসের মহড়া রীতিমতো বিরক্তিকর। তবে প্রাথমিক জড়তা ঝেড়ে ক্রমশ ডানা ফেলে মশালবাহিনী। দুই প্রান্ত থেকে বিপিন আর মহেশ গতি বাড়াতেই চাপে পড়েন প্রীতম কোটালরা। ১০ মিনিটের স্পেলেই ম্যাচ পকেটে পুরে ফেলে ইস্ট বেঙ্গল। ৩৫ মিনিটে বক্সের বাইরে বিপিনকে ফাউল করেন লালডিনপুইয়া। আর ফ্রি-কিক থেকে মহেশের ঠিকানা লেখা ক্রস খুঁজে নেয় সিবলেকে। দুরন্ত হেডে লক্ষ্যভেদ আর্জেন্তাইন ডিফেন্ডারের (১-০)। চার মিনিট বাদেই স্কোরশিটে নাম তোলেন বিপিন। এবার ডানপ্রান্ত থেকে মহেশের মাইনাস গোলে ঠেলতে ভুল হয়নি মণিপুরি উইঙ্গারের (২-০)। বিরতির ঠিক আগেই তৃতীয় গোলটি তুলে নেয় ইস্ট বেঙ্গল। এক্ষেত্রেও সেই বিপিন-মহেশ জুটিতেই বাজিমাত। বক্সের বাইরে থেকে হামিদকে গোলের জন্য বল বাড়ান মহেশ। তবে সেই বল নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ মরক্কান স্ট্রাইকার।  সুযোগসন্ধানীর মতো গতি বাড়িয়ে পিছন থেকে উঠে এসে জাল কাঁপান বিপিন (৩-০)।
দ্বিতীয়ার্ধে লকগেট ফেলে দেয় ইস্ট বেঙ্গল। এই পর্বে ফের একবার ঘুমপাড়ানি ফুটবল খেলতে থাকেন সাউলরা। গোলের ব্যবধান বাড়ানোর কোনও তাগিদ মেলেনি। বরং ৭৫ মিনিট পেরতেই একের পর এক পরিবর্তনে ডার্বির আগে রিজার্ভ বেঞ্চ পরখ করে নেন অস্কার। তবে শৌভিক চক্রবর্তীকে ব্যবহারই করলেন না লাল-হলুদ কোচ। ৮৫ মিনিটে হিরোশির শট পোস্টে ধাক্কা খায়। এমনকী, ফিরতি বল গোলে ঠেলতে ব্যর্থ এডমুন্ড! আর সংযোজিত সময়ে পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন হিরোশি (৪-০)। 
ইস্ট বেঙ্গল: প্রভসুখন, রাকিপ (লালচুংনুঙ্গা), আনোয়ার (জিকসন), সিবলে, জয়, রশিদ, সাউল, মহেশ (এডমুন্ড), মিগুয়েল, বিপিন (বিষ্ণু) ও হামিদ (হিরোশি)। 

Advertisement

 

চেন্নাইয়ান এফসি- ০                            :                                      ইস্ট বেঙ্গল- ৪
                        (সিবলে, বিপিন-২, হিরোশি-পেনাল্টি)

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ