সংবাদদাতা, পতিরাম: ওপারে অস্থিরতা বাড়ার পর থেকেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে বাংলাদেশিদের আনাগোনা বাড়ছে। বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, জেলার সদর শহর বালুরঘাটে বহু বাড়ি ভাড়া করে ঠাঁই নিয়েছেন ওপারের বাসিন্দারা। তারপরেই ভুয়ো নথি দিয়ে ভারতের পরিচয় তৈরির পর একের পর এক বাংলাদেশি ধরা পড়ায় উদ্বিগ্ন প্রশাসনের বিভিন্ন মহল।
Advertisement
কারণ স্থানীয়দের দাবি,ভাড়াটিয়াদের উপর একেবারেই নজরদারি নেই পুলিস ও প্রশাসনের। বালুরঘাটে একসময় ‘নো ইয়োর নেইবার’ বা প্রতিবেশীকে চিনুন প্রকল্প চালু ছিল। তার মাধ্যমে ভাড়াটিয়ার সব তথ্য একটি ফর্মে লিখে থানায় জমা করতে হতো বাড়ির মালিককে। কিন্তু সেই প্রকল্প বছর পাঁচেকের বেশি সময় মুখ থুবড়ে পড়েছে। কাজেই ভাড়াটিয়াদের আড়ালেই বাংলাদেশিরা আশ্রয় নিচ্ছে বলে আশঙ্কা।
দক্ষিণ দিনাজপুর পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, ইতিমধ্যে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলাজুড়ে নজরদারি চলছে। ভাড়াটিয়াদের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জেলার তিনদিকেই বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে রাজ্যজুড়ে অনুপ্রবেশ চলছে। কেউ ভয়ে পালিয়ে এ দেশের সীমান্তবর্তী গ্রাম ও শহরগুলিতে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন। কেউ বা অসৎ উদ্দেশ্যে এই দেশে প্রবেশ করছেন। এদিকে জেলার অনেক জায়গায় কাঁটাতার নেই। ফলে উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ নিয়ে আতঙ্কে জেলাবাসী। চলতি সপ্তাহে কুমারগঞ্জের ডাঙ্গারহাট সীমান্তে আত্মীয়র বাড়ি থেকে এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, হিলি সীমান্তে ভুয়ো পাসপোর্ট সহ এক বাংলাদেশিকে ধরার পর জেলায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কাজ বা ঘুরতে যাওয়ার জন্য অনুপ্রবেশ, নাকি অসৎ উদ্দেশ্যে, তা নিয়ে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে ভাড়াটিয়াদের নিয়েও চিন্তা বাড়ছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাটে প্রচুর বাড়িতে ভাড়া দেওয়া হয়। এদিকে বালুরঘাট শহর জুড়ে যত্রতত্র নতুন ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে। কাজেই কোন ফ্ল্যাটে কে রয়েছে, তা প্রতিবেশী কিংবা পাশের বাড়ির বাসিন্দারা জানেন না।
বালুরঘাট শহরের প্রবীণ শিক্ষক অপূর্ব কুমার মণ্ডল বলেন, বালুরঘাট শহরে প্রচুর বাড়িতে নতুন নতুন মানুষ ভাড়া নিয়ে আসেন। সেই তথ্য পুলিস, প্রশাসন কিংবা পাশের বাড়ির মানুষের কাছে থাকে না। কাজেই এই শহরেও যে বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে লুকিয়ে নেই, কেউ জোর গলায় বলতে পারবে না। ভাড়াটিয়াদের দিকে নজর রাখা হোক। তাদের পুরো তথ্য প্রশাসনের কাছে থাকলে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত হবে।
কয়েকবছর আগে বালুরঘাটে ভাড়া বাড়িতে থেকে চুরি ও ডাকাতির নানা ঘটনা সামনে এসেছিল। এমনকি ভিনজেলা থেকে এসেও তপন ও গঙ্গারামপুরে কিডন্যাপের ঘটনা ঘটেছিল। সেক্ষেত্রে ভাড়া বাড়িতেই আশ্রয় নিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তাই ভাড়াটিয়াদের নিয়ে প্রশ্ন ভাবাচ্ছে সব মহলকে।
দক্ষিণ দিনাজপুর পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, ইতিমধ্যে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলাজুড়ে নজরদারি চলছে। ভাড়াটিয়াদের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জেলার তিনদিকেই বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে রাজ্যজুড়ে অনুপ্রবেশ চলছে। কেউ ভয়ে পালিয়ে এ দেশের সীমান্তবর্তী গ্রাম ও শহরগুলিতে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন। কেউ বা অসৎ উদ্দেশ্যে এই দেশে প্রবেশ করছেন। এদিকে জেলার অনেক জায়গায় কাঁটাতার নেই। ফলে উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ নিয়ে আতঙ্কে জেলাবাসী। চলতি সপ্তাহে কুমারগঞ্জের ডাঙ্গারহাট সীমান্তে আত্মীয়র বাড়ি থেকে এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, হিলি সীমান্তে ভুয়ো পাসপোর্ট সহ এক বাংলাদেশিকে ধরার পর জেলায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কাজ বা ঘুরতে যাওয়ার জন্য অনুপ্রবেশ, নাকি অসৎ উদ্দেশ্যে, তা নিয়ে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে ভাড়াটিয়াদের নিয়েও চিন্তা বাড়ছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাটে প্রচুর বাড়িতে ভাড়া দেওয়া হয়। এদিকে বালুরঘাট শহর জুড়ে যত্রতত্র নতুন ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে। কাজেই কোন ফ্ল্যাটে কে রয়েছে, তা প্রতিবেশী কিংবা পাশের বাড়ির বাসিন্দারা জানেন না।
বালুরঘাট শহরের প্রবীণ শিক্ষক অপূর্ব কুমার মণ্ডল বলেন, বালুরঘাট শহরে প্রচুর বাড়িতে নতুন নতুন মানুষ ভাড়া নিয়ে আসেন। সেই তথ্য পুলিস, প্রশাসন কিংবা পাশের বাড়ির মানুষের কাছে থাকে না। কাজেই এই শহরেও যে বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে লুকিয়ে নেই, কেউ জোর গলায় বলতে পারবে না। ভাড়াটিয়াদের দিকে নজর রাখা হোক। তাদের পুরো তথ্য প্রশাসনের কাছে থাকলে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত হবে।
কয়েকবছর আগে বালুরঘাটে ভাড়া বাড়িতে থেকে চুরি ও ডাকাতির নানা ঘটনা সামনে এসেছিল। এমনকি ভিনজেলা থেকে এসেও তপন ও গঙ্গারামপুরে কিডন্যাপের ঘটনা ঘটেছিল। সেক্ষেত্রে ভাড়া বাড়িতেই আশ্রয় নিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তাই ভাড়াটিয়াদের নিয়ে প্রশ্ন ভাবাচ্ছে সব মহলকে।



