সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: হাঁড়িতে চেপেছিল রান্না। গোটা ঘর ভাত সিদ্ধ হওয়ায় সুগন্ধে ম ম। এরই মাঝে হঠাত্ বিপত্তি। সিলিন্ডারের গ্যাস লিক করে ধরে গেল আগুন। বসন্তের হাওয়ায় সেই আগুন নিমেশেই ছড়িয়ে পড়ল গোটা বাড়িতে। কার্যত পুড়ে ছাই বসতবাড়ি। মঙ্গলবার মাথাভাঙা শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সুভাষপল্লিতে উত্তম বসাকের বাড়িটি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাড়ির মালিকের বক্তব্য, ঘরের সমস্ত সামগ্রী, আসবাব পুড়ে গিয়েছে। দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। বাড়ির এই দশায় কার্যত মাথায় হাত পরিবারের।
Advertisement
অপরদিকে, মাথাভাঙা-২ ব্লকের রুইডাঙা গ্রামপঞ্চায়েতের রামঠেঙা বাজারে সোমবার গভীর রাতে তিনটি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। একটি কাপড়ের দোকান, একটি কসমেটিক্সের দোকান এবং একটি সেলুন পুড়ে গিয়েছে। কসমেটিক ও কাপড়ের দোকানে লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী ছিল। ফালাকাটা থেকে একটি দমকলের ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েকমাস আগে ওই দোকান তিনটি আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। সেই দোকানে ফের আগুন লাগার ঘটনায় কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। দমকল কর্মী ও পুলিস জানিয়েছে, শটসার্কিটের জেরে আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।
মাথাভাঙার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিবশঙ্কর সাহা বলেন, উত্তম বসাকের মা এদিন রান্না করছিলেন। সেই সময় গ্যাসের পাইপ লিক করে আগুন জ্বলতে দেখে তিনি বাইরে বেড়িয়ে আসেন। পরবর্তীতে লোকজন ছুটে যাওয়ার আগেই গোটা বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির ভিতরে পাঁচটি ঘরের সমস্তকিছু পুড়ে গিয়েছে। রামঠেঙা বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সজল বর্মন বলেন, কয়েকমাস আগে আমার দোকান সহ পাশের দু’টি দোকানে আগুন লেগেছিল। সেই সময়ে আমার কয়েক লক্ষ টাকা লোকসান হয়েছিল। ফের আগুন লেগে কয়েকলক্ষ টাকার কাপড় পুড়ে গিয়েছে। কি করে বারবার এমন হচ্ছে, বুঝতে পারছি না। সিসিক্যামেরা লাগানো ছিল। সেটির হার্ডডিক্সও পুড়ে গিয়েছে। রামঠেঙা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক মনোজ অধিকারী বলেন, বারবার বাজার এলাকায় একই ঘটনা হচ্ছে। পুলিসি নজরদারি যেমন নেই, তেমনই বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও নেই। আমরা আতঙ্কে রয়েছি।
এই ব্যাপারে ঘোকসাডাঙা থানার ওসি কাজল দাস বলেন, রামঠেঙা বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে শটসার্কিটের জেরে আগুন লেগেছিল বলে অনুমান। তারপরও আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। নিজস্ব চিত্র।
স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েকমাস আগে ওই দোকান তিনটি আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। সেই দোকানে ফের আগুন লাগার ঘটনায় কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। দমকল কর্মী ও পুলিস জানিয়েছে, শটসার্কিটের জেরে আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।
মাথাভাঙার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিবশঙ্কর সাহা বলেন, উত্তম বসাকের মা এদিন রান্না করছিলেন। সেই সময় গ্যাসের পাইপ লিক করে আগুন জ্বলতে দেখে তিনি বাইরে বেড়িয়ে আসেন। পরবর্তীতে লোকজন ছুটে যাওয়ার আগেই গোটা বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির ভিতরে পাঁচটি ঘরের সমস্তকিছু পুড়ে গিয়েছে। রামঠেঙা বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সজল বর্মন বলেন, কয়েকমাস আগে আমার দোকান সহ পাশের দু’টি দোকানে আগুন লেগেছিল। সেই সময়ে আমার কয়েক লক্ষ টাকা লোকসান হয়েছিল। ফের আগুন লেগে কয়েকলক্ষ টাকার কাপড় পুড়ে গিয়েছে। কি করে বারবার এমন হচ্ছে, বুঝতে পারছি না। সিসিক্যামেরা লাগানো ছিল। সেটির হার্ডডিক্সও পুড়ে গিয়েছে। রামঠেঙা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক মনোজ অধিকারী বলেন, বারবার বাজার এলাকায় একই ঘটনা হচ্ছে। পুলিসি নজরদারি যেমন নেই, তেমনই বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও নেই। আমরা আতঙ্কে রয়েছি।
এই ব্যাপারে ঘোকসাডাঙা থানার ওসি কাজল দাস বলেন, রামঠেঙা বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে শটসার্কিটের জেরে আগুন লেগেছিল বলে অনুমান। তারপরও আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। নিজস্ব চিত্র।



