নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভ্যাপসা গরম। দর্শকঠাসা কল্যাণীতে দরদরিয়ে ঘামছিলেন অনেকে। পাণীয় জলের কাউন্টারে লম্বা লাইন। তৃপ্তির চুমুক দিয়ে স্বস্তি পেলেন দর্শকরা। আসলে পাণীয় জল নিয়ে যুবভারতীতেও প্রচুর অভিযোগ। জলের বোতল নিয়ে প্রবেশের অনুমতি নেই। গ্যালারিতেও জলের পাউচ অপ্রতুল। সেক্ষেত্রে ডার্বির সন্ধ্যায় নতুন দিশা দেখালো কল্যাণী। শিল্পনগরীর ইতিহাসে প্রথম ডার্বি। খুপচি প্রেসবক্সে গাদাগাদি। কাচও ঝাপসা। এই ত্রুটিও দ্রুত শুধরে নিতে চান আয়োজকরা। আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্তের মন্তব্য, ‘আয়োজন নিয়ে আমরা খুশি। ভবিষ্যতে কল্যাণীতে ফের ডার্বি হতেই পারে।’ মরশুমের প্রথম ডার্বি ঘিরে উত্তেজনা ছিলই। অথচ চাহিদার তুলনায় আসন কম। ঝামেলা এড়াতে অন লাইনে টিকিট বিক্রীর সিদ্ধান্ত নেয় আইএফএ। ম্যাচের দিন টিকিট স্ক্যান করিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন দর্শকরা। কালোবাজারিরা দাঁত ফোটানোর সুযোগ পায়নি। এক্ষেত্রেও দৃষ্টান্ত হয়ে রইল কল্যাণীর ডার্বি। ব্যাগেজ কাউন্টার, ফুড কোর্ট, ফ্যান পার্কও জমজমাট। ফুটবলে দর্শক স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর পাশাপাশি বিপণণে জোর দিতে চেয়েছিল আইএফএ। ডার্বির পর কর্তাদের মুখের হাসি চওড়া। লিগের পর জরুরি ভিত্তিতে হবে মাঠের সংস্কার। নিরাপত্তার প্রশ্নেও সসম্মানে উত্তীর্ণ শিল্পনগরী। কড়া হাতে যেভাবে পুলিস পরিস্থিতি সামলেছে তাতে সবাই খুশি।



