সংবাদদাতা, মানিকচক: ভূতনিতে নিম্নমানের রাস্তার কাজের প্রতিবাদ করায় হেনস্তার অভিযোগ করলেন এক যুবক। তাঁর দাবি, ঠিকাদারের ইশারায় ভূতনি থানার এক পুলিস আধিকারিক তাঁকে হেনস্তা করেছেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে খবর, মানিকচক ব্লকের ভূতনি উত্তর চণ্ডীপুরের কাঠ মিল থেকে সামিরুদ্দিনটোলা জামে মসজিদ পর্যন্ত পথশ্রী প্রকল্পে প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৬০০ মিটার ঢালাই রাস্তা করছে মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতি। কিন্তু কাজ শুরু হতেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলে সরব হন স্থানীয় বাসিন্দা পেশায় গৃহশিক্ষক ইসমাইল হোসেন সহ কয়েকজন। কাজের ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ করেন তাঁরা। যা দেখে ঠিকাদার শেখ উজির ফোন করার পর ভূতনি থানার পুলিস আসে। অভিযোগ, ভূতনি থানার এক আধিকারিক প্রতিবাদী ইসমাইল ও শেখ আব্দুল্লাহকে হেনস্তা করার পর থানায় নিয়ে গিয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটক রাখেন। ইসমাইল বলেন, রাস্তার কাজে ধুলোর মতো বালি ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা তার প্রতিবাদ করছিলাম। ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করায় সময় ঠিকাদারের ইশারায় পুলিস আমাকে মারধর করে এবং থানায় দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে হেনস্তা করেছে। পুলিস আধিকারিকের বিরুদ্ধে ভূতনি থানায় লিখিত অভিযোগ করতে গেলেও নেওয়া হয়নি। ঠিকাদারের বক্তব্য,কাজে বাধা দেওয়া হলে বিডিওকে ফোন করেছিলাম। তারপর পুলিস এসে নিয়ন্ত্রণ করে। মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন। ভূতনি থানার ওসি সুবীর সরকার বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। তবে মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন।



