সংবাদদাতা, মানিকচক: বন্যা পরিস্থিতির সময় দুর্গতদের আশ্রয় দিতে মানিকচকে তৈরি করা হয়েছিল চারটি ফ্লাড শেল্টার। সেগুলি এখন যেন ভূতুড়ে বাড়ি। জরাজীর্ণ সেই ভবনগুলি যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। ভূতনিতে এবছরের বন্যা পরিস্থিতি দেখার পর দ্রুত সংস্কারের দাবিও তুলেছেন তাঁরা।
Advertisement
ভূতনির তিনটি অঞ্চল, গোপালপুর, ধরমপুর সহ কিছু এলাকা বন্যাপ্রবণ বলে পরিচিত। প্রতিবছর গঙ্গার জল বাড়লেই বন্যার কবলে পড়তে হয় এই সংরক্ষিত ও অসংরক্ষিত এলাকার জনসাধারণকে। বাড়িঘর ছেড়ে বাঁধ, উঁচু জায়গা বা ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে হয় দুর্গতদের। সেসব মাথায় রেখে ফ্লাড শেল্টার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। মানিকচকে নির্মাণ করা হয় চারটি ফ্লাড শেল্টার। যার মধ্যে রামনগর ও মথুরাপুরের কাকড়িবাঁধা শেল্টার দু’টি তৈরি হয়েছে বাম আমলে। ভূতনির উত্তর চণ্ডীপুর ও ধরমপুরের দু’টি তৈরি তৃণমূল সরকারের আমলে। তবে দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জরাজীর্ণ দশা শেল্টারগুলির। ছাদের পলেস্তারা খসে লোহার রড দেখা যাচ্ছে। ঢালাই খসে পিলারেরও রুগ্ন দশা। সবচেয়ে বেহাল অবস্থা মথুরাপুরের কাকড়িবাঁধা ও মানিকচকের রামনগরের শেল্টার দু’টির। কাকড়িবাঁধার শেল্টারটির একেবারে জীর্ণ দশা। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় পাশ দিয়ে যেতে ভয় পান বাসিন্দারা।
স্থানীয় উদয় মণ্ডল বলেন, ১৯৯৯ সালের বন্যার সময় বহু দুর্গত এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রশাসন রক্ষণাবেক্ষণ না করায় বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। দ্রুত এগুলি ভেঙে নতুনভাবে করার আবেদন জানাচ্ছি।
রামনগরের শেল্টারের গা ঘেঁষেই প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাশ দিয়েই যাতায়াতের রাস্তা। টিফিনের সময় শিশুরা শেল্টার চত্বরেই খেলাধুলো করে। সেখানেও যে কোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। ঠিক একই অবস্থা মাত্র ১০ বছর আগে তৈরি হওয়া উত্তর চণ্ডীপুর ও ধরমপুরের ফ্লাড শেল্টার দু’টির। তবে এবছর ভূতনিতে বন্যার ভয়াবহ রূপ দেখে এই ফ্লাড শেল্টারগুলি সংস্কারের দাবি উঠতে শুরু করেছে। মানিকচক ব্লক প্রশাসন ও বিধায়কের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রামনগরের আনন্দ মণ্ডলের কথায়, মানিকচকে ফ্লাড শেল্টার কতটা প্রয়োজন, এবারের বন্যা সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। ফ্লাড শেল্টার থাকলেও বেহাল দশার জন্য এখন ব্যবহারের অযোগ্য। বাধ্য হয়ে স্কুলে ত্রাণ শিবির খুলতে হয়েছিল।
এবিষয়ে মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। শেল্টারগুলি কী অবস্থায় রয়েছে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় উদয় মণ্ডল বলেন, ১৯৯৯ সালের বন্যার সময় বহু দুর্গত এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রশাসন রক্ষণাবেক্ষণ না করায় বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। দ্রুত এগুলি ভেঙে নতুনভাবে করার আবেদন জানাচ্ছি।
রামনগরের শেল্টারের গা ঘেঁষেই প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাশ দিয়েই যাতায়াতের রাস্তা। টিফিনের সময় শিশুরা শেল্টার চত্বরেই খেলাধুলো করে। সেখানেও যে কোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। ঠিক একই অবস্থা মাত্র ১০ বছর আগে তৈরি হওয়া উত্তর চণ্ডীপুর ও ধরমপুরের ফ্লাড শেল্টার দু’টির। তবে এবছর ভূতনিতে বন্যার ভয়াবহ রূপ দেখে এই ফ্লাড শেল্টারগুলি সংস্কারের দাবি উঠতে শুরু করেছে। মানিকচক ব্লক প্রশাসন ও বিধায়কের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রামনগরের আনন্দ মণ্ডলের কথায়, মানিকচকে ফ্লাড শেল্টার কতটা প্রয়োজন, এবারের বন্যা সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। ফ্লাড শেল্টার থাকলেও বেহাল দশার জন্য এখন ব্যবহারের অযোগ্য। বাধ্য হয়ে স্কুলে ত্রাণ শিবির খুলতে হয়েছিল।
এবিষয়ে মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। শেল্টারগুলি কী অবস্থায় রয়েছে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



