সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: সোমবারও শিলিগুড়ি প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লিগের খেলা অমীমাংসিত থাকল। এসএসবি এবং সরোজিনী সঙ্ঘের খেলাটি এদিন ২-২ গোলে শেষ হয়। লিগের প্রথম তিনটি ম্যাচের নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভাড়াটে ফুটবলার খেলানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠল।
Advertisement
অভিযোগ, কমবেশি সব ক্লাবই বহিরাগত ফুটবলার নিয়ে দল গড়ে। এরজন্য ক্লাবগুলিকে প্রচুর টাকা খরচ করতে হয়। কিন্তু এভাবে খেতাব জিতে শিলিগুড়ির ফুটবলের কি লাভ হচ্ছে? শিলিগুড়ি ফুটবলকে বাঁচাতে ভাড়াটে ফুটবলার বন্ধ করে ঘরোয়া ফুটবলারদের খেলার সুযোগ দেওয়ার দাবিতে জোটবদ্ধ হতে চলেছেন কোচরা।
শুধু শিলিগুড়ি নয়, উত্তরবঙ্গব্যাপী লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোচেরা নিজেদের আলাদা সংগঠন করার প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন। এই সংগঠন স্থানীয় ফুটবলারকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। সেক্ষেত্রে জেলার ফুটবল লিগে ঘরের ছেলেদের খেলানো বাধ্যতামূলক করার ব্যাপারে তারা সর্বোচ্চ পর্যায়ে আবেদন জানাবে বলে জানান সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কোচ এডুকেটর জয়ব্রত ঘোষ।
শিলিগুড়ির পুরনো ও সফল ফুটবল কোচিং সেন্টার ওইনার্স ক্লাবের। তারা ছেলেদের সঙ্গে মেয়েদেরও কোচিং সাফল্যের সঙ্গে চালাচ্ছে। শহরের অনেক কোচিং ক্যাম্প বন্ধ হয়ে গেলেও উইনার্স কোচিং ক্যাম্প নানা ঘাত-প্রতিঘাত কাটিয়ে এগিয়ে চলেছে। অনেক ভালো ভালো ফুটবলারও তৈরি হচ্ছে। আর এখানেই আক্ষেপ উইনার্সের প্রধান ফুটবল কোচ কার্তিক মজুমদারের। তিনি বলেন, খেলার সুযোগই যদি না থাকে তাহলে ফুটবলার তৈরি করে কি লাভ? জেলা তথা ঘরের ফুটবল লিগে বাইরের ফুটবলার খেলানো বন্ধ না করলে শিলিগুড়ির ফুটবলকে বাঁচানো যাবে না।
কার্তিকবাবু আরও বলেন, স্থানীয় কোনও স্কুল থেকে লিখে এনে বাইরের ছেলেমেয়েরা এখানে ফুটবল খেলে যাচ্ছে। এতদিন ফুটবলার ভাড়া করে আনা হতো। এবার দেখছি রেফারিও বাইরে থেকে আনা হয়েছে। সবই যদি বাইরে থেকে আনা হয়, তাহলে ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তাদেরও এবার বাইরে থেকে আনা হোক।
লাইসেন্স প্রাপ্ত কোচ কবি সরকার বলেন, শিলিগুড়ির ফুটবলকে বাঁচাতে হলে অবিলম্বে বাইরের ফুটবলার খেলানো বন্ধ করতে হবে। এতে শহরের টাকা বাইরে যাবে না। অনেক কম খরচে ক্লাবগুলি দল করতে পারবে। ঘরের ছেলেরা খেলার সুযোগ এবং হাতে কিছু অর্থও পাবে। আমরা ফুটবলার তৈরি করি, কিন্তু ঘরের মাঠে তাদের খেলার সুযোগ দিতে পারছি না।
শুধু শিলিগুড়ি নয়, উত্তরবঙ্গব্যাপী লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোচেরা নিজেদের আলাদা সংগঠন করার প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন। এই সংগঠন স্থানীয় ফুটবলারকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। সেক্ষেত্রে জেলার ফুটবল লিগে ঘরের ছেলেদের খেলানো বাধ্যতামূলক করার ব্যাপারে তারা সর্বোচ্চ পর্যায়ে আবেদন জানাবে বলে জানান সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কোচ এডুকেটর জয়ব্রত ঘোষ।
শিলিগুড়ির পুরনো ও সফল ফুটবল কোচিং সেন্টার ওইনার্স ক্লাবের। তারা ছেলেদের সঙ্গে মেয়েদেরও কোচিং সাফল্যের সঙ্গে চালাচ্ছে। শহরের অনেক কোচিং ক্যাম্প বন্ধ হয়ে গেলেও উইনার্স কোচিং ক্যাম্প নানা ঘাত-প্রতিঘাত কাটিয়ে এগিয়ে চলেছে। অনেক ভালো ভালো ফুটবলারও তৈরি হচ্ছে। আর এখানেই আক্ষেপ উইনার্সের প্রধান ফুটবল কোচ কার্তিক মজুমদারের। তিনি বলেন, খেলার সুযোগই যদি না থাকে তাহলে ফুটবলার তৈরি করে কি লাভ? জেলা তথা ঘরের ফুটবল লিগে বাইরের ফুটবলার খেলানো বন্ধ না করলে শিলিগুড়ির ফুটবলকে বাঁচানো যাবে না।
কার্তিকবাবু আরও বলেন, স্থানীয় কোনও স্কুল থেকে লিখে এনে বাইরের ছেলেমেয়েরা এখানে ফুটবল খেলে যাচ্ছে। এতদিন ফুটবলার ভাড়া করে আনা হতো। এবার দেখছি রেফারিও বাইরে থেকে আনা হয়েছে। সবই যদি বাইরে থেকে আনা হয়, তাহলে ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তাদেরও এবার বাইরে থেকে আনা হোক।
লাইসেন্স প্রাপ্ত কোচ কবি সরকার বলেন, শিলিগুড়ির ফুটবলকে বাঁচাতে হলে অবিলম্বে বাইরের ফুটবলার খেলানো বন্ধ করতে হবে। এতে শহরের টাকা বাইরে যাবে না। অনেক কম খরচে ক্লাবগুলি দল করতে পারবে। ঘরের ছেলেরা খেলার সুযোগ এবং হাতে কিছু অর্থও পাবে। আমরা ফুটবলার তৈরি করি, কিন্তু ঘরের মাঠে তাদের খেলার সুযোগ দিতে পারছি না।



