নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ভাতারের রবীন্দ্রপল্লিতে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধ দম্পতিকে খুন করল দুষ্কৃতীরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বন্ধ ঘরের তালা ভেঙে পুলিস তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘরের ভিতর আলমারিও ভাঙা ছিল। বিভিন্ন জিনিসপত্র ছিল ছড়ানো। মৃতদের উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিস তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার তদন্তে এদিন দম্পতির বাড়িতে যান পুলিস সুপার সায়ক দাস সহ পদস্থ আধিকারিকরা। পুলিস জানিয়েছে, মৃতদের নাম অভি যশ(৭০) ও ছবি যশ(৬০)। পুলিস সুপার বলেন, খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর কেউ জড়িত রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, পারিবারিক বিষয়সম্পত্তি হাতাতে এই ঘটনা। ভাতার পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অমিত হুই বলেন, অভিবাবুর মৃতদেহ বেডরুমে পড়েছিল। তাঁর স্ত্রীর দেহ রান্নাঘরে ছিল। অভিবাবুকে মাথায় কোনওকিছু দিয়ে আঘাত করে মারা হতে পারে। তাঁর স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
Advertisement
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বাড়িতে ওই দম্পতি ছাড়া অন্য কেউ থাকত না। তাঁদের ছেলেমেয়ে নেই। অভিবাবুর হার্ডওয়ারের ব্যবসা ছিল। এছাড়া তাঁর অনেক চাষজমিও রয়েছে। এলাকায় ধনী ব্যক্তি হিসেবেই তিনি পরিচিত ছিলেন। এদিন বিকেলে এক আত্মীয়া তাঁদের বাড়িতে আসেন। তিনি দেখেন, বাইরের গেটে ও ঘরের দরজায় তালা রয়েছে। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন, তাঁরা বাড়িতে নেই। অন্য আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও জানতে পারেন তাঁরা সেখানে যাননি। এরপরই তিনি বিষয়টি থানায় জানান। পুলিস এসে ঘরের তালা ভাঙে। ঘরের ভিতরে দু’জনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিসও মনে করছে, তাঁদের খুন করা হয়েছে। ডাকাতিতে বাধা পেয়ে এই ঘটনা হয়েছে, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। এলাকার বাসিন্দা তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার বলেন, ওই পরিবারটি প্রথম থেকেই আর্থিকভাবে সচ্ছল। তাঁদের পরিকল্পনা করে খুন করা হতে পারে। দুষ্কৃতীরা বাইরে থেকে তালা দিয়ে গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ভাতারের কদমতলায় ওই বৃদ্ধের বড় বাড়ি ছিল। নীচেরতলায় হার্ডওয়ারের দোকান চলত। উপরে তাঁরা থাকতেন। সেই বাড়িটি কয়েক বছর আগে তাঁরা বিক্রি করে দেন। দোকানটিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পালার গ্রামে বাড়ি তৈরি করে থাকতে শুরু করেন। তবে সেখানেও বেশিদিন থাকেননি। সেখান থেকে এসে ভাতার গ্রামে বাড়ি করেন। সেই বাড়িতেও বেশিদিন ছিলেন না। রবীন্দ্রপল্লিতে বাড়ি তৈরি করে থাকতে শুরু করেন। এদিন সন্ধ্যায় সেখান থেকেই তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিসের অনুমান, দু’দিন আগে তাঁদের খুন করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিসও মনে করছে, তাঁদের খুন করা হয়েছে। ডাকাতিতে বাধা পেয়ে এই ঘটনা হয়েছে, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। এলাকার বাসিন্দা তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার বলেন, ওই পরিবারটি প্রথম থেকেই আর্থিকভাবে সচ্ছল। তাঁদের পরিকল্পনা করে খুন করা হতে পারে। দুষ্কৃতীরা বাইরে থেকে তালা দিয়ে গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ভাতারের কদমতলায় ওই বৃদ্ধের বড় বাড়ি ছিল। নীচেরতলায় হার্ডওয়ারের দোকান চলত। উপরে তাঁরা থাকতেন। সেই বাড়িটি কয়েক বছর আগে তাঁরা বিক্রি করে দেন। দোকানটিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পালার গ্রামে বাড়ি তৈরি করে থাকতে শুরু করেন। তবে সেখানেও বেশিদিন থাকেননি। সেখান থেকে এসে ভাতার গ্রামে বাড়ি করেন। সেই বাড়িতেও বেশিদিন ছিলেন না। রবীন্দ্রপল্লিতে বাড়ি তৈরি করে থাকতে শুরু করেন। এদিন সন্ধ্যায় সেখান থেকেই তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিসের অনুমান, দু’দিন আগে তাঁদের খুন করা হয়েছে।



