নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনে দলের একটা লবি হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হারের ব্যবধান কমানোই একমাত্র লক্ষ্য বিজেপির। প্রকাশ্যে না হলেও, ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় অনেক বিজেপি নেতাই বলছেন, জয়ের কোনও আশাই আমরা দেখছি না। কারণ দলের একটা অংশ এখনও ভোটের ময়দানেই নামেনি। অপরদিকে, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে জয়ের মার্জিন বাড়াতে চাইছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই প্রতিটি বুথে বিশেষ অবজারভার নিয়োগ করেছে শাসকদল। গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই বিজেপি পিছিয়ে পড়ছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
Advertisement
তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা উপ নির্বাচনের প্রার্থী সুজয় হাজরা বলেন, গোষ্ঠী কোন্দল থেকেই বিজেপির পরিচিতি। আমাদের পরিচিতি এলাকার উন্নয়ন করে। মানুষের সামনে প্রচারে গিয়ে সেই কথাই তুলে ধরা হচ্ছে। আজকে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। কিন্তু মানুষের প্রশ্নের উত্তরে কোনও বিজেপি নেতাকর্মী বলতে পারবেন না, শেষ দশ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার এই বাংলার মানুষের জন্য কী কাজ করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকেই জেলাজুড়ে বিজেপির প্রভাব বাড়তে থাকে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করে বিজেপির দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষের জনপ্রিয়তা। মূলত দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বেই গ্রামীণ এলাকায় বুথে বুথে সংগঠন বাড়তে শুরু করেছিল। যার ফলস্বরূপ পঞ্চায়েত ভোটে বেশ ভালো ফল করে বিজেপি। এরপর লোকসভা ভোটেও দিলীপবাবুর নেতৃত্বে গেরুয়া শিবির বাজিমাত করে। মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ জয়ী হন। কিন্তু একুশের বিধানসভা ভোটের সময় থেকেই দিলীপের রাশ টানতে শুরু করে দল। বরং জেলা বিজেপিতে তৃণমূল থেকে আসা তৎকাল বিজেপি নেতাদের প্রভাব বাড়তে থাকে। একুশের নির্বাচনে ধরাশায়ী হওয়ার পর থেকে দিলীপবাবুর রাশ আরও টেনে ধরে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। এমনকী গত লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর আসন থেকে দিলীপবাবুকে টিকিটও দেয়নি দল। যা জেলা বিজেপির একাংশ ভালো চোখে দেখেনি। এরপর উপ নির্বাচনেও তৃণমূল থেকে আগত এক তৎকাল বিজেপি নেতার লবি থেকেই টিকিট পান শুভজিৎ রায় (বান্টি)। এর ফলে ক্ষুব্ধ হন দিলীপ গোষ্ঠীর নেতারা। মূলত উপ নির্বাচনে দিলীপবাবুর প্রাধান্য কমে যাওয়ায় দিলীপ গোষ্ঠীর অনেকেই প্রচারে নেই বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
এক বিজেপি নেতা বলেন, অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনামাফিক প্রার্থী বাছাই করা উচিত ছিল। প্রার্থী বাছাইয়ের সময়ে দলের একাংশের মতামত নেওয়া হয়নি। ভোটে দিলীপবাবুর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো উচিত ছিল। দলের একাংশ বসে যাওয়ায় প্রচারে তেমন ঝাঁঝ নেই। কোনও কর্মসূচি ঘোষণা হলে, আগে দেখা হচ্ছে কোন গোষ্ঠী ডেকেছে। অপর গোষ্ঠীর কেউ কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছে না। এনিয়ে রাজ্য নেতৃত্বও উদাসীন। সমস্যার সমাধানে কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না। বরং দলের অন্দরে আলোচনা হচ্ছে প্রার্থী কত ভোটে হারবে। কেউ বলছেন ৫০ হাজার, আবার কেউ বলছেন, ২০ হাজার। তবে জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, তৃণমূল নিজেদের কোন্দলের দিকে মন দিক। আমার প্রশ্ন, কেন জুন মালিয়া এখনও প্রচারে আসছেন না। এছাড়াও পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খানকে প্রচারে দেখা যাচ্ছে না কেন। নিজের ঘরের বউ পালিয়ে গেলে, অন্যের দিকে নজর না দেওয়াই ভালো। উপ নির্বাচনে তৃণমূলের হার নিশ্চিত।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকেই জেলাজুড়ে বিজেপির প্রভাব বাড়তে থাকে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করে বিজেপির দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষের জনপ্রিয়তা। মূলত দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বেই গ্রামীণ এলাকায় বুথে বুথে সংগঠন বাড়তে শুরু করেছিল। যার ফলস্বরূপ পঞ্চায়েত ভোটে বেশ ভালো ফল করে বিজেপি। এরপর লোকসভা ভোটেও দিলীপবাবুর নেতৃত্বে গেরুয়া শিবির বাজিমাত করে। মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ জয়ী হন। কিন্তু একুশের বিধানসভা ভোটের সময় থেকেই দিলীপের রাশ টানতে শুরু করে দল। বরং জেলা বিজেপিতে তৃণমূল থেকে আসা তৎকাল বিজেপি নেতাদের প্রভাব বাড়তে থাকে। একুশের নির্বাচনে ধরাশায়ী হওয়ার পর থেকে দিলীপবাবুর রাশ আরও টেনে ধরে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। এমনকী গত লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর আসন থেকে দিলীপবাবুকে টিকিটও দেয়নি দল। যা জেলা বিজেপির একাংশ ভালো চোখে দেখেনি। এরপর উপ নির্বাচনেও তৃণমূল থেকে আগত এক তৎকাল বিজেপি নেতার লবি থেকেই টিকিট পান শুভজিৎ রায় (বান্টি)। এর ফলে ক্ষুব্ধ হন দিলীপ গোষ্ঠীর নেতারা। মূলত উপ নির্বাচনে দিলীপবাবুর প্রাধান্য কমে যাওয়ায় দিলীপ গোষ্ঠীর অনেকেই প্রচারে নেই বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
এক বিজেপি নেতা বলেন, অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনামাফিক প্রার্থী বাছাই করা উচিত ছিল। প্রার্থী বাছাইয়ের সময়ে দলের একাংশের মতামত নেওয়া হয়নি। ভোটে দিলীপবাবুর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো উচিত ছিল। দলের একাংশ বসে যাওয়ায় প্রচারে তেমন ঝাঁঝ নেই। কোনও কর্মসূচি ঘোষণা হলে, আগে দেখা হচ্ছে কোন গোষ্ঠী ডেকেছে। অপর গোষ্ঠীর কেউ কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছে না। এনিয়ে রাজ্য নেতৃত্বও উদাসীন। সমস্যার সমাধানে কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না। বরং দলের অন্দরে আলোচনা হচ্ছে প্রার্থী কত ভোটে হারবে। কেউ বলছেন ৫০ হাজার, আবার কেউ বলছেন, ২০ হাজার। তবে জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, তৃণমূল নিজেদের কোন্দলের দিকে মন দিক। আমার প্রশ্ন, কেন জুন মালিয়া এখনও প্রচারে আসছেন না। এছাড়াও পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খানকে প্রচারে দেখা যাচ্ছে না কেন। নিজের ঘরের বউ পালিয়ে গেলে, অন্যের দিকে নজর না দেওয়াই ভালো। উপ নির্বাচনে তৃণমূলের হার নিশ্চিত।



