সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: নিজেদের এলাকা উন্নয়নে বিজেপির বিধায়ক এবং সাংসদরা কী কাজ করেছেন, তা জানতে চাওয়ার জন্য নাগরিকদের জোটবদ্ধ হওয়ার ডাক দিলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় বিজেপির বিধায়ক এবং সাংসদ বিপুল ভোটে জিতলেও এই এলাকার জন্য কাজ করছেন না বলে অভিযোগ। তাই এই বিধানসভা এলাকার শিলিগুড়ি পুরসভার সংযোজিত অংশের নাগরিকরা উন্নয়নের জন্য শিলিগুড়ির মেয়রের দ্বারস্থ হচ্ছেন বলে দাবি।
Advertisement
শনিবার শিলিগুড়ি পুরসভার টক টু মেয়র ফোনইন লাইভ অনুষ্ঠানে পুরসভার সংযোজিত এলাকার ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের এক নাগরিক এলাকার বেহাল রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য মেয়রকে ফোন করেন।
তাঁর জবাবে মেয়র ওই নাগরিককে বলেন, চার বছরে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভার বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায় কোনও কাজই করেননি। এলাকার সাংসদ বিজেপির ডাঃ জয়ন্ত রায় ফের এই বিধানসভা এলাকা থেকে বিপুল ভোটে পেয়ে জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ গত ছয় বছরে তিনি এই অঞ্চলের জন্য কাজ করেননি। এলাকার মানুষের ভোটে জিতবেন অথচ সেই এলাকার জন্য কাজ করবে না, এটা হতে পারে না। একথা জানিয়ে তিনি ওই নাগরিকের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সাধারণ মানুষই অসাধারণ। সবাই জোটবদ্ধ বিজেপির বিধায়ক ও সাংসদকে জিজ্ঞেস করুন, তাঁরা এলাকার উন্নয়নে কী কাজ করেছেন। ভোট পেয়ে যাবেন এলাকার জন্য কাজ করবেন না, এটা চলতে পারে না। আপনারা চাপ সৃষ্টি করুন। পুরসভার তরফে আমরা অবশ্যই দায়বদ্ধতা থেকে উন্নয়নের কাজ করব।
এদিন প্রকাশ্যে মেয়রের এহেন বক্তব্যে রাজনৈতিক মহলের শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও মেয়র তাঁর এই বক্তব্যে অন্যায় কিছু দেখছেন না। তাঁর বক্তব্য, এলাকার উন্নয়নের জন্য বিধায়ক ও সাংসদরা টাকা পান। বিজেপি ভোটের সময় নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে, অথচ সেই এলাকার উন্নয়নে তাঁরা কাজ করবে না, এটা চলতে পারে না।মেয়রের এই বক্তব্য প্রসঙ্গে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা কাজ করছি। কিন্তু, শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকায় তৃণমূলের মেয়র, বিজেপি বিধায়ককে এলাকার উন্নয়ন তহবিলের টাকায় কাজ করতে বাধা সৃষ্টি করছেন। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পুরসভায় চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন তাঁর তহবিলের টাকায় শহরের উন্নয়নের কাজ করা হোক। কিন্তু তৃণমূলের বোর্ড তাতেও কোনও সাড়া দেয়নি।
বিজেপি বিধায়কের এই বক্তব্যের পাল্টা প্রতিবাদ করে মেয়রের মন্তব্য, শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক নাটক করছেন। আসলে ওরা কাজই করতে চায় না। তাই নাটক করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে চাইছেন। বিধায়কের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকায় কাজ করতে গেলে মেয়রকে নয়, নিয়ম মেনে কোনও এজেন্সির মাধ্যমে কাজ হবে তা জানিয়ে জেলাশাসকের কাছে কাজের খসড়া প্রস্তাব জমা দিতে হবে। সেই মতো জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিধায়ক এবং সাংসদদের এলাকার উন্নয়নের তহবিলের টাকায় উন্নয়নের কাজ হয়। কিন্তু বিজেপির বিধায়ক, সাংসদরা এই এলাকার কাজের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম না মেনেই নিজেদের মতো করে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছেন।
তাঁর জবাবে মেয়র ওই নাগরিককে বলেন, চার বছরে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভার বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায় কোনও কাজই করেননি। এলাকার সাংসদ বিজেপির ডাঃ জয়ন্ত রায় ফের এই বিধানসভা এলাকা থেকে বিপুল ভোটে পেয়ে জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ গত ছয় বছরে তিনি এই অঞ্চলের জন্য কাজ করেননি। এলাকার মানুষের ভোটে জিতবেন অথচ সেই এলাকার জন্য কাজ করবে না, এটা হতে পারে না। একথা জানিয়ে তিনি ওই নাগরিকের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সাধারণ মানুষই অসাধারণ। সবাই জোটবদ্ধ বিজেপির বিধায়ক ও সাংসদকে জিজ্ঞেস করুন, তাঁরা এলাকার উন্নয়নে কী কাজ করেছেন। ভোট পেয়ে যাবেন এলাকার জন্য কাজ করবেন না, এটা চলতে পারে না। আপনারা চাপ সৃষ্টি করুন। পুরসভার তরফে আমরা অবশ্যই দায়বদ্ধতা থেকে উন্নয়নের কাজ করব।
এদিন প্রকাশ্যে মেয়রের এহেন বক্তব্যে রাজনৈতিক মহলের শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও মেয়র তাঁর এই বক্তব্যে অন্যায় কিছু দেখছেন না। তাঁর বক্তব্য, এলাকার উন্নয়নের জন্য বিধায়ক ও সাংসদরা টাকা পান। বিজেপি ভোটের সময় নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে, অথচ সেই এলাকার উন্নয়নে তাঁরা কাজ করবে না, এটা চলতে পারে না।মেয়রের এই বক্তব্য প্রসঙ্গে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা কাজ করছি। কিন্তু, শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকায় তৃণমূলের মেয়র, বিজেপি বিধায়ককে এলাকার উন্নয়ন তহবিলের টাকায় কাজ করতে বাধা সৃষ্টি করছেন। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পুরসভায় চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন তাঁর তহবিলের টাকায় শহরের উন্নয়নের কাজ করা হোক। কিন্তু তৃণমূলের বোর্ড তাতেও কোনও সাড়া দেয়নি।
বিজেপি বিধায়কের এই বক্তব্যের পাল্টা প্রতিবাদ করে মেয়রের মন্তব্য, শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক নাটক করছেন। আসলে ওরা কাজই করতে চায় না। তাই নাটক করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে চাইছেন। বিধায়কের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকায় কাজ করতে গেলে মেয়রকে নয়, নিয়ম মেনে কোনও এজেন্সির মাধ্যমে কাজ হবে তা জানিয়ে জেলাশাসকের কাছে কাজের খসড়া প্রস্তাব জমা দিতে হবে। সেই মতো জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিধায়ক এবং সাংসদদের এলাকার উন্নয়নের তহবিলের টাকায় উন্নয়নের কাজ হয়। কিন্তু বিজেপির বিধায়ক, সাংসদরা এই এলাকার কাজের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম না মেনেই নিজেদের মতো করে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছেন।



