সংবাদদাতা, কান্দি: ছেলের বয়স ৫০ বছর। আর প্রয়াত মা হলেন ৫১ বছরের। ভোটার ও আধার কার্ডে লেখা বয়সের এই ভুলে যুবকের বিদেশ যাত্রা আটকে গিয়েছে। ফলে সমস্যা নেমে এসেছে ভরতপুরের নতুনপাড়ার বাসিন্দা জহিদুল শেখের পরিবারে। বারবার ওই দু’টি কার্ডের সংশোধন করতে গিয়েও ফিরে আসতে হচ্ছে বলে দাবি।
Advertisement
জহিদুল শেখের আধার ও ভোটার কার্ডে ১৯৭৪ সালে জন্ম দেখাচ্ছে। আর তাঁর প্রয়াত মা সুরেমা বিবির জন্ম সাল হচ্ছে ১৯৭৩। প্রায় একবছর হল ওই যুবকের মা প্রয়াত হয়েছেন। জহিদুল পেশায় দিনমজুর। কয়েকমাস আগে তিনি পাশপোর্টও তৈরি করে ফেলেছেন কর্মসূত্রে মায়ানমার যাওয়ার জন্য। তাতেও তাঁর বয়স ৫০ দেখাচ্ছে। কিন্তু ভিসা সংগ্রহের অফিসে সাক্ষাৎকার করতে গিয়ে বয়সের গেরোয় আটকে গিয়েছেন।
দাবি, ভিসা অফিস থেকে বলা হয়েছে মা ও ছেলের মধ্যে এক বছরের ফারাক কোনওভাবে থাকতে পারে না। কাজেই বয়সের সমস্যা না মেটালে তাঁর বিদেশ যাত্রা হবে না।
এরপর থেকেই যুবক প্রশাসনের বিভিন্ন অফিসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন সংশোধনের আশায়। জহিদুল বলেন, বিভিন্ন অফিসে বহুবার আবেদন করেছি। কিন্তু কোনও কাজ হচ্ছে না। বলা হচ্ছে আগে মায়ের কার্ড সংশোধন করতে হবে। তারপর আমার কার্ড সংশোধন হবে। কিন্তু মা মারা যাওয়ায় সেটাও সম্ভব হচ্ছে না। অগত্যা আমার বিদেশ যাত্রা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
জহিদুলের স্ত্রী সোনাই খাতুন বলেন, বাড়িতে দু’টি নাবালক পুত্র সন্তান সহ বৃদ্ধ শ্বশুর রয়েছেন। পাঁচজনের সংসারের অভাব মেটানোর জন্য গয়না বন্ধক দিয়ে বিদেশে কাজের ব্যবস্থা করেছিলাম। কিন্তু বয়সের সমস্যায় সব কিছু আটকে গিয়েছে।
জহিদুলের বাবা মেহেদ শেখ জানান, সেই ১৯৭৮ এর বন্যার দুই বছর পর আমার বিয়ে হয়েছিল। তার কয়েকবছর পর সন্তান আসে। সেই হিসেবে আমার ছেলের বয়স মেরেকেটে ৩৮ বছর হতে পারে। আসলে আমরা পড়াশুনা জানি না। তাই চোখ থাকলেও অন্ধ হয়ে রয়েছি। কার্ড তৈরির সময় ওসব কিছুই লক্ষ্য করিনি। তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে এখন।
দাবি, ভিসা অফিস থেকে বলা হয়েছে মা ও ছেলের মধ্যে এক বছরের ফারাক কোনওভাবে থাকতে পারে না। কাজেই বয়সের সমস্যা না মেটালে তাঁর বিদেশ যাত্রা হবে না।
এরপর থেকেই যুবক প্রশাসনের বিভিন্ন অফিসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন সংশোধনের আশায়। জহিদুল বলেন, বিভিন্ন অফিসে বহুবার আবেদন করেছি। কিন্তু কোনও কাজ হচ্ছে না। বলা হচ্ছে আগে মায়ের কার্ড সংশোধন করতে হবে। তারপর আমার কার্ড সংশোধন হবে। কিন্তু মা মারা যাওয়ায় সেটাও সম্ভব হচ্ছে না। অগত্যা আমার বিদেশ যাত্রা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
জহিদুলের স্ত্রী সোনাই খাতুন বলেন, বাড়িতে দু’টি নাবালক পুত্র সন্তান সহ বৃদ্ধ শ্বশুর রয়েছেন। পাঁচজনের সংসারের অভাব মেটানোর জন্য গয়না বন্ধক দিয়ে বিদেশে কাজের ব্যবস্থা করেছিলাম। কিন্তু বয়সের সমস্যায় সব কিছু আটকে গিয়েছে।
জহিদুলের বাবা মেহেদ শেখ জানান, সেই ১৯৭৮ এর বন্যার দুই বছর পর আমার বিয়ে হয়েছিল। তার কয়েকবছর পর সন্তান আসে। সেই হিসেবে আমার ছেলের বয়স মেরেকেটে ৩৮ বছর হতে পারে। আসলে আমরা পড়াশুনা জানি না। তাই চোখ থাকলেও অন্ধ হয়ে রয়েছি। কার্ড তৈরির সময় ওসব কিছুই লক্ষ্য করিনি। তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে এখন।



