সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পর মালদহ ও উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মীরা ভূতুড়ে ভোটার খুঁজতে বাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু করে দিয়েছেন। এদিকে পড়শি দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর নিয়ে নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো একাধিক বার অভিযোগ করার পরেও জেলা নেতৃত্বের যেন হেলদোল নেই। জেলা কমিটি কীভাবে ভূতুড়ে ভোটার খুঁজে রাজ্যে রিপোর্ট পাঠাবে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও দিশা নেই। চার দিন কেটে গেলেও কবে নেতৃত্ব নিচুতলার কর্মীদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাবেন, তা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেই প্রশ্ন। তবে কি সাংগঠনিক রদবদলের দিকে তাকিয়ে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব? ২৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার সম্মেলন শেষ করে এক এক করে নেতৃত্ব জেলায় ফেরা শুরু করেছে। সূত্রের খবর, আগামী মঙ্গলবার জেলা তৃণমূল সাংগঠনিক মিটিং করে ভূতুড়ে ভোটার খুঁজতে নামবে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী গঙ্গারামপুর নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সরকারি কর্মী তাসলিম মিঞার ভোটার কার্ড নিয়ে অভিযোগ করলেও জেলা তৃণমূলের তরফে একজনও তাঁর তথ্য সংগ্রহ করেনি বলে অভিযোগ। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করার পরেই ওই ব্যক্তি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। তবুও কেন তৃণমূল হাত গুটিয়ে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা। তাসলিম বলেন, আমার এপিক নম্বরে দুজন রয়েছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিষয়টি ভীষণ উদ্বেগের। আমি ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্য নির্বাচন কমিশন, জেলা প্রশাসনকে ইমেলে অভিযোগ করেছি। মমতা তাঁর দলের নেতা, কর্মীদের ভূতুড়ে ভোটার খুঁজে বের করার কথা বললেও আমার বাড়িতে তৃণমূলের কেউ এসে তথ্য সংগ্রহ করেননি।
Advertisement
এপ্রসঙ্গে জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, মিটিং করে শীঘ্রই কর্মীদের মাঠে নামিয়ে দেব। আমাদের কর্মীরা কাজ করছেন। সাংগঠনিক বৈঠক করে জেলার সমস্ত নেতৃত্বের মতামত অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ করে রাজ্যে ভূতুড়ে ভোটারের তথ্য পাঠাব।
একাংশ নেতৃত্ব কলকাতার সাংগঠনিক মিটিং করে জেলায় ফিরছেন। সকল নিয়েই বসা হবে। রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক গৌতম দাসের কথায়, জেলা তৃণমূল সভাপতির উচিত ছিল সাংগঠনিক মিটিং করে ভূতুড়ে ভোটার খোঁজার কাজ শুরু করে দেওয়া। কেন তিনি সেটা করছেন না বুঝতে পারছি না।
এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য মৃণাল সরকার বলেন, নন্দনপুর এলাকার একাধিক ভূতুড়ে ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করেছি। সেই তথ্য কোথায় পাঠাতে হবে, জেলা কমিটির মিটিং না হওয়ায় তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
একাংশ নেতৃত্ব কলকাতার সাংগঠনিক মিটিং করে জেলায় ফিরছেন। সকল নিয়েই বসা হবে। রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক গৌতম দাসের কথায়, জেলা তৃণমূল সভাপতির উচিত ছিল সাংগঠনিক মিটিং করে ভূতুড়ে ভোটার খোঁজার কাজ শুরু করে দেওয়া। কেন তিনি সেটা করছেন না বুঝতে পারছি না।
এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য মৃণাল সরকার বলেন, নন্দনপুর এলাকার একাধিক ভূতুড়ে ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করেছি। সেই তথ্য কোথায় পাঠাতে হবে, জেলা কমিটির মিটিং না হওয়ায় তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।



