নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ভারতীয় পর্যটক ও এ দেশের গাড়ির উপর চড়া হারে যে ফি চাপানো হয়েছে তা মকুব করুক ভুটান। দু’দেশের বৈঠকের আগে এনিয়ে সরব হলেন উত্তরবঙ্গের পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বক্তব্য, কোনও ভারতীয় পর্যটক ভুটানে বেড়াতে গেলে দৈনিক মাথাপিছু ১২০০ টাকা করে সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট ফি নিচ্ছে ভুটান। একইভাবে এদেশের কোনও গাড়ি যদি ভুটানে যায়, সেক্ষেত্রে দৈনিক সাড়ে চার হাজার টাকা করে ট্যাক্স নেওয়া হচ্ছে ভুটানে। এর জেরে ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসায় কিছুটা মন্দা দেখা দিয়েছে। ডিসেম্বরে দু’দেশের মধ্যে যে প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হোক। পাশাপাশি ভুটানের সঙ্গে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলা মিলিয়ে বেশকিছু ছোটখাট ট্রেড রুট রয়েছে, সেগুলি যাতে কোনওভাবেই বন্ধ না হয়, বৈঠকে আলোচনা হোক তা নিয়েও।
Advertisement
বিষয়টি উত্তরবঙ্গের প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলে জানিয়েছেন ইন্দো-ভুটান ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের (আইবিএফএ) সেক্রেটারি জেনারেল রাজ বসু। জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শমা পারভীন বলেন, ভুটান প্রশাসনের সঙ্গে ১২-১৩ ডিসেম্বর বৈঠক হওয়ার কথা। বৈঠকে আমাদের তরফে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পং জেলা যোগ দেবে। নানা বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে।
উত্তরের পর্যটন ব্যবসায়ীদের দাবি, ভুটান যে সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট ফি চালু করেছে, তা পারো, থিম্পুর জন্য কার্যকর থাকুক। কিন্তু জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার লাগোয়া ভুটানের সামসি, চুখার মতো জেলায় প্রত্যাহার করা হোক ওই ফি। এতে ভারতীয় পর্যটকদের অনেকেই যাঁরা ভুটানে বেড়াতে যেতে চান, কিন্তু চড়া ফি’র কারণে যেতে পারছেন না, তাঁরা যেতে পারবেন। ওই পর্যটকদের একাংশ ভুটানে যাওয়া বা আসার পথে দু’টো দিন ডুয়ার্সে কাটিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করবেন। এতে ডুয়ার্সে পর্যটন ব্যবসা চাঙ্গা হবে।
আইবিএফএ’র সেক্রেটারি জেনারেল তথা উত্তরের পর্যটন ব্যবসায়ী রাজ বসু বলেন, ভুটানের নিজস্ব একটা আকর্ষণ আছে। যা দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন পর্যটকরা। কিন্তু যেভাবে ভুটান ফি চাপিয়েছে, তাতে অনেকেই যেতে পারছেন না। যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা বিমানে সরাসরি পারো কিংবা থিম্পু চলে যাচ্ছেন। আমাদের দাবি, উত্তরবঙ্গ লাগোয়া ভুটানের চুখা, সামসিতে পর্যটকদের ক্ষেত্রে অন্তত তিন রাতের জন্য ফি মকুব করে দেওয়া হোক। এটা হলে উত্তরের বিশেষ করে ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসা অনেকটাই চাঙ্গা হবে।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, এখন ফুন্টশেলিংয়ে ভারতীয় পর্যটকদের জন্য এক রাত সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট ফি ছাড় দেওয়া হয়েছে। এটাই যদি চুখা ও সামসির ক্ষেত্রে করা হয়, তাহলে ডুয়ার্সের উপর দিয়ে পর্যটকদের যাতায়াত অনেকটাই বেড়ে যাবে। এতে লক্ষ্মীলাভ হবে ডুয়ার্সের। দু’দেশের বৈঠকে তাঁদের এই দাবিগুলি তুলে ধরুক প্রশাসন।
উত্তরের পর্যটন ব্যবসায়ীদের দাবি, ভুটান যে সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট ফি চালু করেছে, তা পারো, থিম্পুর জন্য কার্যকর থাকুক। কিন্তু জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার লাগোয়া ভুটানের সামসি, চুখার মতো জেলায় প্রত্যাহার করা হোক ওই ফি। এতে ভারতীয় পর্যটকদের অনেকেই যাঁরা ভুটানে বেড়াতে যেতে চান, কিন্তু চড়া ফি’র কারণে যেতে পারছেন না, তাঁরা যেতে পারবেন। ওই পর্যটকদের একাংশ ভুটানে যাওয়া বা আসার পথে দু’টো দিন ডুয়ার্সে কাটিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করবেন। এতে ডুয়ার্সে পর্যটন ব্যবসা চাঙ্গা হবে।
আইবিএফএ’র সেক্রেটারি জেনারেল তথা উত্তরের পর্যটন ব্যবসায়ী রাজ বসু বলেন, ভুটানের নিজস্ব একটা আকর্ষণ আছে। যা দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন পর্যটকরা। কিন্তু যেভাবে ভুটান ফি চাপিয়েছে, তাতে অনেকেই যেতে পারছেন না। যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা বিমানে সরাসরি পারো কিংবা থিম্পু চলে যাচ্ছেন। আমাদের দাবি, উত্তরবঙ্গ লাগোয়া ভুটানের চুখা, সামসিতে পর্যটকদের ক্ষেত্রে অন্তত তিন রাতের জন্য ফি মকুব করে দেওয়া হোক। এটা হলে উত্তরের বিশেষ করে ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসা অনেকটাই চাঙ্গা হবে।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, এখন ফুন্টশেলিংয়ে ভারতীয় পর্যটকদের জন্য এক রাত সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট ফি ছাড় দেওয়া হয়েছে। এটাই যদি চুখা ও সামসির ক্ষেত্রে করা হয়, তাহলে ডুয়ার্সের উপর দিয়ে পর্যটকদের যাতায়াত অনেকটাই বেড়ে যাবে। এতে লক্ষ্মীলাভ হবে ডুয়ার্সের। দু’দেশের বৈঠকে তাঁদের এই দাবিগুলি তুলে ধরুক প্রশাসন।



