সংবাদদাতা, মানিকচক: বিরল রোগে আক্রান্ত ভূতনির ছোট্ট মৌমিতা মণ্ডল। হতদরিদ্র পরিযায়ী শ্রমিকের মেয়ের প্রাণ বাঁচাতে দরকার প্রায় ১৬ কোটি টাকা। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সাহায্যের আবেদন করল মৌমিতার পরিবার।
Advertisement
মালদহের ভূতনির হীরানন্দপুর পঞ্চায়েতের নন্দিটোলার বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল পরিযায়ী শ্রমিক। বাবা, মা ছাড়াও স্ত্রী ও দুই নাবালক সন্তান রয়েছে। পাঁচ বছরের ছেলে বিশেষভাবে সক্ষম। অন্যদিকে, মৌমিতার বয়স এক বছর দুই মাস। সে বিরল রোগে আক্রান্ত।
পরিবার জানিয়েছে, ৮ মাস বয়সে মৌমিতার মধ্যে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন মা সুভদ্রা মণ্ডল। তিনি দেখেন, মেয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে। তড়িঘড়ি বাড়ি ফিরে আসেন রবীন্দ্রনাথ। মৌমিতাকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের দেখান তাঁরা। বিভিন্ন টেস্ট করার পর চিকিৎসকরা জানান, মৌমিতা বিরল রোগ স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফিতে আক্রান্ত। এই রোগের চিকিৎসার জন্য একটি ইঞ্জেকশন রয়েছে। সেটির দাম প্রায় ১৬ কোটি টাকা। দু’বছরের মধ্যে ইঞ্জেকশনটি দিতে হবে বলে চিকিত্সকরা জানান। এই অবস্থায় দিশাহারা বাবা-মা।
রবীন্দ্রনাথ বলেন, আট মাস বয়সে রক্ত পরীক্ষার পর এই বিরল রোগের বিষয়টি জানতে পারি। হাতে সময়ও বেশি নেই। কোথা থেকে এত টাকা জোগাড় করব বুঝতে পারছি না। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি। তিনি পাশে না দাঁড়ালে আমার মেয়ে আর বাঁচবে না। বিষয়টি জানতে পেরে পাশে দাঁড়িয়েছেন মানিকচক ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অভীক শঙ্কর কুমার। তিনি বলেন, কয়েক কোটি শিশুর মধ্যে একজনের এই রোগ দেখা যায়। মৌমিতার পরিবারের পাশে সাধ্যমতো দাঁড়ানোর চেষ্টা করব। আমার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদেরও বিষয়টি জানাব। আশা করি স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে যতটা সম্ভব এই পরিবারের পাশে দাঁড়াবে।
পরিবার জানিয়েছে, ৮ মাস বয়সে মৌমিতার মধ্যে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন মা সুভদ্রা মণ্ডল। তিনি দেখেন, মেয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে। তড়িঘড়ি বাড়ি ফিরে আসেন রবীন্দ্রনাথ। মৌমিতাকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের দেখান তাঁরা। বিভিন্ন টেস্ট করার পর চিকিৎসকরা জানান, মৌমিতা বিরল রোগ স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফিতে আক্রান্ত। এই রোগের চিকিৎসার জন্য একটি ইঞ্জেকশন রয়েছে। সেটির দাম প্রায় ১৬ কোটি টাকা। দু’বছরের মধ্যে ইঞ্জেকশনটি দিতে হবে বলে চিকিত্সকরা জানান। এই অবস্থায় দিশাহারা বাবা-মা।
রবীন্দ্রনাথ বলেন, আট মাস বয়সে রক্ত পরীক্ষার পর এই বিরল রোগের বিষয়টি জানতে পারি। হাতে সময়ও বেশি নেই। কোথা থেকে এত টাকা জোগাড় করব বুঝতে পারছি না। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি। তিনি পাশে না দাঁড়ালে আমার মেয়ে আর বাঁচবে না। বিষয়টি জানতে পেরে পাশে দাঁড়িয়েছেন মানিকচক ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অভীক শঙ্কর কুমার। তিনি বলেন, কয়েক কোটি শিশুর মধ্যে একজনের এই রোগ দেখা যায়। মৌমিতার পরিবারের পাশে সাধ্যমতো দাঁড়ানোর চেষ্টা করব। আমার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদেরও বিষয়টি জানাব। আশা করি স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে যতটা সম্ভব এই পরিবারের পাশে দাঁড়াবে।



