সংবাদদাতা, বর্ধমান: ভাতার থানার বালসিডাঙায় শ্বশুরবাড়িতে কীটনাশক খেয়ে এক গৃহবধূ আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃত বধূর নাম শিখা সরেন (২৫)। গলসি থানার উচ্চগ্রামে তাঁর বাপের বাড়ি। নয় মাস আগে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। রবিবার দুপুরে বাড়িতে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে ভাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। তাঁর আত্মহত্যার কারণ নিয়ে মুখ খুলতে চাননি পরিবারের লোকজন।
Advertisement
অন্য একটি ঘটনায়, বীরভূমের ইলামবাজার থানার শ্রীচন্দ্রপুরে চালের পোকা মারার ট্যাবলেট খেয়ে এক বৃদ্ধা আত্মঘাতী হয়েছেন। তাঁর নাম পূর্ণিমা ঘোষ (৬০)। সোমবার সকালে বাড়িতে তিনি ট্যাবলেট খেয়ে নেন। তাঁকে বোলপুরের সিয়ান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। রাতে তিনি মারা যান। পরিবারের দাবি, তিনি মানসিক রোগী ছিলেন। তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে তিনি পোকা মারার ট্যাবলেট খেয়ে নেন।
অপর একটি ঘটনায়, নদীয়ার গাদখালিতে অ্যাসিড খেয়ে এক প্রৌঢ়া আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম সুমিত্রা বিশ্বাস (৫৪)। দিনকয়েক আগে তিনি বাড়িতে রাখা অ্যাসিড খান। তাঁকে নবদ্বীপ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান শহরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করেন। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। সাংসারিক অশান্তির কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।
অপর একটি ঘটনায়, নদীয়ার গাদখালিতে অ্যাসিড খেয়ে এক প্রৌঢ়া আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম সুমিত্রা বিশ্বাস (৫৪)। দিনকয়েক আগে তিনি বাড়িতে রাখা অ্যাসিড খান। তাঁকে নবদ্বীপ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান শহরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করেন। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। সাংসারিক অশান্তির কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।



