সংবাদদাতা, রামপুরহাট: লক্ষ্য ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। সেই ভোটে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে অন্যান্য দলকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে। রবিবার রামপুরহাটের দলীয় কার্যালয়ে শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ও নেতাদের নিয়ে বৈঠকে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। শহরে সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে এখন থেকেই ওয়ার্ড সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিলেন তিনি।
Advertisement
রামপুরহাট শহরে পিছিয়ে পড়ার তকমা ঘোচাতে এবার অনেক আগে থেকেই ময়দানে নেমেছে তৃণমূল। গত অক্টোবর মাসে শহর সভাপতির পদ থেকে পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকতকে সরিয়ে দায়িত্বে দেওয়া হয় ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সৈয়দ সিরাজ জিম্মিকে। ওয়ার্ড ভিত্তিক ইলেকশন কমিটি গড়া হয়। এরই মধ্যে বীরভূম লোকসভার সাতটি বিধানসভার মধ্যে সর্বাধিক লিড যাতে রামপুরহাট বিধানসভায় হয়, সেটা নিশ্চিত করতে বলেছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লিড না থাকলে পদ থাকবে না সেই বার্তাও দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরও শহরে ৭৩২৭ ভোটে বিজেপির থেকে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে শুধুমাত্র তিনটি ওয়ার্ডে এগিয়ে শাসকদল। খোদ শহর সভাপতির ওয়ার্ডে ৩৭৬টি ভোটে বিজেপি এগিয়ে। ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ১১৯৭, ৮-এ ১১৮১, ১৬ তে ৮৮৫ ও ৭-এ ৮৭৬ ভোটে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। অথচ শহরজুড়ে উন্নয়নের কোনও খামতি নেই। তৃণমূল সূত্রের খবর, এই হারের পিছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। বহুতল নির্মাণের ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের অভিযোগকে গুরুত্ব না দিয়ে প্রমোটারদের স্বার্থকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। দলের কেউ কেউ আবার সরাসরি প্রমোটারদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। কার্যত জোড়াফুলের পতাকাকে হাতিয়ার করে টাকা তোলায় নেমেছেন তাঁরা। কোনও কাজ না করেও ফুলেফেঁপে উঠেছেন তাঁরা। তাঁদের হাবভাবই পাল্টে গিয়েছে। সাধারণ মানুষ থেকে দলের কর্মীরা সমস্যা নিয়ে তাঁদের কাছে গেলে বিরক্ত হয়ে তাঁরা লাল চোখ দেখান। সেজন্য এলাাকার মানুষ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছে। এছাড়া কয়েকজন নিষ্ক্রিয় থেকে সাবোতাজও করেছেন। গত জুন মাসে হারের পর্যালোচনায় বসে এমনই নানা বিষয় উঠে আসে। বৈঠকে কাউন্সিলারদের ক্ষমতা খর্ব করেন দলের চেয়ারম্যান। ঠিক হয় কাউন্সিলাররা নিজের খেয়ালখুশি মতো ওয়ার্ডে কাজ করতে পারবেন না। পুরসভাকে জানিয়ে সব কাজ করতে হবে।
সম্প্রতি শহরের কমিটিতে ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে। কমিটির সদস্য সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে। এরই মধ্যে এদিন শহর এবং ওয়ার্ড সভাপতি, কাউন্সিলার, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের নিয়ে বৈঠকে বসেন আশিসবাবু। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ওয়ার্ড ভিত্তিক কর্মী সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। খুব শীঘ্রই সেই সম্মেলন শেষ করতে হবে। যাঁরা নিষ্ক্রিয় বা অভিমান করে বসে আছেন, তাঁদের দলের বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এবং বুথ সভাপতিদের মধ্যে যাঁরা নিষ্ক্রিয় রয়েছেন, তাঁদের সরিয়ে নতুন মুখ আনতে হবে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর রামপুরহাট বিধানসভার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী সদস্যদের নিয়ে সম্মেলন করা হবে।
আশিসবাবু বলেন, যেখানে নলহাটি, দুবরাজপুর, সাঁইথিয়া, সিউড়ি শহর থেকে দল লিড পেয়েছে। সেখানে রামপুরহাট শহর থেকে কেন লিড আসবে না? উন্নয়ন যথেষ্ট হয়েছে। আগামী বিধানসভায় যাতে শহরে ভালো ফল হয়, সেজন্য এখন থেকেই সংগঠন বৃদ্ধিতে ময়দানে নামার জন্য নেতাদের বলা হয়েছে।
সম্প্রতি শহরের কমিটিতে ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে। কমিটির সদস্য সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে। এরই মধ্যে এদিন শহর এবং ওয়ার্ড সভাপতি, কাউন্সিলার, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের নিয়ে বৈঠকে বসেন আশিসবাবু। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ওয়ার্ড ভিত্তিক কর্মী সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। খুব শীঘ্রই সেই সম্মেলন শেষ করতে হবে। যাঁরা নিষ্ক্রিয় বা অভিমান করে বসে আছেন, তাঁদের দলের বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এবং বুথ সভাপতিদের মধ্যে যাঁরা নিষ্ক্রিয় রয়েছেন, তাঁদের সরিয়ে নতুন মুখ আনতে হবে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর রামপুরহাট বিধানসভার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী সদস্যদের নিয়ে সম্মেলন করা হবে।
আশিসবাবু বলেন, যেখানে নলহাটি, দুবরাজপুর, সাঁইথিয়া, সিউড়ি শহর থেকে দল লিড পেয়েছে। সেখানে রামপুরহাট শহর থেকে কেন লিড আসবে না? উন্নয়ন যথেষ্ট হয়েছে। আগামী বিধানসভায় যাতে শহরে ভালো ফল হয়, সেজন্য এখন থেকেই সংগঠন বৃদ্ধিতে ময়দানে নামার জন্য নেতাদের বলা হয়েছে।



