নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: তালডাংরা উপ নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসতেই রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারের ঝাঁজ বাড়তে শুরু করেছে। নেতানেত্রীদের আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে নভেম্বরেও তালডাংরায় এপ্রিল মাসের উত্তাপ টের পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার তালডাংরায় তৃণমূল ও বিজেপি প্রচারে ঝড় তোলে। এদিন তালাডাংরায় বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ সভা করেন। দু’জনেই বিপক্ষ শিবিরকে তোপ দাগেন।
Advertisement
এদিন বিকেলে তালডাংরা ব্লকের বিবরদা হাটতলায় তৃণমূলের তরফে নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় সায়নী ঘোষ ছাড়াও তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু, দলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী, বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায়, জেলা চেয়ারম্যান অলকা সেনমজুমদার সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সায়নী বলেন, নির্বাচন এলেই বিজেপিকে দেখা যায়। কিন্তু প্রবল বর্ষা বা বন্যার সময় বিজেপিকে দেখা যায় না। ওইসময় বিজেপি ঘরের ভিতরে থাকে। ভোটের সময় এসে ভালোবাসা দেখায়। কিন্তু ভোট মিটতেই আর তাদের পাত্তা পাওয়া যায় না। আবাস যোজনায় কেন্দ্রের বাড়ি দেওয়ার কথা। কিন্তু, এক পয়সাও দেয় না। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন আছেন, ততদিন চিন্তার কিছু নেই। মুখ্যমন্ত্রী মা-বোনেদের মাথার উপর ছাদ তৈরি করে দেবেন। তিনি বাড়ির সামনে পাকা রাস্তা করে দেবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন। বিভিন্ন প্রয়োজনে একসময় মা-বোনেদের স্বামীর কাছে টাকা চাইতে হতো। চেয়েও টাকা না পেয়ে মায়েদের মনে কষ্ট হতো। কিন্তু এখন আর তা হয় না। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু হওয়ার পর স্বামীরাই উল্টে স্ত্রী’দের কাছ থেকে টাকা চায়। এদিন সিপিএমকেও সায়নী চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন।
এদিন সন্ধ্যায় তালডাংরা পান মার্কেটে সুকান্তবাবু সভা করেন। তার আগে দলের প্রার্থী অনন্যা রায় চক্রবর্তীকে নিয়ে বিজেপি সভাপতি রোড শো করেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার, বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি-র বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সুকান্তবাবু বলেন, মানুষের রায় আমরা মাথা পেতে নেব। কিন্তু, তৃণমূল ভোটারদের বাধা দিতে এলে ঝান্ডার ডান্ডা দিয়ে উপযুক্ত ‘ট্রিটমেন্ট’ করবেন। বাকিটা আমরা বুঝে নেব। বাংলায় কাজ নেই। ফলে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে এরাজ্যের যুবকরা অন্যরাজ্যে যাচ্ছে। তৃণমূল এরাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় প্রকল্প এরাজ্যে চালু করতে দেয়নি। তারফলে রাজ্যবাসী সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এরাজ্যে সর্বত্র অরাজকতা চলছে। তৃণমূলকে সবক শেখাতে বিজেপিকে জেতাতে হবে।
এদিন কংগ্রেস ও সিপিএমও প্রচার করেছে। সিমলাপালের লক্ষ্মীসাগর অঞ্চলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ও পর্যবেক্ষক আসিফ আলি খাঁ দলের প্রার্থী তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহীর সমর্থনে রোড শো করেন। ওই কর্মসূচিতে জেলা কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য নেতানেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। সিপিএম প্রার্থী দেবকান্তি মোহান্তি এদিন দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে সিমলাপালের মণ্ডলগ্রাম অঞ্চলে প্রচার সারেন। তিনি এদিন মূলত বাড়ি বাড়ি প্রচারের উপর জোর দেন।
এদিন সন্ধ্যায় তালডাংরা পান মার্কেটে সুকান্তবাবু সভা করেন। তার আগে দলের প্রার্থী অনন্যা রায় চক্রবর্তীকে নিয়ে বিজেপি সভাপতি রোড শো করেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার, বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি-র বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সুকান্তবাবু বলেন, মানুষের রায় আমরা মাথা পেতে নেব। কিন্তু, তৃণমূল ভোটারদের বাধা দিতে এলে ঝান্ডার ডান্ডা দিয়ে উপযুক্ত ‘ট্রিটমেন্ট’ করবেন। বাকিটা আমরা বুঝে নেব। বাংলায় কাজ নেই। ফলে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে এরাজ্যের যুবকরা অন্যরাজ্যে যাচ্ছে। তৃণমূল এরাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় প্রকল্প এরাজ্যে চালু করতে দেয়নি। তারফলে রাজ্যবাসী সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এরাজ্যে সর্বত্র অরাজকতা চলছে। তৃণমূলকে সবক শেখাতে বিজেপিকে জেতাতে হবে।
এদিন কংগ্রেস ও সিপিএমও প্রচার করেছে। সিমলাপালের লক্ষ্মীসাগর অঞ্চলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ও পর্যবেক্ষক আসিফ আলি খাঁ দলের প্রার্থী তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহীর সমর্থনে রোড শো করেন। ওই কর্মসূচিতে জেলা কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য নেতানেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। সিপিএম প্রার্থী দেবকান্তি মোহান্তি এদিন দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে সিমলাপালের মণ্ডলগ্রাম অঞ্চলে প্রচার সারেন। তিনি এদিন মূলত বাড়ি বাড়ি প্রচারের উপর জোর দেন।



