Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভাতারে মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ, পুলিসের জালে যুবক

ভাতারে মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ, পুলিসের জালে যুবক
  • ১৯ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, বর্ধমান: মূক ও বধির মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ভাতার থানার পুলিস। ধৃতের নাম চাঁদু ধাড়া ওরফে মাঝি। ভাতার থানার কাশীপুরে তার বাড়ি। রবিবার সন্ধ্যায় কাশীপুর বাসস্টপ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতকে সোমবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতকে পাঁচদিনের পুলিসি হেপাজতের নির্দেশ দেন সিজেএম।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাতার থানা এলাকায় ওই মহিলার বাড়ি। তিনি কয়েকদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ। রবিবার ভোররাতে তিনি বাড়ির বাইরে বাথরুমে যান। দীর্ঘক্ষণ তিনি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খুঁজতে বের হন। ভোর ৪টে নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি নির্জন জায়গায় বসে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন। তাঁরা চাঁদুকে সেখান থেকে দৌড়ে পালাতে দেখেন। বাড়ি ফেরার পর মহিলা আকারে-ইঙ্গিতে তাঁর উপর হওয়া পাশবিক অত্যাচারের কথা জানান। এরপরই পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। 
আক্রান্ত প্রতিবাদী: অশ্লীল কথা লিখে যুবতীর ছবি সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করার প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধরের অভিযোগে এক বৃদ্ধ ও তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিস। ধৃতদের নাম বিশ্ব রায় ও সুনীল রায়। বর্ধমান থানার ডিভিসি মোড় মালঞ্চপাড়ায় তাদের বাড়ি। সোমবার ভোররাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিনই বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ২২ নভেম্বর ধৃতদের ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দেন সিজেএম। 
পুলিস জানিয়েছে, শহরেরই ছোটনীলপুর আমবাগানের বাসিন্দার বান্ধবীর ছবি সহ অশ্লীল কথা লিখে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে বিশ্ব। বিষয়টি জানতে পেরে রবিবার দুপুরে বিশ্বর বাড়িতে যান ওই যুবক। তিনি ছবি পোস্ট করার কারণ জানতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিশ্বর বাবা সুনীল তাঁকে মারধর করে ও তাঁর টোটোটিও ভেঙে দেওয়া হয়। 
বালি পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২: বালি বোঝাই একটি ডাম্পার বাজেয়াপ্ত করেছে মেমারি থানার পুলিস। ডাম্পারটির চালক ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, সোমবার সকালে মন্তেশ্বর-সাতগেছিয়া রোড ধরে ডাম্পারটি যাচ্ছিল। সাতগেছিয়া চৌমাথার কাছে সেটিকে আটকানো হয়। চালক ও খালাসি বালির বৈধ কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেনি বলে পুলিসের দাবি। বীরভূমের অবৈধ খাদান থেকে বালি বোঝাই করে তা চড়া দামে বিক্রির জন্য ডাম্পারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনেছে পুলিস। এরসঙ্গে একটি চক্র জড়িত বলে জানা গিয়েছে। এদিনই ধৃতদের বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। বালি পাচারের বিষয়ে বিশদে জানতে এবং চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে ধৃতদের ৫ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিস। ধৃতদের দু’দিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর করেন সিজেএম।
সম্পর্কিত সংবাদ