সংবাদদাতা, দিনহাটা: ভেষজ উদ্ভিদ চাষে সম্ভাবনা বাড়ছে উত্তরবঙ্গে। এই এলাকার মাটিতে রাসায়নিক সারের প্রয়োজন কম। জৈব পদ্ধতিতে চাষেই মিলছে সাফল্য। বৈদেশিক বাজারে এই এলাকার ভেষজ উপাদানের চাহিদা বড়ছে। অনেকেই বন থেকে ভেষজপণ্য সংগ্রহ করছেন। সেগুলি রপ্তানি করা হচ্ছে বাইরে। সেই কারণে বনজসম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। ভেষজপণ্য চাষে উৎসাহ দিতেই বুধবার কর্মশালা করা হয় দিনহাটায়।
Advertisement
জাতীয় ভেষজ উদ্ভিদ পর্ষদের উদ্যোগে কর্মশালায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা সহ স্থানীয় কৃষক, শিক্ষক, ছাত্রছাত্রীরা ছিলেন। তাঁদের ভেষজ উদ্ভিদ চাষ সহ তার সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়। উত্তরবঙ্গের মাটিতে এর ফলন ভালো হয়। পাশেই গুয়াহাটিতে সর্পগন্ধা প্রচুর পরিমাণ জমিতে চাষ হচ্ছে। অসম সংলগ্ন কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারেও ভেষজ উদ্ভিদের চাষ ভালো হতে পারে। তেজপাতা, আমলকি, হরতকি প্রভৃতির চাষ বাড়ছে ধীরে ধীরে। উত্তরের ডুয়ার্স আর পাহাড়ের জঙ্গলে জবা সহ বিভিন্ন ভেষজ উদ্ভিদের প্রাচুর্য রয়েছে। বিশ্বজুড়ে বাড়তি চাহিদার জন্য জঙ্গল সংলগ্ন মানুষ এগুলি বন থেকে তুলে নিয়ে আসছে। সেগুলি বাণিজ্যিকভাবে রপ্তানি করা হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। জৈবিক পদ্ধতিতে উৎপন্ন হওয়া ভেষজ উদ্ভিদের চাহিদাও রয়েছে প্রচুর। সেই কারণে অতি দ্রুত বনজসম্পদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ। বিশ্ববাজারে এর চাহিদা পূরণে উৎপাদনই হতে পারে বিকল্প। এগুলি চাষের জন্য যোগ্য পরিবেশ রয়েছে উত্তরবঙ্গে। সেই কারণেই চাষিদের বুঝিয়ে ভেষজ চাষে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
দিনহাটায় প্রাথমিকভাবে ৫০ বিঘা জমিতে সোয়াসিড চাষ হয়েছে। তাতেও সাফল্য মিলেছে। সেই বার্তাও দেওয়া হয় চাষিদের। দিনহাটার শিক্ষক সৈকত সরকার বলেন, মিলেট চাষে সাফল্য মিলেছে দিনহাটাতে। এবারে ভেষজ চাষে চাষিদের উৎসাহিত করতেই এমন কর্মশালা।
জাতীয় ভেষজ উদ্ভিদ পর্ষদের পূর্বাঞ্চলের সহায়তা কেন্দ্রের ডিরেক্টর সৌমজিৎ বিশ্বাস বলেন, উত্তরবঙ্গে ভেষজ উদ্ভিদ চাষের সম্ভাবনা প্রবল। উত্তরের বনাঞ্চলে উৎপাদিত ভেষজের চাহিদা বিশ্বজোড়া। সেই সম্পদ সংগ্রহ করেই বিদেশ রপ্তানি করা হচ্ছে। এতে জঙ্গল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভেষজের চাহিদা মেটাতে উৎপাদনই বিকল্প। সেই কারণেই চাষিদের ভেষজ উদ্ভিদ চাষে উৎসাহিত করতে একদিনের এই কর্মশালা।
দিনহাটায় প্রাথমিকভাবে ৫০ বিঘা জমিতে সোয়াসিড চাষ হয়েছে। তাতেও সাফল্য মিলেছে। সেই বার্তাও দেওয়া হয় চাষিদের। দিনহাটার শিক্ষক সৈকত সরকার বলেন, মিলেট চাষে সাফল্য মিলেছে দিনহাটাতে। এবারে ভেষজ চাষে চাষিদের উৎসাহিত করতেই এমন কর্মশালা।
জাতীয় ভেষজ উদ্ভিদ পর্ষদের পূর্বাঞ্চলের সহায়তা কেন্দ্রের ডিরেক্টর সৌমজিৎ বিশ্বাস বলেন, উত্তরবঙ্গে ভেষজ উদ্ভিদ চাষের সম্ভাবনা প্রবল। উত্তরের বনাঞ্চলে উৎপাদিত ভেষজের চাহিদা বিশ্বজোড়া। সেই সম্পদ সংগ্রহ করেই বিদেশ রপ্তানি করা হচ্ছে। এতে জঙ্গল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভেষজের চাহিদা মেটাতে উৎপাদনই বিকল্প। সেই কারণেই চাষিদের ভেষজ উদ্ভিদ চাষে উৎসাহিত করতে একদিনের এই কর্মশালা।



