নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: দুর্নীতির অভিযোগে এক পঞ্চায়েতের সেক্রেটারিকে গ্রেপ্তার করেছে সূতি থানার পুলিস। ধৃতের নাম অশোককুমার ঘোষ। তাঁর বাড়ি ফরাক্কার মহাদেবনগর এলাকায়। সূতির বহুতালি পঞ্চায়েতের তিনি সেক্রেটারি ছিলেন। ওই পঞ্চায়েতে প্রায় ২ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন তৃণমূল নেতা এবং পঞ্চায়েতের সেক্রেটারির যোগসাজশে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের বিপুল টাকা গরমিল হয়েছে বলে অভিযোগ। বিষয়টির সত্যতা থাকায় সূতি-১ ব্লকের বিডিও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস গত শনিবার অশোককে গ্রেপ্তার করে। জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে তুলে তাঁকে ছ’দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস। পুলিসি জেরায় একাধিক তথ্য উঠে এসেছে।
Advertisement
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আদালতের সামনে তাঁর গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হবে। এই আর্থিক তছরুপের ঘটনায় আর কারও যোগ আছে কি না, সেই দিকটা আমরা খতিয়ে দেখছি।
সূতি-১ বিডিও অরূপকুমার সাহা বলেন, আমরা ওই পঞ্চায়েতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের মোটা অঙ্কের টাকার গরমিল খুঁজে পেয়েছি। সেই জন্য থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই পুলিস ওঁকে গ্রেপ্তার করেছে। এখন তদন্ত চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ফান্ডের টাকায় যে কাজ হওয়ার কথা ছিল, সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। ওই টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ বাঁটোয়ারা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ওই পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি ছাড়াও আরও ছ’জন এই আর্থিক সুবিধা পেয়েছে। তারা প্রত্যেকেই শাসকদলের নেতা বলে জানা যাচ্ছে। প্রত্যেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ। বিডিওর অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিস গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে জেলা প্রশাসনের কাছে ওই সেক্রেটারির নামে একটি আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ আসে। সেই অভিযোগ জমা পড়তেই প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বিডিওকে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বলা হয়। বিডিও তদন্ত করে প্রাথমিকভাবে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ফান্ডের টাকায় ব্যাপক গরমিল খুঁজে পান। তারপর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ইতিমধ্যে ওই সেক্রেটারিকে সাসপেন্ড করা হয় বলে প্রশাসনের দাবি।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা খুব দ্রুত বিডিওকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছিলাম। তিনি তদন্ত করে গরমিল পান। তারপরই এফআইআর দায়ের করতে বলা হয়। এবার পুলিস গোটা ঘটনার তদন্ত করছে। ওই সেক্রেটারির সঙ্গে আর যারা যুক্ত আছে, তা এবার প্রকাশ পাবে বলেই আশা করছি।
এনিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান ওয়াহিদা খাতুনকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি উত্তর দেননি। বছর খানেক ধরে এই দুর্নীতি হয়েছে। তাই বর্তমান পঞ্চায়েত বোর্ড এবং আগের বোর্ডের কোন কোন সদস্য এই আর্থিক তছরুপের ঘটনায় জড়িত, তা তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন।
সূতি-১ বিডিও অরূপকুমার সাহা বলেন, আমরা ওই পঞ্চায়েতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের মোটা অঙ্কের টাকার গরমিল খুঁজে পেয়েছি। সেই জন্য থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই পুলিস ওঁকে গ্রেপ্তার করেছে। এখন তদন্ত চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ফান্ডের টাকায় যে কাজ হওয়ার কথা ছিল, সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। ওই টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ বাঁটোয়ারা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ওই পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি ছাড়াও আরও ছ’জন এই আর্থিক সুবিধা পেয়েছে। তারা প্রত্যেকেই শাসকদলের নেতা বলে জানা যাচ্ছে। প্রত্যেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ। বিডিওর অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিস গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে জেলা প্রশাসনের কাছে ওই সেক্রেটারির নামে একটি আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ আসে। সেই অভিযোগ জমা পড়তেই প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বিডিওকে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বলা হয়। বিডিও তদন্ত করে প্রাথমিকভাবে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ফান্ডের টাকায় ব্যাপক গরমিল খুঁজে পান। তারপর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ইতিমধ্যে ওই সেক্রেটারিকে সাসপেন্ড করা হয় বলে প্রশাসনের দাবি।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা খুব দ্রুত বিডিওকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছিলাম। তিনি তদন্ত করে গরমিল পান। তারপরই এফআইআর দায়ের করতে বলা হয়। এবার পুলিস গোটা ঘটনার তদন্ত করছে। ওই সেক্রেটারির সঙ্গে আর যারা যুক্ত আছে, তা এবার প্রকাশ পাবে বলেই আশা করছি।
এনিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান ওয়াহিদা খাতুনকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি উত্তর দেননি। বছর খানেক ধরে এই দুর্নীতি হয়েছে। তাই বর্তমান পঞ্চায়েত বোর্ড এবং আগের বোর্ডের কোন কোন সদস্য এই আর্থিক তছরুপের ঘটনায় জড়িত, তা তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন।



